জার্মানিতেও সন্ত্রাস দমন অভিযানের খবর | সমাজ সংস্কৃতি | DW | 06.11.2020
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

জার্মানি

জার্মানিতেও সন্ত্রাস দমন অভিযানের খবর

ফ্রান্স, অস্ট্রিয়ার পর জার্মানিতেও সন্ত্রাসী হামলার আশঙ্কায় তৎপর হয়ে উঠছে কর্তৃপক্ষ৷ শুক্রবার সকালে একাধিক রাজ্যে অভিযান চালানো হয়েছে বলে শোনা যাচ্ছে৷

Frankreich Kehl | Deutsch-französische Grenze | Polizeikontrollen

ফাইল ছবি

ইউরোপীয় স্তরে উগ্র ইসলামি নেটওয়ার্ক নিয়ে দুশ্চিন্তা বাড়ছে৷ ফ্রান্স ও অস্ট্রিয়ায় সাম্প্রতিক সন্ত্রাসী হামলার প্রেক্ষাপটে প্রশ্ন উঠছে, আততায়ীরা কি সত্যি নিজস্ব আবেগের ভিত্তিতে বিচ্ছিন্নভাবে হামলা চালিয়েছে, নাকি তারা ইউরোপজুড়ে কোনো বড় নেটওয়ার্কের অংশ৷ একাধিক দেশে তদন্ত চালিয়ে কর্তৃপক্ষ সেই প্রশ্নের জবাব খোঁজার চেষ্টা করছেন৷ উগ্র ইসলামি ভাবধারায় উদ্বুদ্ধ কিছু মানুষের মধ্যে যোগাযোগের নানা দৃষ্টান্ত উঠে আসছে৷

অস্ট্রিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বৃহস্পতিবার ভিয়েনায় বলেন, ভিয়েনার আততায়ী সম্ভবত এক ব়্যাডিকাল ইসলামি নেটওয়ার্কের অংশ ছিল৷ সুইজারল্যান্ডের ফেডারেল পুলিশ জুরিখ শহরের কাছে ভিয়েনার আততায়ীর ঘনিষ্ঠ সন্দেহে এক ব্যক্তিকে আটক করেছে৷ সুইজারল্যান্ড ছাড়া অন্য একটি দেশেও ভিয়েনার আততায়ীর যোগাযোগের প্রমাণ পাওয়া গেছে৷ অস্ট্রিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সরাসরি কোনো দেশের নাম না করলেও জার্মানির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হর্স্ট সেহোফার সংসদে বলেন, জার্মানিতে বিপজ্জনক হিসেবে চিহ্নিত চরমপন্থিদের সঙ্গে ভিয়েনার হামলাকারীর যোগাযোগ ছিল৷ উল্লেখ্য, ভিয়েনার হামলার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে সে দেশে মোট ১৫ জনকে আটক করা হয়েছে৷ অস্ট্রিয়ার পুলিশ প্রধান ফ্রানৎস রুফ বলেন, তারা প্রত্যেকেই ব়্যাডিকাল ইসলামি ভাবধারায় অনুপ্রাণিত৷

জার্মান স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্র সংবাদ সংস্থা ডিপিএ-কে বলেন, যে উগ্র ইসলামি ভাবধারায় উদ্বুদ্ধ অনেক মানুষ গোটা ইউরোপজুড়ে পরস্পরের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলেছে৷ তাঁর মতে, বিষয়টির মূল্যায়ন করে সেই ব্যক্তিদের সম্পর্কে খোঁজখবর করা জার্মান নিরাপত্তা সংস্থাগুলির দায়িত্ব৷

জার্মানির ‘ডেয়ার স্পিগেল' পত্রিকার সূত্র অনুযায়ী শুক্রবার সকালে জার্মানির তিনটি রাজ্যে নিরাপত্তা বাহিনী অভিযান চালিয়েছে৷ ভিয়েনার আততায়ীর পরিচিত ব্যক্তিদের ঘরবাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়েছে৷ বিশেষ করে অসনাব্রুক শহরের দুই উগ্র ইসলামপন্থি ব্যক্তির ভূমিকা সম্পর্কে জার্মানির অপরাধ দমন দপ্তর সন্দিহান৷ ‘ডেয়ার স্পিগেল' পত্রিকা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে উদ্ধৃত করে জানিয়েছে, যে এই দু'জন জুলাই মাসে ভিয়েনার আততায়ীর বাসায় ছিল বলে জানা গেছে৷ ফ্রান্স ও অস্ট্রিয়ার পর জার্মানিতেও সন্ত্রাসী হামলার আশঙ্কায় জোরালো তৎপরতা দেখা যাচ্ছে৷

ভিয়েনার আততায়ীর কার্যকলাপ সম্পর্কে স্লোভাকিয়ার কর্তৃপক্ষের আগাম সতর্কতা সত্ত্বেও অস্ট্রিয়ার কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয় নি বলে সে দেশের সরকার সমালোচনার মুখে পড়েছে৷ এই ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়ে জাতীয় ও ইউরোপীয় পর্যায়ে আরও সহযোগিতার জন্য চাপ বাড়ছে৷

ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাক্রোঁ সীমান্তে নিয়ন্ত্রণহীন শেঙেন এলাকার ভবিষ্যৎ সম্পর্কে নতুন করে ভাবনাচিন্তার ডাক দিয়েছেন৷ বিশেষ করে এই এলাকার বহির্সীমানায় আরও কড়া নিয়ন্ত্রণের পক্ষে সওয়াল করেছেন তিনি৷ মাক্রোঁ বলেন, বেআইনি অনুপ্রেবেশের সঙ্গে যুক্ত অপরাধী গোষ্ঠীর সঙ্গেও প্রায়ই সন্ত্রাসী নেটওয়ার্কের সংযোগের প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে৷ এমন প্রেক্ষাপটে তিনি শেঙেন ব্যবস্থার আমূল সংস্কারের ডাক দেন৷

এসবি/জেডএইচ (ডিপিএ, এএফপি)

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন