জার্মানিতে চালু হলো ‘সাইবার ডিফেন্স সেন্টার’ | সমাজ সংস্কৃতি | DW | 25.06.2011
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

সমাজ সংস্কৃতি

জার্মানিতে চালু হলো ‘সাইবার ডিফেন্স সেন্টার’

সাইবার ক্রাইম৷ দিনে দিনে বেশ আলোচিত হয়ে উঠছে বিষয়টি৷ তাই এ থেকে রক্ষা পেতে জার্মানিতে চালু হলো ‘সাইবার ডিফেন্স সেন্টার’৷

Dossierbild zum Thema Cyber-Attacken. Computerkriminalität - computer crime [ (c) www.BilderBox.com

প্রতীকী ছবি

ক'দিন আগের কথা৷ অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর দশ মন্ত্রীর দৈনন্দিন ইমেল পড়ছিল অন্য কেউ৷ তাও এক মাস ধরে! এ ধরণের উঁচু পদের ইমেলে অনেক গোপনীয় বিষয় থাকতে পারে৷ সেটাই স্বাভাবিক৷ তাই এসব মেল অন্য কেউ পড়ছে - বিষয়টা একেবারেই যে ঠিক নয়!

এবার আরেকটি ঘটনা৷ ইউরোপীয় কমিশন বেশ কিছুদিন ধরে লিবিয়া আর ইউরোজোনের সংকট নিয়ে আলোচনা করছে৷ নিচ্ছে গুরুত্বপূর্ণ সব সিদ্ধান্ত৷ কিন্তু এরই মধ্যে দেখা গেল, তাদের ইমেলে ঢুকে পড়েছে অন্য কেউ৷

এই দুটি ঘটনাই প্রমাণ করছে যে, দিনদিন সাইবার ক্রাইম'এর মতো একটি বিষয় কোথায় যাচ্ছে৷ ন্যাটো বলছে, সন্ত্রাসবাদ আর ‘উইপনস্ অব ম্যাস ডিস্ট্রাকশন' বা গণ-বিধ্বংসী অস্ত্রের মতোই নাকি ভয়ংকর এই সাইবার আক্রমণ৷

তাই আর হেলাফেলা না করে এদিকে নজর দিয়েছে জার্মানি৷ গঠন করেছে সাইবার ডিফেন্স সেন্টার৷ যার কাজ হবে এ ধরণের হামলা প্রতিহত করা৷

সম্প্রতি জার্মান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হান্স-পেটার ফ্রিডরিশ বন শহরে এই কেন্দ্রের উদ্বোধন করেন৷ এসময় তিনি জনগণের সেবায় নিয়োজিত সংস্থাগুলোকে সাইবার আক্রমণের হাত থেকে বাঁচানোর উপর জোর দেন৷ সরকারের বিভিন্ন সংস্থার নিরাপত্তা বিষয়ক বিশেষজ্ঞদের নিয়ে গঠিত হয়েছে এই কেন্দ্রটি৷

জার্মান সরকারের তথ্য নিরাপত্তা বিষয়ক সংস্থা বিএসআই'এর অধীনে কাজ করছে নতুন কেন্দ্রটি৷ বিএসআই'এর এক কর্মকর্তা স্টেফান রিটার বলেন, সাইবার আক্রমণ এখন আর কল্পনার জগতের কোনো ঘটনা নয়, যেটা নিয়ে শুধু কিছু বিশেষজ্ঞরা আলোচনা করে থাকেন৷ বরং এখন এটা বাস্তবতা৷ কারণ, এই ধরণের আক্রমণ এখন নিয়মিতই হচ্ছে৷

এদিকে স্টুটগার্টের এক প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ সান্দ্রো গাইকেন বলেছেন, সাইবার আক্রমণ এতদিন ছিল টিনএজারদের কাজ৷ আর এখন সেটা হচ্ছে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে৷ রাষ্ট্রই এখন পেশাজীবী হ্যাকার নিয়োগ দিচ্ছে৷ যারা অবশ্যই অনেক বেশি শক্তিশালী৷

প্রতিবেদন: জাহিদুল হক

সম্পাদনা: দেবারতি গুহ

নির্বাচিত প্রতিবেদন