জারদারির আজমির শরিফ দর্শন প্রতীকী অর্থে সম্প্রীতির বার্তা | বিশ্ব | DW | 06.04.2012
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

বিশ্ব

জারদারির আজমির শরিফ দর্শন প্রতীকী অর্থে সম্প্রীতির বার্তা

রবিবার ব্যক্তিগত সফরে নতুন দিল্লি আসছেন পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আসিফ আলি জারদারি৷ সাক্ষাৎ করবেন প্রধানমন্ত্রী ড. মনমোহন সিং-এর সঙ্গে৷ কথা হবে দ্বিপাক্ষিক কিছু ইস্যু নিয়ে৷ মধ্যাহ্ণভোজের পর তীর্থ দর্শনে যাবেন আজমির শরিফে৷

সফর ব্যক্তিগত হলেও ভারত ও পাকিস্তানের শীর্ষ নেতৃত্ব যখন মিলিত হন, তখন তার রাজনৈতিক গুরুত্ব অস্বীকার করা যায়না৷ পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আসিফ আলি জারদারির একদিনের সংক্ষিপ্ত সফর হলেও তার দিকে তাকিয়ে আছে দেশের রাজনৈতিক মহল৷

রবিবার সকালে পাক-প্রেসিডেন্ট জারদারি প্রধানমন্ত্রী ড. মনমোহন সিংএর বাসভবনে সাক্ষাৎ করবেন৷ আলোচনা হবে দ্বিপাক্ষিক কিছু ইস্যু নিয়ে৷ তাতে উঠতে পারে মুম্বই সন্ত্রাসী হামলার প্রসঙ্গ৷ মূল চক্রী বলে কথিত হাফিজ সাঈদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের প্রসঙ্গ৷ পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস.এম কৃষ্ণার কথায়, ২৬/১১ মুম্বাই সন্ত্রাসী হামলার পেছনে হাফিজের যে হাত আছে, তার অনেক তথ্যপ্রমাণ ভারত দিয়েছে পাকিস্তানকে৷ যতই অস্বীকার করা হোক হাফিজ এই অভিযোগ থেকে রেহাই পেতে পারেনা৷ এর উপযুক্ত বিচারবিভাগীয় তদন্ত হওয়া দরকার৷ পাশাপাশি পররাষ্ট্রমন্ত্রী মনে করেন, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ইতিবাচক লক্ষণ দেখা যাচ্ছে৷ ভারত-পাকিস্তানের মানসিকতায় আসছে পরিবর্তন৷

Der pakistanische Präsident Asif Ali Zardari

পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আসিফ আলি জারদারি

সরব হয়েছে অন্যান্য রাজনৈতিক দল৷ ভারতের হাতে হাফিজকে তুলে দেবার দাবি জানিয়েছে বিজেপি৷ দুদেশের সুসম্পর্কের বড় কাঁটা সন্ত্রাস৷ সেটা তুলে ফেলতে না পারলে সব চেষ্টাই ব্যর্থ৷ প্রধানমন্ত্রী ড. মনমোহন সিং-এর পাকিস্তান সফর আটকে আছে সেই ইস্যুতেই৷

জম্মু-কাশ্মীরের রাজনৈতিক দলগুলির আশা, মনমোহন সিং-জারদারি আলোচনায় আস্থাবর্ধক পদক্ষেপ নেবার বিষয়ে মত বিনিময় হবে৷ কাশ্মীরের দুদিকের অধিবাসিদের সহজ যাতায়াতের জন্য পাসপোর্ট-ভিসা উদার করা হবে৷

জারদারির আজমিঢ় সফর প্রতীকী অর্থে দুদেশের সম্প্রীতির সফর৷ সুফি সন্ত হজরত মইনুদ্দিন চিস্তির দরগা ৮০০ বছর ধরে সাম্য, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি আর ভ্রাতৃত্বের পীঠস্থান হয়ে আছে৷ খাজা মইনুদ্দিন ১১৪২ সালে ইরানে জন্মগ্রহণ করেন৷ সেখান থেকে সুফিবাদ প্রচারে আসেন রাজস্থানের জয়পুর থেকে ১৪৫ কিলোমিটার দূরে আজমেঢ়ে৷ ইতিহাস বলছে, মোঘল সম্রাট আকবর বাদশা আগ্রা থেকে খালি পায়ে আজমিঢ় গেছেন মনোকামনা পূরণে৷ এখানে এলে সকলের মনোকামনা পূরণ হয় – এমনটাই বিশ্বাস৷

জারদারি হবেন পাকিস্তানের চতুর্থ সরকার বা রাষ্ট্রপ্রধান যিনি আজমিঢ়শরিফ যাবেন৷ এর আগে এসেছিলেন জিয়াউল-হক, পারভেজ মুশারফ ও বেনাজির ভুট্টো৷

প্রতিবেদন: অনিল চট্টোপাধ্যায়, নতুন দিল্লি

সম্পাদনা: সঞ্জীব বর্মন

নির্বাচিত প্রতিবেদন

বিজ্ঞাপন