জার্মানিতে ইহুদি-বিদ্বেষের ঘটনা, সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ ঘোষণা | সমাজ সংস্কৃতি | DW | 14.05.2021
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

জার্মানি

জার্মানিতে ইহুদি-বিদ্বেষের ঘটনা, সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ ঘোষণা

ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনিদের মধ্যে চলমান সংঘর্ষ জার্মানিতে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করছে৷ ইসরায়েল-বিরোধী প্রতিবাদ-বিক্ষোভ অনেক ক্ষেত্রে ইহুদি বিদ্বেষের রূপ নেওয়ায় জার্মানিতে দুশ্চিন্তা বাড়ছে৷

ফাইল ছবি৷

ফাইল ছবি৷

ইসরায়েল ও গাজায় অশান্ত পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে বিশ্বের অনেক প্রান্তে মানুষ পথে নেমে ক্ষোভ দেখাচ্ছেন৷ অনেক বিক্ষোভে ইসরায়েলের সামরিক অভিযানের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ দেখা যাচ্ছে৷ কিন্তু ঐতিহাসিক কারণে জার্মানিতে এমন বিক্ষোভ অত্যন্ত স্পর্শকাতর৷ রাষ্ট্র হিসেবে ইসরায়েল এবং সে দেশের বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ গণতান্ত্রিক অধিকারের মধ্যেই পড়ে৷ তবে সেই প্রতিবাদ সামগ্রিকভাবে ইহুদি বিদ্বেষে রূপ নিলে জার্মানির পুরানো ক্ষত আবার বেরিয়ে আসে৷ নাৎসি আমলের ইহুদি নিধন যজ্ঞের কলঙ্কের প্রেক্ষাপটে রাষ্ট্রকে কড়া অবস্থান নিতে হয়৷

ইসরায়েল-বিরোধী প্রতিবাদ-বিক্ষোভের জের ধরে জার্মানিতে ইহুদি উপাসনালয় ও স্থাপনার উপর হামলার ঘটনা বাড়ছে৷ অদূর ভবিষ্যতে এমন আররও অপ্রিয় ঘটনার আশঙ্কা করছে কর্তৃপক্ষ৷ জার্মানিতে বসবাসরত ফিলিস্তিনিদের একাংশ ছাড়াও চরম বামপন্থি এবং চরম দক্ষিণপন্থিরা এমন বেপরোয়া অপরাধের ঘটনায় জড়িয়ে পড়তে পারে৷ বুধবার তিনটি শহরে ১২ জনেরও বেশি মানুষকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে৷ জার্মানি ও ইসরায়েলের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের বর্ষপূর্তি হিসেবে বুধবার অনেক শহরে ইসরায়েলি পতাকা শোভা পাচ্ছিল৷ সেই পতাকা নষ্ট করার বেশ কয়েকটি ঘটনাও ঘটেছে৷

জার্মানির কেন্দ্রীয় ইহুদি সংগঠন বৃহস্পতিবার সিনাগগের সামনে প্রতিবাদ-বিক্ষোভ ও হামলার ঘটনার তীব্র সমালোচনা করেছে৷ পশ্চিমে গেলজেনকিয়ের্শেন শহরে সিনাগগের সামনে ফিলিস্তিনি ও তুর্কি পতাকা নিয়ে অনেক মানুষকে ইহুদি-বিদ্বেষী বুলি আওড়াতে শোনা গেছে৷ সেই ভিডিও প্রকাশ করে কেন্দ্রীয় ইহুদি সংগঠন মনে করিয়ে দিয়েছে, রাজপথের মাঝে ইহুদিদের বিরুদ্ধে বিষাদগার অনেককাল আগেই শেষ হয়ে যাওয়া উচিত ছিল৷ এমন মনোভাবকে ইহুদি-বিদ্বেষ ছাড়া অন্য কিছুই বলা যায় না বলে মন্তব্য করেছে ইহুদি সংগঠন৷

জার্মান পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাইকো মাস জার্মানিতে সিনিগগের উপর হামলার বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স' বা আপোশহীন মনোভাবের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেছেন৷ মধ্যপ্রাচ্যের ঘটনাবলির জন্য রাজপথ ও সোশাল মিডিয়ায় জার্মানিতে বসবাসরত ইহুদিদের দায়ী করা একেবারেই গ্রহণযোগ্য নয়৷ সবাই মিলে সেটা স্পষ্ট করে দিতে হবে, বলেন মাস৷ জার্মান প্রেসিডেন্ট ফ্রাংক-ভাল্টার স্টাইনমায়ারও কড়া ভাষায় ইহুদি-বিদ্বেষের সমালোচনা করেছেন৷ বৃহস্পতিবার থেকেই জার্মানির সিনাগগগুলির নিরাপত্তা আরো কড়া করা হয়েছে৷

এসবি/এসিবি (রয়টার্স, এপি, এএফপি)

সংশ্লিষ্ট বিষয়