জার্মানিতে গুলি করে দুজনকে হত্যা, হামলাকারী গ্রেপ্তার | বিশ্ব | DW | 18.06.2021
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

জার্মানি

জার্মানিতে গুলি করে দুজনকে হত্যা, হামলাকারী গ্রেপ্তার

জার্মানির এক শহরে বৃহস্পতিবার দুপুরে এক নারী ও এক পুরুষকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে৷ হামলাকারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে৷ হত্যার কারণ জানা যায়নি৷ এটি সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড নয় বলে মনে করছে পুলিশ৷

জার্মানির এজপেলকাম্প শহরে পুলিশ

জার্মানির এজপেলকাম্প শহরে গুলির ঘটনা ঘটে

জার্মানির হানোফার থেকে প্রায় ৮০ কিলোমিটার পশ্চিমের এজপেলকাম্প শহরে এই ঘটনা ঘটে৷

একজনকে একটি অ্যাপার্টমেন্ট ভবনের সামনে, আরেকজনকে কাছের এক রাস্তায় গুলি করা হয়৷ তবে তাদের পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি৷

আটক ব্যক্তির বয়স ৫২৷ তিনি ডিপেনাও নামের আরেক শহরের বাসিন্দা৷

পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে৷ তবে এটি কোনো সন্ত্রাসী হামলা নয় বলে মনে করছেন স্থানীয় পুলিশের এক কর্মকর্তা৷

শক্তিশালী বন্দুক আইন

২০০২ সালের এপ্রিলে এয়ারফুয়র্ট শহরের এক স্কুল থেকে বহিষ্কার হওয়া ১৯ বছর বয়সি শিক্ষার্থী রব্যার্ট স্টাইনহয়জার গুলি করে পাঁচ মিনিটের মধ্যে ১২ জন শিক্ষক, একজন সেক্রেটারি, দুজন শিক্ষার্থী ও একজন পুলিশকে হত্যা করে৷ এরপর সে আত্মহত্যা করে৷

২০০৯ সালের মার্চে ১৭ বছর বয়সি টিম ক্রেচমার তার বাবা-মার পিস্তল নিয়ে ভিনেনডেন শহরের এক স্কুলে ঢুকে গুলি করে নয় শিক্ষার্থী ও তিন শিক্ষককে হত্যা করে৷ এরপর একটি গাড়ি ছিনতাই করে সেটা নিয়ে পালাতে গিয়ে আরও তিনজনকে হত্যা করার পর সে আত্মহত্যা করে৷

এই দুই ঘটনার পর জার্মানিতে বন্দুক আইন শক্তিশালী করা হয়৷ ফলে জার্মানিতে এখন ইউরোপের অন্যতম শক্তিশালী বন্দুক আইন বিদ্যমান৷ ২৫ বছরের কমবয়সি কেউ বন্দুকের লাইসেন্সের জন্য আবেদন করলে তাকে মানসিক পরীক্ষায় পাস করতে হয়৷

তারপরও ২০১৬ সালে মিউনিখে এক শপিং সেন্টারে গুলির ঘটনা ঘটেছিল৷ ডেভিড আলী সনবলি নামের এক ব্যক্তি গুলি করে নয়জনকে হত্যা করেছিল৷ ঐ ঘটনায় অন্তত ৩৫ জন আহত হন৷ ঘটনার পর বন্দুক আইন আরো কঠিন করা যায় কিনা, তা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছিল৷

জেডএইচ/এসিবি (এএফপি, ডিপিএ, রয়টার্স)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়