জার্মানিতে করোনার টিকা আবিষ্কারে পরীক্ষা | বিশ্ব | DW | 22.04.2020
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

জার্মানি

জার্মানিতে করোনার টিকা আবিষ্কারে পরীক্ষা

কোভিড-১৯ ভাইরাসের টিকা আবিষ্কারের লক্ষ্যে জার্মানির এক কোম্পানি ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের অনুমতি পেয়েছে৷ ফেডারেল কর্তৃপক্ষ অবশ্য চলতি বছরই জনসাধারণের জন্য টিকা প্রস্তুত হবে বলে মনে করছে না৷

গোটা বিশ্বে গবেষকরা অক্লান্ত পরিশ্রম করে করোনা ভাইরাসের টিকা বা প্রতিষেধক আবিষ্কারের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন৷ এমন টিকা আবিষ্কার হলে করোনা ভাইরাসের মহামারি প্রতিরোধ করা সম্ভব হবে৷ এখনো পর্যন্ত প্রায় ৮০টি এমন প্রকল্প চলছে৷ মূলত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও চীনে কয়েকটি ক্ষেত্রে ‘ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল’ এরই মধ্যে শুরু হয়ে গেছে৷ এই প্রথম জার্মানির একটি প্রতিষ্ঠানও সেই প্রক্রিয়া শুরু করার অনুমতি পেয়েছে৷ ঠিক কবে থেকে এই পরীক্ষা শুরু হবে, তা এখনো স্পষ্ট নয়৷

ফেডারেল স্তরে প্রতিষেধক ও বায়োমেডিসিন কর্তৃপক্ষ পাউল-এয়ারলিশ ইনস্টিটিউট বা পিইআই বুধবার বিয়নটেক নামের এক কোম্পানিকে সেই অনুমতি দিয়েছে৷ পিইআই জানিয়েছে, কোভিড-১৯ মোকাবিলায় নিরাপদ ও কার্যকর টিকা তৈরির পথে মানুষের উপর পরীক্ষা জার্মানি ও অন্যান্য দেশের জন্য অত্যন্ত জরুরি৷ সম্ভাব্য এই টিকার উপাদানের কার্যকরিতা ও ঝুঁকি পরীক্ষা করেই এমন অনুমতি দেওয়া হয়েছে৷ উল্লেখ্য, এই নিয়ে গোটা বিশ্বে বিশেষ এই প্রতিষেধকের কার্যকারিতা নির্ণয় করতে চতুর্থ পরীক্ষা চালানো হচ্ছে৷

বিয়নটেক কোম্পানির সূত্র অনুযায়ী, ১৮ থেকে ৫৫ বছর বয়সি ২০০ সুস্থ স্বেচ্ছাসেবীর উপর এই টিকা পরীক্ষা করা হবে৷ বহুজাতিক ওষুধ কোম্পানি ফাইজারের সঙ্গে সহযোগিতার মাধ্যমে বিয়নটেক টিকা তৈরির চেষ্টা চালাচ্ছে৷ ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের প্রথম ও দ্বিতীয় পর্যায়ে স্বেচ্ছাসেবীদের শরীরের জন্য আরএনএ বা জিন-ভিত্তিক সম্ভাব্য এই টিকা কতটা উপযুক্ত ও নিরাপদ, তা পরীক্ষা করা হবে৷ দ্বিতীয় পর্যায়ে চরম ঝুঁকিপূর্ণ মানুষের উপরেও পরীক্ষা চালানো হতে পারে৷ এ ক্ষেত্রে প্যাথোজেনের জিন সম্পর্কে তথ্যের ভিত্তিতে শরীরে বিশেষ ধরনের প্রোটিন উৎপাদন করা হচ্ছে৷ এই প্রোটিনের কল্যাণে শরীরে রোগ প্রতিরোধ প্রণালী উপযুক্ত অ্যান্টিবডি সৃষ্টি করবে বলে ধরে নেওয়া হচ্ছে৷ তখন ভাইরাস সেই মানুষকে সহজে কাবু করতে পারবে না৷ উল্লেখ্য, বিয়নটেক কোম্পানি মূলত ক্যানসারের রোগীদের জন্য ইমিউনোথেরাপি নিয়ে কাজ করে চলেছে৷

পাউল-এয়ারলিশ ইনস্টিটিউট জানিয়েছে, চলতি বছর কোভিড-১৯-এর একটি সম্ভাব্য প্রতিষেধকের চারটি ‘ক্লিনিকাল ট্রায়াল' চালানো হবে৷ তবে এ বছরই জনসাধারণের জন্য টিকা প্রস্তুত হবার সম্ভাবনা অত্যন্ত কম৷

এসবি/এসিবি (ডিপিএ, এএফপি)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন