জাপানে করোনার নতুন স্ট্রেইন | বিশ্ব | DW | 11.01.2021
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

জাপান

জাপানে করোনার নতুন স্ট্রেইন

জাপানে  ব্রাজিলের চার যাত্রীর শরীরে করোনার নতুন স্ট্রেইন মিলেছে। যুক্তরাজযের স্ট্রেইন থেকে এই স্ট্রেইনটি আলাদা।

যুক্তরাজ্যের পর এবার জাপানে করোনা ভাইরাস নিয়ে নতুন করে আতঙ্ক ছড়ালো। টোকিয়োর ভাইরোলজি ইনস্টিটিউট করোনা ভাইরাসের একটি নতুন স্ট্রেইন পেয়েছে বলে রোববার দাবি করেছে। নতুন এই স্ট্রেইনটি পাওয়া গিয়েছে ব্রাজিলের চার যাত্রীর শরীর থেকে। তাঁরা প্রত্যেকেই ব্রাজিল থেকে টোকিয়ো বিমানবন্দরে পৌঁছে অসুস্থ হয়ে পড়েন। তবে নতুন স্ট্রেইনটির বিষয়ে এখনো বিশদে কিছু জানা যায়নি।

গত কয়েকদিনে ব্রাজিল থেকে একাধিক যাত্রী টোকিয়োতে এসেছেন। তাঁদের মধ্যে চারজনকে বিমানবন্দরেই আটকানো হয়। সকলেরই শরীরে করোনা ভাইরাস মিলেছে। বিমানবন্দরেই তাঁদের আইসোলেশনে পাঠানো হয়। চারজনের মধ্যে বছর চল্লিশের এক পুরুষ যাত্রীকে রোববার হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তাঁর শ্বাসের কষ্ট শুরু হয়েছে। বাকি তিনজনকেই এখনো আইসোলেশনে রাখা হয়েছে। একজনের গলা ব্যথা আছে। অন্য দুইজনের সামান্য জ্বর আছে।

চারজনের করোনা ভাইরাসের নমুনাই পাঠানো হয়েছিল ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ ইনফেকশন ডিসিসে। ওই সংস্থার প্রধান টাকাজি ওয়াকিতা। সংবাদমাধ্যমকে তিনি জানিয়েছেন, করোনার নতুন স্ট্রেইন পাওয়া গিয়েছে ওই যাত্রীদের শরীর থেকে। নতুন স্ট্রেইনটি যুক্তরাজ্যের স্ট্রেইনের থেকে আলাদা। তবে যুক্তরাজ্যের স্ট্রেইনের মতো এই স্ট্রেইনটিও দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে পারে কি না, সে বিষয়ে এখনই জানাতে পারেননি তিনি। পরীক্ষানিরিক্ষা চলছে।

নতুন স্ট্রেইনের সন্ধান পাওয়ার পরেই সতর্ক হয়েছে জাপানের প্রশাসন. টোকিয়ো-সহ একাধিক শহরে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে। প্রয়োজনে লকডাউনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে। আগামী গরমে জাপানে অলিম্পিক এবং প্যারা-অলিম্পিক হওয়ার কথা। বস্তুত, গত বছরেই জাপানে অলিম্পিক হওয়ার কথা ছিল। প্যানডেমিকের জন্য তা এক বছর পিছিয়ে দেওয়া হয়।

এ দিকে, করোনার টিকা নিয়ে নানা বিভ্রান্তি দেখা দিয়েছে। রোববার বিষয়টি নিয়ে কথা বলেছেন পোপ ফ্রান্সিস। ইটালির একটি সংবাদমাধ্যমকে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, কয়েকদিনের মধ্যেই তিনি করোনার টিকা নেবেন। সকলেই যেন সময় মতো টিকা নেন। টিকা নিয়ে ভয় পাওয়ার কোনো কারণ নেই।

এসজি/জিএইচ (রয়টার্স, এপি, এএফপি) 

বিজ্ঞাপন