জার্মানিতে কোয়ালিশন চুক্তি সত্ত্বেও অসন্তোষ | বিশ্ব | DW | 08.02.2018
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

জার্মানি

জার্মানিতে কোয়ালিশন চুক্তি সত্ত্বেও অসন্তোষ

জার্মানিতে অবশেষে এক স্থিতিশীল সরকার গড়ার সম্ভাবনা উজ্জ্বল হয়ে ওঠার পরেও শরিক দলগুলির মধ্যে অসন্তোষ দূর হচ্ছে না৷ সামাজিক গণতন্ত্রী, তথা এসিপিডি নেতা শুলৎস সভাপতির পদ ছেড়ে দলের মধ্যে সমর্থন আদায়ের চেষ্টা করছেন৷

অঙ্কের বিচারে জার্মানির আগামী মহাজোট সরকারের কাঠামো প্রস্তুত৷ কোয়ালিশন চুক্তি, মন্ত্রিসভার গঠন, সরকারের লক্ষ্যমাত্রা স্থির হয়ে গেছে৷ এসপিডি দলের সদস্যরা এই সিদ্ধান্ত অনুমোদন করলে ইস্টারের সপ্তাহান্তের আগেই সরকার গঠিত হবে৷ কিন্তু তা সত্ত্বেও তিন শরিক দলের মধ্যেই এই সিদ্ধান্ত নিয়ে অসন্তোষ দেখা যাচ্ছে৷

প্রস্তাবিত সরকারে চ্যান্সেলর আঙ্গেলা ম্যার্কেলের সিডিইউ দল বিগত সরকারের তুলনায় কম মন্ত্রী পাঠাতে পারবে৷ বিশেষ করে অর্থ মন্ত্রণালয় হারানোর দুঃখ কম নয়৷ দলের অর্থনৈতিক পরিষদ সেইসঙ্গে সমাজ ও পরিবার মন্ত্রণালয় খোয়ানোর কারণেও এই বোঝাপড়ার সমালোচনা করেছে৷ সরকার গঠিত হলে তাই এই সব মন্ত্রণালয়ের কাজকর্মের উপর কড়া নজর রাখতে হবে বলে মনে করে এই পরিষদ৷ ম্যার্কেল এসপিডি দলকে এত ছাড় দেওয়ায় সিডিইউ দলের মধ্যে চাপা ক্ষোভের লক্ষণও দেখা যাচ্ছে৷ বাভেরিয়ার সিএসইউ দলের শীর্ষ নেতা কোয়ালিশন চুক্তির প্রশংসা করলেও অসন্তোষ লক্ষ্য করা যাচ্ছে৷

গত নির্বাচনে মাত্র ২০ শতাংশের মতো ভোট পেয়েও এসপিডি দল কোয়ালিশন চুক্তিতে নিজস্ব বিষয়গুলি অন্তর্ভুক্ত করে ও এত সংখ্যক মন্ত্রীর পদ আদায় করতে পেরেছে৷ ১৫ জন মন্ত্রীর মধ্যে ৬ জনই এসপিডি মন্ত্রী হতে পারেন৷ পররাষ্ট্র ও অর্থের মতো গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয় পাচ্ছে এসপিডি৷ দলের নেতৃত্ব এই সাফল্য নিয়ে উচ্ছ্বাস দেখালেও দলের মধ্যে তার প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে না৷ বিশেষ করে দলের যুব শাখা এখনো নীতিগতভাবে মহাজোট সরকারে যোগ দেবার বিরোধী৷ তাদের মতে, নতুন সরকারে দলের যতই প্রভাব-প্রতিপত্তি থাক না কেন, শেষ পর্যন্ত ভোটাররা সেই সাফল্যকে স্বীকৃতি দেয় না, যেমনটা বিগত মহাজোট সরকারগুলির ক্ষেত্রেও বার বার দেখা গেছে৷

দক্ষিণ কোরিয়া সফরে গিয়ে কোয়ালিশন চুক্তির খবর পেয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন জার্মান প্রেসিডেন্ট ফ্রাংক-ভাল্টার স্টাইনমায়ার৷ তিনি বলেন, গোটা বিশ্ব জার্মানির দিকে তাকিয়ে রয়েছে৷

আগামী কয়েক সপ্তাহে ধাপে ধাপে সরকার গড়ার পথে অগ্রগতি হবে বলে ধরে নেওয়া হচ্ছে৷ এসপিডি দলের প্রায় ৪৬৩,০০০ সদস্য ২০শে ফেব্রুয়ারি থেকে ২রা মার্চ পর্যন্ত ভোট দেবার সুযোগ পাবেন৷ দলের নেতা মার্টিন শুলৎস ও অন্যান্যরা তাঁদের মন জয় করতে প্রচার শুরু করছেন৷ দলের মধ্যে বিরোধীদের আশ্বাস দিতে শুলৎস দলের সভাপতির পদ ছেড়ে শুধু পররাষ্ট্রমন্ত্রীর পদ গ্রহণের ইঙ্গিত দিয়েছেন৷ অন্যদিকে দলের যুব শাখা সরকারে যোগ দেবার বিরুদ্ধে প্রচার চালাবে৷


এসবি/ডিজি 

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন