জার্মানিতে নতুন চমক ‘বড়দিনের বাড়ি’ | বিশ্ব | DW | 02.02.2018
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

অন্বেষণ

জার্মানিতে নতুন চমক ‘বড়দিনের বাড়ি’

‘ভাইনাক্ট্সহাউস’ বা বড়দিনের বাড়ি বলে জার্মানিতে আগে কিছু ছিল না৷ মার্কিন মুলুক থেকে কিছুদিন আগে আমদানি হয়৷ বড়দিনে আলোকমালা দিয়ে বাড়ি সাজানোর প্রথাটা হ্যালোউইনের মতোই ধীরে ধীরে জার্মানিতে ছড়িয়ে পড়ছে৷

প্রতি বছর এখানে কচিকাঁচাদের জন্য ক্রিসমাসের একটা বড় আকর্ষণ হল এই ‘ভাইনাক্ট্সহাউস’ বা ক্রিসমাস হাউস৷ বড়দিনের চার সপ্তাহ আগে জার্মানির সবচেয়ে বড় ‘বড়দিনের বাড়ি’-টিতে পাঁচ লাখ ত্রিশ হাজার বাতি জ্বলে ওঠে৷ নিম্ন স্যাক্সনির কালে শহরের এই বাড়িটির সম্ভবত গোটা ইউরোপে কোনো জুড়ি নেই৷

ছোট্ট, শান্ত কালে শহরে বড়দিনের এই ভোজবাজির উদ্যোক্তা রল্ফ ফোগ্ট, পেনশনভোগী, যার নেশা হল বড়দিনের আলোকসজ্জা৷ তিনি বলেন, ‘‘সব কিছু ঠিকঠাক হলে আমি আনন্দে হাততালি দিই৷ একটা আশ্চর্য আনন্দের অনুভূতি, বিশেষ করে যখন মানুষজন খুশি হয়ে ‘বাঃ, বাঃ' করে, তখন আমার দারুণ লাগে৷ সবচেয়ে খারাপ হল, যদি বৃষ্টি শুরু হয় আর আমি রিমোট কন্ট্রোলটা চালাতেই ফট্ করে একটা শব্দ হয় – আর সবাই ওখানে দাঁড়িয়ে বলে ‘যাঃ!'’’

ভিডিও দেখুন 02:39

জার্মানির সবচেয়ে বড় ‘বড়দিনের বাড়ি’

তবে তা খুব বেশি একটা ঘটে না৷ এই সুবিশাল বড়দিনের বাড়িটির আলোকসজ্জার পিছনে গোটা ছয় মাসের কাজ রয়েছে৷ সেই আলোকসজ্জা কেমন হবে, তা ঠিক করেন রল্ফের গৃহিণী ন্যার্মিন৷ রল্ফ বলেন, ‘‘ভেতরের সব অলঙ্করণ আর সাজানো ও একা করে, অথবা কেমন হবে, তা ঠিক করে দেয়৷’’ ন্যার্মিন ফোগ্ট মনে করেন, ‘‘এই হাসিখুশি থেকে ও অনেক আনন্দ, অনেক শক্তি পায়, আমি জানি৷’’

বড়দিনের আলোকসজ্জার নকশা থেকে ইলেকট্রিকের কাজ, রল্ফ সবই করেন নিজের হাতে৷ ১৯৯৯ সালে ফোগ্ট দম্পতি যুক্তরাষ্ট্রে গিয়েছিলেন ছেলের কাছে৷ সেখানেই প্রথম বাড়িতে বাড়িতে বড়দিনের আলোকসজ্জা দেখেন রল্ফ ও ন্যার্মিন৷ জার্মানিতে তখন ব্যাপারটা প্রায় অপরিচিত ছিল৷ রল্ফ বলেন, ‘‘একটা বাড়ি আরেকটার চেয়ে সুন্দর! সামনের বাগানে আলোয় আঁকা সব চলন্ত হরিণ আর সন্ত নিকোলাস – এ সব দেখে আমরা ভাবলাম, দেশে ফিরে আমরাও তা করব, শুধু নিজেদের জন্য৷’’

সামান্য একটা খেয়াল থেকে যা জন্ম নিয়েছিল, আজ তা সারা জীবনের স্বপ্ন হয়ে উঠেছে৷ বড়দিনের বাড়ির সেই স্বপ্নের পিছনে রল্ফ ফোগ্ট এযাবৎ খরচ করেছেন প্রায় দেড় লাখ ইউরো৷

রেজিনা নিডেনৎসু/এসি

নির্বাচিত প্রতিবেদন

ইন্টারনেট লিংক

এই বিষয়ে অডিও এবং ভিডিও

বিজ্ঞাপন