জার্মানিতে বিশ্বের প্রথম হাইড্রোজেনচালিত ট্রেনের যাত্রা শুরু | বিশ্ব | DW | 17.09.2018
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

জার্মানি

জার্মানিতে বিশ্বের প্রথম হাইড্রোজেনচালিত ট্রেনের যাত্রা শুরু

বিশ্বে প্রথম হাইড্রোজেনচালিত ট্রেন চালু করলো জার্মানি৷ কার্বন নিঃসরণহীন এই ট্রেন পরিবেশ দূষণকারী ডিজেলচালিত ট্রেনের বিকল্প হয়ে উঠবে বলেই ধারণা করা হচ্ছে৷

ফরাসি টিজিভি ট্রেন নির্মাতা আলস্টোমের তৈরি করা দুটি উজ্জ্বল নীলাভ কোরাডিয়া আইলিনট ট্রেন সোমবার জার্মানির উত্তরাঞ্চলের কয়েকটি শহর ঘোরে৷ কুক্সহাফেন, ব্রেমারহাফেন, ব্রেমারফোয়ারডে ও বুক্সটেহুডে শহরের মধ্যে ১০০ কিলোমিটারের রেলপথে এটি চলে৷ এই পথে সাধারণত ডিজেলচালিত ট্রেন চলাচল করে৷

ব্রেমারফোয়ারডেতে ট্রেনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আলস্টোমের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা অঁরি পুপা-লেফার্জ বলেন, ‘‘বিশ্বের প্রথম হাইডোজেনচালিত ট্রেনের বাণিজ্যিক ব্যবহার শুরু হচ্ছে৷ আমরা একের পর এক এই ট্রেন উৎপাদনের জন্য প্রস্তুত৷''

২০২১ সালের মধ্যে লোয়ার সাক্সনি রাজ্যকে জিরো কার্বন নিঃসরণের ১৪টি ট্রেন দেওয়ার কথা রয়েছে বলে জানায় অ্যালস্টোম৷ তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, জার্মানির অন্যান্য রাজ্যও এই ট্রেনের প্রতি আগ্রহ দেখাচ্ছে৷

হাইড্রোজেন ট্রেনের জ্বালানির জন্য ‘ফুয়েল সেল' ব্যবহার করা হয়, যা হাইড্রোজেন ও অক্সিজেনের সমন্বয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন করে৷ এই প্রক্রিয়ায় শুধু জলীয়বাষ্প ও পানি বের হয়৷

ট্রেনে রাখা লিথিয়াম আয়নের ব্যাটারিতে অতিরিক্ত শক্তি সঞ্চিত থাকে৷

কোরাডিয়া আইলিনট ট্রেন এক ট্যাংক হাইড্রোজেন দিয়ে এক হাজার কিলোমিটার পথ চলতে পারে, যা ডিজেলচালিত ট্রেনের মতোই৷

বিদ্যুৎহীন রেললাইনে চলাচলকারী ডিজেলচালিত ট্রেনের বদলে পরিবেশবান্ধব ট্রেন আনতে এই প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করছে আলস্টোম৷ পরিবেশ দূষণ থেকে বাঁচার উপায় খুঁজতে থাকা অনেক জার্মান শহরের জন্যই তা আকর্ষণীয় হয়ে উঠতে পারে৷

আলস্টোমের এই প্রকল্পের ব্যবস্থাপক স্টেফান শোয়াঙ্ক বলেন, ‘‘হাইড্রোজেন ট্রেন ডিজেল ট্রেনের চেয়ে ব্যয়বহুল হতে পারে, কিন্তু এটা চালানোর খরচ কম৷''

ব্রিটেন, নেদারল্যান্ডস, ডেনমার্ক, নরওয়ে, ইটালি ও ক্যানাডাসহ আরো কয়েকটি দেশ হাইড্রোজেনচালিত ট্রেনের প্রতি আগ্রহ দেখিয়েছে বলে জানিয়েছে আলস্টোম৷

ফ্রান্সে ২০২২ সালের মধ্যে হাইড্রোজেন ট্রেন রাস্তায় নামানোর ঘোষণা দিয়েছে সরকার৷

এএইচ/এসিবি (এএফপি)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন