জার্মানিতে উচ্চশিক্ষায় প্রধান পৃষ্ঠপোষক ‘ডাড’ | জার্মানিতে উচ্চশিক্ষা | DW | 24.11.2012
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

জার্মানিতে উচ্চশিক্ষা

জার্মানিতে উচ্চশিক্ষায় প্রধান পৃষ্ঠপোষক ‘ডাড’

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সাথে জার্মানির মেধা বিনিময়ের কাজে সহায়ক ভূমিকা পালন করে ডিএএডি৷ ২০০৬ সাল থেকে ঢাকায় দপ্তর খুলে বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের জন্য জার্মানিতে উচ্চশিক্ষা এবং গবেষণার কাজে সহযোগিতা করছে ডিএএডি৷

বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষার্থী এবং গবেষকদের জন্য জার্মান সরকারের বৃত্তি প্রদানের সেবা দীর্ঘদিন ধরে চলে আসলেও ২০০৬ সাল থেকে ঢাকায় দপ্তর খুলে সেখানে পরিষেবা আরো সহজতর করেছে ডিএএডি৷ বাংলাদেশে ‘ডাড' নামেই সুপরিচিত সংস্থাটি৷ ডাড এর বাংলাদেশ প্রতিনিধি মাহমুদুল হাসান সম্প্রতি জার্মানির বন শহরে তাদের কেন্দ্রীয় দপ্তরে পর্যালোচনা সভায় যোগ দেন৷ পরিদর্শন করেন ডিডাব্লিউ এর বাংলা বিভাগ৷ এসময় ডিডাব্লিউ এর সাথে একান্ত সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, ‘‘ডাড উচ্চশিক্ষা এবং গবেষণার ক্ষেত্রে বেশ কিছু পরিষেবা দিয়ে থাকে৷ তবে বিশেষ করে জার্মানির বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর আন্তর্জাতিক কার্যক্রমে সহায়তা করে ডাড৷ প্রায় চারশ' বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে কাজ করি আমরা৷ ফলে যে কেউ আমাদের ওয়েবসাইটে এই বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর তথ্য একত্রিত আকারে পেতে পারেন৷''

Chef vom DAAD Bangladesch Mahmudul Hasan bei einer Info-Veranstaltung in Dhaka, Bangladesch Datum: 22.12.2011 Rechte: Munir Zaman, Dhaka, Bangladesch

ডাড এর বাংলাদেশ প্রতিনিধি মাহমুদুল হাসান

ঢাকায় ডাড-এর পরিষেবা সম্পর্কে মাহমুদুল হাসান বলেন, ‘‘আমরা প্রথমত জার্মানিতে উচ্চশিক্ষা কিংবা গবেষণায় আগ্রহী শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে পরামর্শ দিয়ে থাকি৷ তবে যেহেতু পরামর্শ ও তথ্য পেতে আগ্রহী শিক্ষার্থীদের সংখ্যা অনেক এবং তা দিনদিন আরো বাড়ছে, তাই তাদেরকে তাৎক্ষণিকভাবে কাউন্সেলিং দিতে পারি না বরং এর জন্য নির্ধারিত সময় পেতে কিছুদিন অপেক্ষা করতে হয়৷ এছাড়া স্নাতকোত্তর শ্রেণিতে পড়তে আগ্রহীদের জন্য বৃত্তির ব্যবস্থা রয়েছে৷ রয়েছে গবেষণার জন্য বৃত্তির সুবিধা৷ আসলে আমাদের মূল প্রাধান্য হলো গবেষণার কাজে বৃত্তি প্রদানের বিষয়টিই৷ বেশ আগে বছরে চার জনকে গবেষণার জন্য বৃত্তি দেওয়া হতো৷ তবে সেটির সংখ্যা বাড়িয়ে এখন বছরে সাত জন গবেষককে বৃত্তি দেওয়া হচ্ছে৷''

বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে উচ্চশিক্ষায় আগ্রহী ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য রাজধানী ঢাকায় অনেকগুলো পরামর্শদাতা প্রতিষ্ঠান দেখা যায়৷ এসব প্রতিষ্ঠানের পরিষেবা পেতে শিক্ষার্থীদের মোটা অঙ্কের টাকা খরচ করতে হয় এবং অনেক সময় শিক্ষার্থীরা প্রতারিত হয়ে থাকে৷ অথচ ডাড শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে তাদের পরিষেবা দিচ্ছে৷

অডিও শুনুন 05:01

সম্পূর্ণ পরিবেশনাটির অডিও ফাইল শুনতে এখানে ক্লিক করুন

তাই ডাড-এর পরিষেবা পাওয়ার ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের জন্য করণীয় সম্পর্কে হাসান বলেন, ‘‘আসলে বেসরকারি উদ্যোগে যেসব পরামর্শদাতা প্রতিষ্ঠান রয়েছে তাদের অনেক প্রচার রয়েছে৷ ফলে কোমলমতি ছেলে-মেয়েরা তাদের কাছে যায়৷ তাদের মধ্যে কেউ সমস্যায় পড়ে আবার সফলও হয়৷ তবে এটা বোঝা উচিত যে, কেউ যদি জার্মানিতে উচ্চ শিক্ষার জন্য যেতে চায়, তাহলে তাকে প্রথমেই দেখতে হবে জার্মান সরকারের প্রতিনিধিত্বশীল প্রতিষ্ঠান কোনগুলো৷ সেই হিসেবে জার্মান দূতাবাস কিংবা গ্যোটে ইন্সটিটিউটে যেতে পারে৷ তখন তারা ছাত্র-ছাত্রীদের আমাদের কাছে পাঠিয়ে দেয়৷ তবে ডাড-এ অ্যাপয়েন্টমেন্ট পেতে কিছুটা সময় লাগে, সেক্ষেত্রে কিছুটা ধৈর্য্য ধরতে হবে৷ এছাড়া আমরা পরামর্শ দেওয়ার পাশাপাশি চাহিদার দিকে লক্ষ্য করে বছরে তিন-চারবার বড় বড় ইনফো-সেশনের আয়োজন করি৷ এগুলো কখনো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে, গ্যোটে ইন্সটিটিউটে, চট্টগ্রামে কিংবা ঢাকার বাইরেও হয়ে থাকে৷ ফলে সেগুলোতে হাজির হয়ে সহজেই প্রয়োজনীয় তথ্য পেতে পারেন আগ্রহী শিক্ষার্থীরা৷ অবশ্য আমাদের একটি গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ হলো, কেউ জার্মানিতে পড়তে যেতে চাইলে দেড় বছর সময় হাতে রেখে প্রস্তুতি শুরু করা উচিত৷ তাহলে সবকাজ ঠিকমতো সম্পন্ন করে কোন সমস্যা ছাড়াই শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করা সম্ভব হবে৷''

উল্লেখ্য, বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষার্থীদের জন্য ডাড এর পরবর্তী ইনফো-সেশন অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১২ই ডিসেম্বর ঢাকাস্থ গ্যোটে ইন্সটিটিউটে৷

নির্বাচিত প্রতিবেদন

এই বিষয়ে অডিও এবং ভিডিও

বিজ্ঞাপন