জার্মানিতে পাখির সংখ্যা নাটকীয়ভাবে কমছে | আলাপ | DW | 21.01.2019
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

জার্মানি

জার্মানিতে পাখির সংখ্যা নাটকীয়ভাবে কমছে

জার্মানিতে এক গবেষণায় উদ্বেগজনক তথ্য বেরিয়ে এসেছে– দেশটিতে ২০০৫ থেকে ২০১৭ সালের মধ্যে পাখির সংখ্যা ১৫ শতাংশ কমেছে৷ কেন এভাবে পাখি কমে যাচ্ছে তা নিয়েও চলছে গবেষণা৷

জার্মানির প্রকৃতি এবং প্রাণীবৈচিত্র্য সংরক্ষণ বিষয়ক গোষ্ঠী নাবু-র এক গবেষণা থেকে জানা গেছে, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জার্মানিতে পাখির সংখ্যা নাটকীয়ভাবে কমেছে৷ ২০১৭ সালে প্রকাশিত গবেষণা অনুযায়ী, আগের বারো বছরে ১ কোটি ২৭ লক্ষ প্রজননক্ষম পাখির জোড়া উধাও হয়ে গেছে৷ 

নাবু'র প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিপন্ন নয় এমন প্রজাতির পাখির সংখ্যা ক্রমশ কমে যাচ্ছে৷ এসবের মধ্যে রয়েছে স্টারলিং, চড়ুই, ফিঞ্চ, গোল্ডক্রেস্টস, ভরতপক্ষী এবং ইয়েলোহ্যামারস পাখি৷ অন্যদিকে যেসব পাখি বিপন্নের তালিকায় রয়েছে, সেগুলোর সংখ্যা আবার সাম্প্রতিক সময়ে বেড়েছে, কেননা, সেগুলো রক্ষায় বিশেষ উদ্যোগ নেয়া হয়েছে৷

পাখির পাশাপাশি উড়ন্ত কীটপতঙ্গের হারও কমে যাচ্ছে৷ গবেষণা বলছে, ২০১৭ সালের আগে ২৭ বছরে কীটপতঙ্গের সংখ্যা কমেছে ৭৬ শতাংশ৷ তবে ঠিক কী কারণে, পাখি এবং কীটপতঙ্গ এভাবে কমে যাচ্ছে তা এখনো নিশ্চিতভাবে বলতে পারছেন না গবেষকরা৷ এক্ষেত্রে জলবায়ু পরিবর্তনকে দোষ দেয়া যাচ্ছে না, কেননা, উষ্ণ তাপমাত্রা পাখি এবং কীটপতঙ্গের জন্য ইতিবাচক৷

গবেষকরা মনে করছেন, পাখি এবং কীটপতঙ্গের হার কমার সঙ্গে আধুনিককালের বড় কৃষি প্রকল্পের সংযোগ থাকতে পারে৷ উদাহরণস্বরুপ বলা যেতে পারে, কৃষকরা যে কীটনাশক ব্যবহার করেন, তা পাখি এবং কীটপতঙ্গের বংশবৃদ্ধির উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে৷ মোটের উপর একই জমিতে ক্রমাগত কৃষিকাজ করায় এবং আবাদি জমির পরিমাণ বাড়ানোয় পাখিদের জন্য প্রয়োজনীয় ঝোঁপঝাড়ও কমে যাচ্ছে৷

নেদারল্যান্ডসের রেডবাউড বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাস্পার হলমান মনে করেন, ‘‘যেসব পাখি কৃষিজমির আশেপাশে বসবাস করে, সেগুলো সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে৷ কৃষি জমিতে আধুনিকতার ছোঁয়া সম্ভবত পাখির হার দ্রুতহারে কমার কারণ৷''

জার্মানির কৃষকদের অ্যাসোসিয়েশন অবশ্য পাখি কমার পেছনে কৃষিজমিতে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারকে দায়ী করতে রাজি নয়৷ অ্যাসোসিয়েশেন এক মুখপাত্র মনে করেন, এই বিষয়ে আরো গবেষণা না করেই কৃষকদের দায়ী করা ঠিক হবে না৷

তবে দায় যারই হোক, বাস্তবতা হচ্ছে, কীটপতঙ্গ এবং পাখির সংখ্যা কমছে৷ আর এগুলো কমতে থাকলে তা কৃষিখাতের জন্যও কোনো সুখবর নয়, কেননা, ফসলের পরাগায়ন যে সেগুলোর মাধ্যমেই ঘটে!

ফাবিয়ান স্মিডট/এআই

প্রতিবেদনটি সম্পর্কে আপনার মন্তব্য জানান, লিখুন নীচের ঘরে৷

নির্বাচিত প্রতিবেদন

বিজ্ঞাপন