জাতিসংঘে মিয়ানমারের ‘মিথ্যাচারে’ ক্ষুব্ধ বাংলাদেশ | বিশ্ব | DW | 30.09.2020
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

রোহিঙ্গা সংকট

জাতিসংঘে মিয়ানমারের ‘মিথ্যাচারে’ ক্ষুব্ধ বাংলাদেশ

বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবর্তন নিয়ে জাতিসংঘে দেয়া মিয়ানমারের বক্তব্যে ক্ষোভ জানিয়েছে বাংলাদেশ৷ মিয়ানমারের দেয়া তথ্যকে ‘বানোয়াট’ হিসেবে অভিহিত করে দেশটির সরকারকে অপপ্রচার বন্ধের আহবান জানানো হয়েছে৷

একটি জঙ্গি গোষ্ঠী ও তার সমর্থকদের কারণে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবর্তন সম্ভব হচ্ছে না বলে উল্লেখ করেছেন মিয়ানমারের স্টেট কাউন্সিলর অফিসের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী কিয়াও টিনট সোয়ে৷ জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে দেয়া ভার্চুয়াল বক্তব্যে এমন দাবি করেন তিনি৷ টিনট সোয়ে বলেন, আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মি-আরসা এবং আরাকান আর্মির গেরিলা বাহিনী মিয়ানমারের বিরুদ্ধে তাদের কার্যকলাপে বাংলাদেশকে নিরাপদ আশ্রয় হিসেবে ব্যবহার করছে৷

সাধারণ অধিবেশনে দেয়া মিয়ানমারের এই বক্তব্যে বাংলাদেশের একজন কূটনীতিক প্রতিবাদ জানিয়েছেন বলে উল্লেখ করেছে বার্তা সংস্থা এপি৷ মিয়ানমারের উপস্থাপন করা তথ্য প্রত্যাখ্যান করে একে ‘দেশটির আরেকটি নির্লজ্জ মিথ্যাচার’ হিসেবে অভিহিত করেছেন তিনি৷ মিয়ানমারের সন্ত্রাসীদের বাংলাদেশ আশ্রয় দিচ্ছে, এমন দাবি উড়িয়ে দেন ঐ কর্মকর্তা৷

২০১৭ সালের নভেম্বরে কক্সবাজারে আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবর্তনে দুই দেশের মধ্যে একটি চুক্তি হয়েছিল৷ তিন বছর পেরিয়ে গেলেও এখনো কোনো রোহিঙ্গাকে ফেরত পাঠানো সম্ভব হয়নি৷

তবে টিনট সোয়ে দাবি করেছেন, মিয়ানমার বাংলাদেশের ভালো প্রতিবেশী হতে চায় এবং ‘যাচাইকৃতদের (রোহিঙ্গা) স্বেচ্ছায়, নিরাপদ ও সম্মানজনক উপায়ে’ ফিরিয়ে নিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ তারা৷ এক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক চাপ নিরর্থক বলে উল্লেখ করেন তিনি৷ তিনি জানান, তার দেশ মনে করে যথাযথ প্রক্রিয়া এবং তথ্য প্রমাণ ছাড়াই তাদের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ‘গুরুতর অভিযোগ’ করছে৷

এদিকে বাংলাদেশের সংবাদ সংস্থা ইউএনবি ঢাকার একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার বরাতে জানায়, মিয়ানমার সরকারকে মিথ্যাচার, অপপ্রচার বন্ধ করে রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে প্রকৃত রাজনৈতিক সদিচ্ছা প্রকাশে জাতিসংঘের মাধ্যমে আহ্বান জানানো হয়েছে৷ তিনি বলেন, ‘‘আমরা কোনো সন্ত্রাসীকে আমাদের মাটি ব্যবহারের সুযোগ দেই না৷ মিয়ানমারের উচিত, তাদের নিজেদের ভুলগুলো দেখা৷’’

এফএস/এসিবি (এপি, ইউএনবি)

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন