জার্মানিতে রেকর্ড পরিমাণ প্যাকেজিং বর্জ্য | বিশ্ব | DW | 19.11.2019
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

জার্মানি

জার্মানিতে রেকর্ড পরিমাণ প্যাকেজিং বর্জ্য

ফেলে দেওয়া জিনিসপত্র পুনর্ব্যবহারের অভ্যাস থাকা সত্ত্বেও জার্মানরা প্রতি বছর রেকর্ড সংখ্যক প্যাকেজিং বর্জ্য উৎপাদন করছে বলে ফেডারেল এনভায়রনমেন্টাল এজেন্সি (ইউবিএ) জানিয়েছে৷

সংস্থাটির সোমবার প্রকাশিত তথ্যানুযায়ী, জার্মানিতে ২০১৭ সালে এক কোটি ৮৭ লাখ টন প্যাকেজিং বর্জ্য জড়ো হয়, যা তার আগের বছরের তুলনায় তিন শতাংশ বেশি৷ উৎপাদন ও খুচরা বিক্রয়কেন্দ্রে পরিবহণের আগে বেশি বেশি প্যাকেজিং ব্যবহার করা হলে এই বর্জ্য আরো বেড়ে যাবে বলে সতর্ক করেছে সংস্থাটি৷

ইউবিএর সভাপতি মারিয়া ক্রাউটজবার্গার বলেছেন, ‘‘আমরা অনেক বেশি প্যাকেজিং ব্যবহার করি৷ আমাদের অবশ্যই এই বর্জ্য এড়াতে হবে, সম্ভব হলে উৎপাদন পর্বের প্রথম পর্যায় থেকেই৷’’

তিনি বলেন, ‘‘টুথপেস্ট টিউবও প্যাকেজ করে দেওয়া হয়, প্রায়ই কেউ এর বিপরীত দিকটি দেখতে পান৷ কেবল (বোতলজাত) মিনারেল ওয়াটার এবং বিয়ার নয়, আমাদের আরো বেশি পুনর্ব্যবহারযোগ্যতা প্রয়োজন৷ পুনরায় ব্যবহারযোগ্য মগে কফি কেনা যায় এবং পুনরায় ব্যবহারযোগ্য পাত্রে খাবার গ্রহণ করতেও সক্ষম হওয়া উচিত৷’’

২০০০ সাল থেকে জার্মানিতে প্যাকেজিং ব্যবহারের হার ২৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে৷ জার্মানির পুনর্ব্যবহারযোগ্য কোটা ৭০ শতাংশ হওয়ায় ইউবিএ এটিকে ‘ভালো’ হিসেবে বর্ণনা করেছিল৷

তবে এখন ইউবিএ জানিয়েছে, পুনর্ব্যবহারযোগ্য হিসেবে কাঁচ, কাগজ এবং ইস্পাত ভালো কাজ করলেও প্লাস্টিক ৫০ শতাংশ এবং কাঠের তন্তুগুলোর পুনর্ব্যবহার ২৬ শতাংশের মধ্যে রয়েছে৷ অ্যালুমিনিয়াম পুনর্ব্যবহার আপাতদৃষ্টিতে উচ্চ কোটায় অর্থাৎ ৮৭ শতাংশ থাকলেও খাঁটি অ্যালুমিনিয়াম পুনরুদ্ধারের মাত্রা মাত্র ৩০ থেকে ৪০ শতাংশের মধ্যে৷

জার্মানির সংশোধিত প্যাকেজিং আইন গত জানুয়ারি থেকে কার্যকর করা হয়েছে, যেখানে বিভিন্ন উপকরণগুলো পুনর্ব্যবহারযোগ্য এবং পুনর্ব্যবহারযোগ্যতা উন্নত করার কথা বলা হয়েছে৷

সুপারশপ এবং আউটলেটগুলোতে ধীরে ধীরে প্লাস্টিকের ব্যাগনিষিদ্ধ করতে জার্মানির পরিবেশমন্ত্রী সোভেঞ্জ শুলজের সুপারিশে নভেম্বরের প্রথম দিকে সায় দিয়েছে দেশটির মন্ত্রিসভা৷ প্লাস্টিকের বদলে পুনরায় ব্যবহারযোগ্য ব্যাগ ব্যবহারের জন্য ক্রেতাদের আহ্বান জানিয়েছে সরকার৷

এসআই/এসিবি (ডিপিএ, এএফপি)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন