জার্মানিতে গবেষণায় অব্যবহৃত লাখ লাখ প্রাণী হত্যা | সমাজ সংস্কৃতি | DW | 25.04.2020

ডয়চে ভেলের নতুন ওয়েবসাইট ভিজিট করুন

dw.com এর বেটা সংস্করণ ভিজিট করুন৷ আমাদের কাজ এখনো শেষ হয়নি! আপনার মতামত সাইটটিকে আরো সমৃদ্ধ করতে পারে৷

  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

জার্মানি

জার্মানিতে গবেষণায় অব্যবহৃত লাখ লাখ প্রাণী হত্যা

নতুন এক সরকারি প্রতিবেদন অনুযায়ী জার্মানিতে অতীতে যা ধারণা করা হয়েছিল তার চেয়েও বেশ কয়েক লাখ বেশি প্রাণী গবেষণাগারে হত্যা করা হয়েছে৷ অভিযোগ উঠেছে, এ সংক্রান্ত পরিসংখ্যানে ইচ্ছা করে প্রাণী হত্যার সংখ্যা কম দেখানো হয়৷

জার্মানিতে প্রতি বছর লাখ লাখ প্রাণী গবেষণার জন্য জন্ম দেয়া হয় এবং তারপর সেগুলো ব্যবহার না করেই আবার মেরে ফেলা হয়৷  এক সরকারি প্রতিবেদনে জানা গেছে এই তথ্য৷ কৃষি মন্ত্রণালয়ের হিসেব অনুযায়ী, ২০১৭ সালে জার্মানিতে ৩৯ লাখ প্রাণী হত্যা করা হয়েছে৷ গোটা ইউরোপীয় ইউনিয়নের ক্ষেত্রে সংখ্যাটি এক কোটি ছাব্বিশ লাখ৷

সবুজ দলের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানতে চাওয়া হলে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে এবং একটি জার্মান পত্রিকাকেও তা সরবরাহ করা হয়েছে৷

জার্মান সবুজ দলের প্রাণী সুরক্ষা নীতির প্রধান রেনেটা ক্যুনাস্ট দাবি করেছেন, অতীতে শুধুমাত্র গবেষণায় ব্যবহৃত প্রাণী হত্যার সংখ্যা প্রকাশের মাধ্যমে প্রকৃত চিত্র আড়াল করতে চেয়েছে চ্যান্সেলর আঙ্গেলা ম্যার্কেলের সরকার৷ জার্মান কৃষি মন্ত্রণালয় এর আগে জানিয়েছিল যে, ২০১৭ সালে ২৮ লাখ প্রাণী গবেষণাগারে হত্যা করা হয়েছিল৷ 

ক্যুনাস্ট বলেন, ‘‘এর অর্থ হচ্ছে পরিসংখ্যানে যদি একটি প্রাণীর কথা বলা হয়ে থাকে, তাহলে বাস্তবে অন্তত আরো একটি বা দু'টি প্রাণী হত্যা করা হয়েছিল৷’’

গবেষণার জন্য উৎপাদিত অনেক প্রাণী সাধারণত মেরে ফেলা হয়, কেননা, সেগুলো গবেষকদের চাহিদা মতো হয় না৷

২০১৭ সালে জার্মানিতে গবেষণার কাজে সবচেয়ে বেশি প্রাণী উৎপাদন করা হয়েছে৷ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, সেগুলোর অধিকাংশই ছিল ছোট ইঁদুর৷ এছাড়া ২৫৫,০০০ বড় ইঁদুর, ১৪০,০০০ মাছ, ৩,৫০০ বানর, ৩,৩০০ কুকুর এবং ৭১৮টি বিড়ালও ছিল৷

এসব প্রাণীর ৫০ শতাংশ বিভিন্ন গবেষণামূলক পরীক্ষা-নিরীক্ষায়, ২৭ শতাংশ নতুন ঔষধ পরীক্ষায় এবং ১৫ শতাংশ সুনির্দিষ্ট কোনো রোগ নিয়ে গবেষণায় ব্যবহার করা হয়েছে৷

উল্লেখ্য, জার্মানিতে প্রসাধন শিল্পে প্রাণী নিয়ে গবেষণা ১৯৯৮ সালে নিষিদ্ধ করা হয়েছে৷ আর পুরো ইউরোপীয় ইউনিয়নে ২০০৪ সাল থেকে এ ধরনের গবেষণা নিষিদ্ধ৷

প্রতিবেদন: এলিজাবেথ শ্যুমাখার/এআই

নির্বাচিত প্রতিবেদন