জার্মানিতে মহাজোট সরকার গড়ার আলোচনা শুরু করবে এসপিডি | বিশ্ব | DW | 21.01.2018
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

জার্মানি

জার্মানিতে মহাজোট সরকার গড়ার আলোচনা শুরু করবে এসপিডি

রবিবার বন শহরে এসপিডি দলের সম্মেলনে মহাজোট সরকার গড়ার আলোচনার পক্ষে সমর্থন আদায় করতে পেরেছেন শীর্ষ নেতা মার্টিন শুলৎস৷ কোয়ালিশন চুক্তি সম্পর্কে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন দলের সদস্যরা৷

জার্মানির বর্তমান রাজনৈতিক অচলাবস্থা কাটানোর চাবিকাঠি এসপিডি দলের হাতে৷ তারা ইউনিয়ন শিবিরের সঙ্গে আবার মহাজোট সরকার গঠন করলে জার্মানি, তথা ইউরোপে স্বস্তির নিঃশ্বাস পড়বে৷ কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে এসপিডি দলের নেতৃত্ব এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত একা গ্রহণ করতে নারাজ৷ দলের মধ্যে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় ধাপে ধাপে সেদিকে এগোনোর পথে এগোচ্ছেন শীর্ষ নেতা মার্টিন শুলৎস-সহ অন্যান্য নেতারা৷ তারই আওতায় রবিবার বন শহরে দলের প্রায় ৬৪০ জন ডেলিগেটের মধ্যে প্রায় ৫৬ শতাংশ মহাজোট গড়ার আলোচনার পক্ষে সমর্থন জানালেন৷ তবে এটাই শেষ পদক্ষেপ নয়৷ শেষ পর্যন্ত মহাজোট নিয়ে দুই শিবির ঐকমত্যে এলে এসপিডি দলের প্রায় ৪ লক্ষ ৪০ হাজার সদস্যকে সেই কোয়ালিশন চুক্তির প্রতি সমর্থন জানাতে হবে৷ তবেই সরকার গঠন করা সম্ভব হবে৷

চ্যান্সেলর আঙ্গেলা ম্যার্কেলের নেতৃত্বে আরও একবার মহাজোট সরকারে যোগ দিলে দলের ভাবমূর্তির আরও ক্ষতি হবে বলে আশঙ্কা করছে এসপিডি দলের একটা বড় অংশ৷ রবিবার তারা তাদের যুক্তি তুলে ধরলেন৷ তাঁদের মতে, একের পর এক মহাজোটের অংশ হয়ে এসিপিডি তার নিজস্ব চরিত্র অনেকটা হারিয়ে ফেলেছে এবং ভোটারদের আস্থা হারিয়েছে৷ গত নির্বাচনে ঐতিহাসিক বিপর্যয়ের পর শিক্ষা নিয়ে বিরোধী আসনে বসা উচিত বলে তাঁরা মনে করেন৷ অন্যদিকে দলের নেতৃত্ব দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে জাতির স্বার্থে সরকারের অংশ হবার পক্ষে৷ নতুন নির্বাচন হলে এসপিডি আরও সমর্থন হারাবে বলে মনে করেন তাঁরা৷ শেষ পর্যন্ত সামান্য ব্যবধানে হলেও এই যুক্তির প্রতি সমর্থন আদায় করতে পেরেছেন তাঁরা৷ সেইসঙ্গে দলের মধ্যে এমন খোলামেলা বিতর্ককে ইতিবাচক হিসেবে তুলে ধরছেন তাঁরা৷

এসপিডি দল এবার ইউনিয়ন শিবিরের সঙ্গে আলোচনায় বসতে চলেছে৷ চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এসপিডি দলের সদস্যদের হাতে থাকায় ইউনিয়ন শিবিরে বেশ অস্বস্তি কাজ করবে৷ কারণ, এসিপিডি দলের বেশিরভাগ দাবি মেনে না নিলে সরকার গড়ার দ্বিতীয় প্রচেষ্টা বিফল হবে৷

এসবি/এসিবি (রয়টার্স, এএফপি)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়