জার্মানিতে শিক্ষার্থীদের সময় কাটছে যেভাবে | সমাজ সংস্কৃতি | DW | 01.04.2020
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

জার্মানি

জার্মানিতে শিক্ষার্থীদের সময় কাটছে যেভাবে

করোনার কারণে জার্মানিতে এখন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে৷ ইস্টারের ছুটি শেষ হওয়া পর্যন্ত এমনটা থাকবে৷ রাজ্যভেদে সেটা প্রায় এপ্রিলের তৃতীয় সপ্তাহ পর্যন্ত গড়াবে৷ এই মেয়াদ বাড়বে কিনা তা কয়েক দিনের মধ্যে জানা যাবে৷

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

দুই সপ্তাহের বেশি সময় ধরে শিক্ষার্থীরা ঘরেই আছে৷ তবে একেবারে যে লেখাপড়া ছাড়া থাকতে হচ্ছে, তা নয়৷ কারণ ছুটি শুরুর আগে অনেক শিক্ষকই বাড়ির কাজ দিয়ে দিয়েছেন৷ এর মধ্যে কিছু কাজ বাধ্যতামূলক, আর কিছু ঐচ্ছিক৷ 

পাঁচ সপ্তাহের জন্য বন্ধ করতে না হলে ক্লাসের লেখাপড়া যতখানি এগোত সেটি বিবেচনায় নিয়ে বাধ্যতামূলক বাড়ির কাজ দিয়েছেন অনেক শিক্ষক৷

এর বাইরে শিক্ষার্থীদের মধ্যে যেন একেঘেয়েমি পেয়ে না বসে সেটিও ভেবেছেন শিক্ষকরা৷ তাইতো নানারকমের ঐচ্ছিক কাজ দিয়েছেন তারা৷ যেমন ভিডিও ধারণ করে ছোট ফিল্ম তৈরি করা, বই পড়া, গল্প, কবিতা লেখা ইত্যাদি৷

শিক্ষার্থীরা যেন এসব কাজ করতে উৎসাহী হয় সেজন্য শিক্ষকরা মাঝেমধ্যেই ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছেন৷ সেই সময় শিক্ষার্থীরা তাদের তৈরি ভিডিও অন্যদের দেখাতে পারছে, তাদের প্রতিক্রিয়া জানতে পারছে৷ কেউ হয়ত কনফারেন্সিংয়েই নিজের লেখা কবিতা শোনাচ্ছে, কেউ তার ভালো লাগা বইয়ের কথা জানাচ্ছে৷

অনেক শিক্ষক অনলাইনে ক্লাসও নিচ্ছেন৷ বিশেষ করে এবছর যে শিক্ষার্থীরা স্কুল সমাপনী পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে তাদের সঙ্গে অনলাইনে যোগাযোগ করছেন শিক্ষকরা৷ রাজ্যভেদে মার্চ থেকে জুন পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে ‘আবিটুর' নামে এই পরীক্ষা হয়ে থাকে৷ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকলেও আবিটুর অনুষ্ঠিত হবে বলে সপ্তাহখানেক আগে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে৷ ইতোমধ্যে একটি রাজ্যে পরীক্ষা শুরুও হয়ে গেছে৷

শরীর ঠিক রাখতে প্রতিদিন অন্তত একবার বাইরে বেরিয়ে হাঁটাচলা করার পরামর্শ দিচ্ছেন শিক্ষকরা৷ জার্মানিতে দুজন একসঙ্গে বাইরে বের হতে পারেন৷ আর পরিবার হলে সংখ্যাটা দুজনের বেশিও হতে পারে৷

সামনে ইস্টার আসছে৷ এই সময় বৃদ্ধাশ্রমের বাসিন্দাদের মন ভালো করে দিতে একটি প্রাইমারি স্কুলের শিক্ষার্থীদের বয়স্কদের জন্য উপহার তৈরির অনুরোধ করা হয়েছে৷ কাজ শেষে সেগুলো স্কুলে দিয়ে আসলে শিক্ষকেরা তা বৃদ্ধদের কাছে পৌঁছে দেবেন৷

নির্বাচিত প্রতিবেদন

বিজ্ঞাপন