জার্মানিতে দক্ষ অভিবাসী খোঁজার আইনে ফাঁক | বিশ্ব | DW | 21.11.2018
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

জার্মানি

জার্মানিতে দক্ষ অভিবাসী খোঁজার আইনে ফাঁক

জার্মানিতে কর্মক্ষেত্রে দক্ষ কর্মীদের নিয়োগ দিতে একটি নতুন অভিবাসন আইন বাস্তবায়নের পথে অনেকটাই এগিয়েছে সরকার৷ তবে এই আইনে কিছু ফাঁক রয়েছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা৷

জার্মানিতে নার্স, সেবাকর্মী, নির্মাণ শ্রমিক, ছুতার, ইলেকট্রিশিয়ান এবং আইটি বিশেষজ্ঞের অভাব রয়েছে৷ এই অভাব পূরণ করতে ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাইরে অন্যান্য দেশ থেকে জার্মানিতে কর্মী নেয়ার কথা ভাবছে সরকার৷ বর্তমানে জার্মানিতে বেকারের সংখ্যা ২২ লাখ৷ অ্যাসোসিয়েশন অফ জার্মান চেম্বার্স অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ড্রাস্ট্রি ডিআইএইচকে'র মুখপাত্র স্টেফান হার্ডেগে বলেছেন, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোর ৬০ শতাংশই দক্ষ কর্মীর সংকটে ভুগছে এবং এই হার বাড়ছে৷

স্যুড ডয়চে সাইটুং পত্রিকা মঙ্গলবার নতুন অভিবাসন আইনের খসড়ার কিছু অংশ প্রকাশ করেছে৷ খসড়া আইনটি ম্যার্কেলের মন্ত্রিসভায় উপস্থাপন করা হবে এই বছরের শেষ নাগাদ৷

খসড়া প্রস্তাবে কিছু বিধিনিষেধ রয়েছে: ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাইরের নাগরিকরা কেবল তখনই জার্মানিতে কাজ করতে পারবেন, যখন ইউরোপীয় ইউনিয়ন বা জার্মানিতে তেমন দক্ষ কর্মী একেবারেই পাওয়া যাবে না৷ কেবল তাই নয়, নতুন এই আইন অনুযায়ী, যাদের কাজের দক্ষতার প্রমাণ বা অনুমোদন রয়েছে এবং জার্মানিতে কাজ করার চুক্তিপত্র থাকবে, তারাই কেবল এই দেশে কাজের অনুমতি পাবেন৷

এছাড়া খসড়া প্রস্তাবে ৬ মাসের জন্য কোনো ব্যক্তিকে জার্মানিতে এসে নিজের দক্ষতা প্রমাণের সুযোগ দেয়ার কথা রয়েছে৷ এই ৬ মাসজার্মানিতে থেকে কাজ খুঁজে নেয়ারসুযোগ থাকবে কোনো ব্যক্তির৷ তিনি নির্দিষ্ট কোনো একটি খাতে কাজ করতে পারেন বা ফ্রি-ল্যান্স কাজ করতে পারেন৷ তবে তাঁকে অবশ্যই জার্মান ভাষা শিখে আসতে হবে৷

বিশেষজ্ঞদের মত

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই আইনে বিদেশ থেকে দক্ষ কর্মী নেয়ার কথা বলা হলেও, আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে তা এত সহজ হবে না৷ ভিসা আবেদন প্রক্রিয়াকরণ সময়সাপেক্ষ ব্যাপার৷ আইনজীবী বেটিনা ওফের বলেন, ‘‘কেবল নতুন আইন পরিবর্তন করলেই হবে না৷ সেই সাথে ভিসা প্রক্রিয়াকে সহজ করতে হবে৷'' বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনেক সময় সামান্য কিছু কারণে অনেক দক্ষ কর্মীর ভিসা আবেদন প্রত্যাখ্যান হয়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে৷

বেন নাইট/এপিবি

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন