জার্মানিকে আরও কাজ করতে হবে: ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল | বিশ্ব | DW | 25.01.2022

ডয়চে ভেলের নতুন ওয়েবসাইট ভিজিট করুন

dw.com এর বেটা সংস্করণ ভিজিট করুন৷ আমাদের কাজ এখনো শেষ হয়নি! আপনার মতামত সাইটটিকে আরো সমৃদ্ধ করতে পারে৷

  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

জার্মানি

জার্মানিকে আরও কাজ করতে হবে: ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল

ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালের মঙ্গলবার প্রকাশিত দুর্নীতির ধারণা সূচক ২০২১-এ সবচেয়ে কম দুর্নীতিগ্রস্ত দেশের তালিকায় জার্মানি ১০ নম্বরে অবস্থান করছে৷ আর সবচেয়ে বেশি দুর্নীতিগ্রস্ত দেশ বিবেচনায় বাংলাদেশ আছে ১৩ নম্বরে৷

১০০ পয়েন্টের মধ্যে জার্মানি স্কোর করেছে ৮০ পয়েন্ট৷ বাংলাদেশ পেয়েছে ২৬৷

৮৮ পয়েন্ট নিয়ে ডেনমার্ক, নিউজিল্যান্ড ও ফিনল্যান্ড সবচেয়ে কম দুর্নীতিগ্রস্ত দেশের তালিকায় যৌথভাবে শীর্ষে আছে৷

সিরিয়া, সুদান ও সোমালিয়া যৌথভাবে সবচেয়ে বেশি দুর্নীতিগ্রস্ত দেশ বলে বিবেচিত হয়েছে৷

সূচকে এবার মোট ১৮০টি দেশের তালিকা করা হয়েছে৷

জার্মানির অবস্থান

গত চার বছর ধরে জার্মানি একই স্কোর করছে৷ দুর্নীতির ধারণা সূচক ২০২১-এ ২৫টি দেশকে ‘সবচেয়ে ভালো’ বিবেচনায় রাখা হয়েছে৷ ১০ নম্বরে থাকায় জার্মানিও এই তালিকায় আছে৷

স্ক্যান্ডিনেভিয়ার দেশগুলোর চেয়ে পিছিয়ে থাকলেও প্রতিবেশী ফ্রান্স ও অস্ট্রিয়ার চেয়ে ভালো অবস্থানে আছে জার্মানি৷

যুক্তরাষ্ট্র আছে ২৭ নম্বরে - অর্থাৎ হংকং, উরুগুয়ে ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের চেয়ে পিছিয়ে আছে দেশটি৷

Infografik Corruption Perceptions Index 2021 Top 25 EN (SPERRFRIST 26.01.!!)

সূচকে যা বিবেচনা করা হয়েছে

শুধুমাত্র সরকারি খাত সংশ্লিষ্ট (পাবলিক সেক্টর) দুর্নীতির তথ্য বিবেচনায় নিয়ে সূচক প্রকাশ করে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল৷ অর্থাৎ নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি, ও সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ক্ষমতার অপব্যবহার, ঘুস ও সরকারি সম্পদ চুরি সংক্রান্ত তথ্য এতে বিবেচনা করা হয়৷

কালোবাজার, কর্পোরেট লুটপাট, কর ফাঁকি ও অর্থপাচারের তথ্য সূচকে ধরা হয় না৷

গত চার বছর ধরে জার্মানি একই স্কোর (৮০) করছে৷ ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালের জার্মানি শাখা ট্রান্সপারেন্সি ডয়েচলান্ডের প্রধান হার্টমুট ব্যোয়মার বলছেন, দুর্বলতা কাটাতে জার্মানি যে পর্যাপ্ত কাজ করছে না, এটা তার প্রমাণ৷

ট্রান্সপারেন্সি ডয়েচলান্ডের রিপোর্টে গতবছর মাস্ক কেনা নিয়ে দুর্নীতির দায়ে শাসক দলের দুইজন সাংসদের পদত্যাগের বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে৷ যদিও মিউনিখের আদালতে ঐ দুই সাংসদকে দোষী সাব্যস্ত করা যায়নি৷ আদালত বলেছিল, সাংসদদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ জার্মানিতে দুর্নীতির যে আইনি মানদণ্ড, তা পূরণ করেনি৷

সাবেক ঐ দুই সাংসদ দাবি করেছিলেন, তারা আইনজীবী হিসেবে মাস্ক কেনার চুক্তি সম্পাদনে সহায়তার জন্য অর্থ পেয়েছিলেন৷

Infografik Change to Germany's perceived corruption (SPERRFRIST 26.01.!!)

এ বিষয়ে ট্রান্সপারেন্সি ডয়েচলান্ডের প্রধান হার্টমুট ব্যোয়মার বলছেন, ‘‘নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের বিরুদ্ধে ওঠা দুর্নীতির অভিযোগ বিচারে যে আইন আছে, সেটা প্রায় অকার্যকর৷ দ্রুত এটা আরও কঠোর করা দরকার৷ এটা কোনো ঠিক কাজ নয় যে, নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের চেয়ে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ক্ষেত্রে এই আইন একটু বেশি কঠোর৷’’

ডয়চে ভেলেকে পাঠানো এক বিবৃতিতে জার্মানির বিচার মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গত কয়েক বছরে সরকারি দুর্নীতি সংক্রান্ত কিছু আইন কঠোর করা হয়েছে৷ এর পেছনে ট্রান্সপারেন্সি ডয়েচলান্ডের দাবিও কিছুটা কাজ করেছে বলে বিবৃতিতে স্বীকার করা হয়৷

বিচার মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রাবেয়া ব্যোনিঙহাওসেন ডয়চে ভেলেকে জানান, ‘‘নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের বিরুদ্ধে ওঠা ঘুস ও দুর্নীতির অভিযোগের বিচার করতে আইনকে আরও কার্যকর করার অঙ্গীকার করেছে জার্মানির নতুন সরকার৷’’

উইলিয়াম নোয়া গ্লুক্রফট/জেডএইচ

গতবছর জুনের ছবিঘরটি দেখুন...

সংশ্লিষ্ট বিষয়