জার্মানিতে প্রতিশোধমূলক হামলার আশঙ্কা | সমাজ সংস্কৃতি | DW | 22.02.2020
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

জার্মানি

জার্মানিতে প্রতিশোধমূলক হামলার আশঙ্কা

জার্মানির হানাও হত্যাকাণ্ডের প্রেক্ষিতে এবার পাল্টা হামলার আশংকা করছে পুলিশ৷ দেশটির মসজিদগুলোতেও নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরো জোরদার করা হয়েছে৷

জার্মানিতে উগ্র-ডানপন্থি বন্দুকধারীর হামলার পর এবার প্রতিশোধমূলক হামলার আশঙ্কা করছে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী৷ যা ঠেকাতে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতিও নিচ্ছে তারা৷ জার্মান গণমাধ্যম ফুঙ্কা মিডিয়া গ্রুপের এক প্রতিবেদনে এমন তথ্য দেয়া হয়েছে৷

তদন্তকারীদের বরাত দিয়ে তারা বলছে, উগ্র বামপন্থিরা পরবর্তী হামলাটি ঘটাতে পারে৷ এমনকি উগ্র ডানপন্থি দল অলটারনেটিভ ফর জার্মানির (এএফডি) সদস্যদের উপর সহিংসতা হতে পারে বলেও আশঙ্কা রয়েছে৷

তবে, জার্মানির তৃতীয় বৃহৎ গণমাধ্যমটিকে তাদের সূত্র জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত ইসলামপন্থি গোষ্ঠীগুলোর কাছ থেকে প্রতিশোধমূলক হামলার নির্দিষ্ট কোন হুমকি নেই৷ তবে এই আশঙ্কাও তারা একেবারে উড়িয়ে দিচ্ছে না

সরকারি তদন্তকারীদের তথ্য অনুযায়ী, দেশটির মসজিদগুলো পরবর্তী উগ্র ডানপন্থি হামলার সম্ভাব্য লক্ষ্য হতে পারে৷ আর তা ঠেকাতে মসজিদগুলোর সামনে পুলিশের উপস্থিতি বাড়ানো হবে বলে শুক্রবার ঘোষণা দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হোর্স্ট সেহোফার৷  

এদিকে ব্যক্তিগত বন্দুকের মালিক এবং আবেদনকারীদের মানসিক পরীক্ষার দাবি তুলেছে দুইটি দল৷ সামাজিক গণতন্ত্রী দলের নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ হেলগা লিন্ড বলেছেন, ‘‘আমাদের অস্ত্র আইন সংস্কার করা প্রয়োজন কীনা হানাও এর সহিংসতার পর সেটি জোর দিয়ে পরীক্ষা করতে হবে৷’’

জার্মান সংবাদমাধ্যম ডি ভেল্টকে তিনি বলেন, ‘‘যদি কর্তৃপক্ষ অস্ত্রের মালিকদের মানসিক ও ব্যক্তিগত প্রয়োজনীয়তার বিষয়টি যথাযথভাবে পরীক্ষা করতে না পারে তাহলে আমাদেরকে অবশ্যই সে অনুযায়ী আইন সংশোধন করতে হবে৷’’

আর সেক্ষেত্রে ভবিষ্যতে কেউ অস্ত্রের লাইসেন্স পেতে হলে তাকে মানসিক পরীক্ষা দিতে হবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি৷ একই কথা বলেছেন গ্রিন পার্লামেন্টারি গ্রুপের অভ্যন্তরীণ নীতি বিষয়ক মুখপাত্র ইরিনে মিহালিচ৷ তিনি জানান, শারীরিক, মানসিক প্রবণতা বিবেচনা করে যোগ্যদেরই অস্ত্রের অনুমতি দেয়া হবে এমন লক্ষ্য তাদের৷

বিষয়টি নিয়ে এরইমধ্যে ভাবতে শুরু করেছে সরকার৷ জার্মান সংবাদপত্র বিল্ডকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হোর্স্ট সেহোফার বলেছেন তিনিও অস্ত্রের লাইসেন্সের জন্য বাড়তি মানসিক পরীক্ষার নিয়মের পক্ষে৷ যাতে করে এটি নিশ্চিত করা যায়ে যে অস্ত্রধারী সাধারণ মানুষের জন্য হুমকি হয়ে উঠবে না৷

উল্লেখ্য, বুধবার ৪৩ বছর বয়সি এক জার্মান নাগরিক হানাওয়ের দুইটি শিশাবারে হামলা চালিয়ে আট বিদেশি বংশদ্ভূতকে হত্যা করেন৷ পরবর্তীতে হামলাকারী এবং তার মায়ের গুলিবিদ্ধ মৃতদেহ একটি অ্যাপার্টমেন্ট থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ৷

এফএস/এআই (এএফপি)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন