জার্মানিতে দক্ষিণ আফ্রিকার স্ট্রেইন | বিশ্ব | DW | 13.01.2021
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

জার্মানি

জার্মানিতে দক্ষিণ আফ্রিকার স্ট্রেইন

জার্মানিতে এক ব্যক্তির শরীরে করোনার নতুন স্ট্রেইনের সন্ধান মিলল। কিছু দিন আগেই তিনি দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে ফিরেছেন।

জার্মানিতেও পৌঁছে গেল দক্ষিণ আফ্রিকার কোভিড স্ট্রেইন। এখনো পর্যন্ত একজনের শরীরেই নতুন স্ট্রেইনের নমুনা মিলেছে। তবে পরিবারের বাকি সদস্যদের করোনার নমুনাও বিশেষ পরীক্ষাগারে পাঠানো হয়েছে। কয়েক দিন আগেই পরিবারটি দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে জার্মানিতে ফিরেছে। নতুন স্ট্রেইনের কথা বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছে জার্মান সরকার।

বেশ কিছুদিন দক্ষিণ আফ্রিকায় থাকার পরে সপ্তাহকয়েক আগে জার্মানির বাডেন শহরে ফিরেছে একটি পরিবার। বিমানবন্দরেই পরিবারের সকলের করোনা টেস্ট হয়। কিন্তু তখন করোনার রিপোর্ট নেগেটিভ আসে। দিনকয়েক আগে ওই পারবারটি এবং আশপাশের আরো কয়েকটি পরিবারের করোনার মৃদু লক্ষণ দেখা যায়। ফের সকলের করোনা পরীক্ষা করা হয়। সকলের শরীরেই করোনা ভাইরাস মেলে। তার মধ্যে একজনের শরীরে দক্ষিণ আফ্রিকার স্ট্রেইন পাওয়া যায়। এই প্রথম জার্মানিতে কারো শরীরে দক্ষিণ আফ্রিকার স্ট্রেইন মিলল।

সম্প্রতি করোনার এই স্ট্রেইন গোটা বিশ্বেই আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছে। দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে এই স্ট্রেইন পৌঁছেছিল যুক্তরাজ্যে। সেখানে মানুষ দ্রুত করোনায় আক্রান্ত হতে শুরু করেন। চিকিৎসকদের বক্তব্য, পুরনো করোনার স্ট্রেইনের থেকে এই স্ট্রেইন অনেক বেশি শক্তিশালী। তা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে মানুষের শরীরে। তবে নতুন স্ট্রেইনটিকে আগের চেয়ে বেশি মারাত্মক বলে মনে করা হচ্ছে না।

ফ্রান্স, ফিনল্যান্ড, সুইজারল্যান্ডেও এই স্ট্রেইন ছড়িয়ে পড়েছে। প্রতিটি দেশেই সরকার লকডাউন ঘোষণা করে স্ট্রেইনটির সংক্রমণ আটকানোর চেষ্টা করছে। জার্মানিতেও লকডাউন জারি হয়েছে। কারণ করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে এমনিতেই জার্মানিতে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েছে। কিন্তু এতদিন নতুন স্ট্রেইনের হদিশ পাওয়া যায়নি। এই প্রথম তা মিলল। ওই পরিবারের বাকিদের শরীরেও একই স্ট্রেইন আছে কি না, তা দেখার জন্য নতুন করে তাদের পরীক্ষা হয়েছে।

জার্মান চ্যান্সেলর আঙ্গেলা ম্যার্কেল আগেই নতুন স্ট্রেইন নিয়ে সকলকে সচেতন হতে বলেছিলেন। বস্তুত, ইউরোপের বহু দেশই যুক্তরাজ্য এবং দক্ষিণ আফ্রিকার সঙ্গে বিমান যোগাযোগ সাময়িক ভাবে বন্ধ রেখেছে। তা সত্ত্বেও নতুন স্ট্রেইন আটকানো যাচ্ছে না।

বাডেনের প্রশাসন জানিয়েছে, ওই ব্যক্তিকে সম্পূর্ণ আইসোলেশনে রাখা হয়েছে। তাঁর মাধ্যমে অন্যদের শরীরে যাতে ওই স্ট্রেইন ছড়িয়ে না পড়ে, সে দিকে লক্ষ্য রাখা হচ্ছে।

জার্মান প্রশাসন জানিয়েছে, দেশে টিকাকরণ শুরু হয়ে গিয়েছে। কিন্তু নতুন স্ট্রেইন ছড়িয়ে পড়লে যত দ্রুততার সঙ্গে টিকাকরণ দরকার, সেই পরিমাণ টিকা তাদের হাতে নেই। ফলে সাবধানতা অবলম্বন করা অত্যন্ত জরুরি।

এসজি/জিএইচ (রয়টার্স, ডিপিএ)

বিজ্ঞাপন