জাতিসংঘের ৭৫ বছর: ভাষণ দিলেন না ট্রাম্প | বিশ্ব | DW | 22.09.2020
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

বিশ্ব

জাতিসংঘের ৭৫ বছর: ভাষণ দিলেন না ট্রাম্প

জাতিসংঘের ৭৫ বছরের ভার্চুয়াল অনুষ্ঠান। সদস্য দেশগুলির মধ্যে এক নম্বর বক্তা ছিলেন ডনাল্ড ট্রাম্প। তিনি এলেন না। তাঁর বদলে বললেন ডেপুটি রিপ্রেজেন্টেটিভ।

জাতিসংঘ ৭৫ বছরে পা দিল। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর বিশ্বজুড়ে শান্তি বজায় রাখতে যে প্রতিষ্ঠানের জন্ম হয়েছিল, তার ৭৫ বছর পূর্তি অনুষ্ঠান বিতর্কেরবাইরে থাকল না। সৌজন্য মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প। তাঁর নাম ছিল প্রথম বক্তা হিসাবে। কিন্তু ট্রাম্প বলেননি। তাঁর জায়গায় বললেন জাতিসংঘে অ্যামেরিকার অ্যাকটিং ডেপুটি রিপ্রেজেন্টেটিভ। তিনি বলেছেন, ''জাতিসংঘ অনেক ক্ষেত্রেই সফল হয়েছে। আবার এই সংগঠন নিয়ে উদ্বেগের কারণও আছে। অনেক দিন ধরে জাতিসংঘে সংস্কার হচ্ছে না। সেখানে স্বচ্ছতা নেই।''

ঘটনা হলো, এমন গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠান, যেখানে জার্মানির চ্যান্সেলার ম্যার্কেল, ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাক্রোঁ, চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং সহ অধিকাংশ রাষ্ট্রনেতা ভাষণ দিয়েছেন, সেখানে ট্রাম্প এই অনুষ্ঠানকে গুরুত্ব দিলেন না।

তবে এরপরেও অনেক দেশই নাম না করে অ্যামেরিকার প্রবল সমালোচনা করেছে।

যেমন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। তিনি বলেছেন, ''বিশ্ব পরিস্থিতিকে নিয়ন্ত্রণ করার অধিকার কোনো দেশের নেই। এক তরফা আধিপত্যের সময় আর নেই। সেই সুযোগও কাউকে দেয়া উচিত হবে না।''

জার্মানির চ্যান্সেলার ম্যার্কেল বলেছেন, ''জাতিসংঘের সদস্য দেশগুলির মধ্যে আরো ঐক্য থাকা দরকার। তাঁর মতে, যখন কোনো সিদ্ধান্ত নেয়া দরকার, তখন জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে সিদ্ধান্ত নেয়ার পথ বন্ধ করে দেয়া হয়। তাই জাতিসংঘের সংস্কার দরকার।'' ম্যার্কেলের মতে, ''কেউ যদি মনে করে, এখানে তাদের স্বার্থ দেখা হবে, তা হলে তারা ভুল করছে। আমরা আমাদের ভালো-মন্দ ভাগ করে নেব। আমরা সকলে মিলে একটাই পৃথিবী।'' 

আর ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাক্রোঁ মনে করেন, ''এই সংগঠনের ভিত দুর্বল হচ্ছে। যাঁরা এই সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা, তাঁরাই একে আঘাত করছে।''

ম্যার্কেল ও মাক্রোঁ নাম নেননি, কিন্তু তাঁরা যে ট্রাম্পের 'অ্যামেরিকা প্রথম' নীতির বিরুদ্ধাচরণ করছেন তা বুঝতে ভুল হয় না।

জাতিসংঘের মহাসচিব গুতেরেসের ভাষণে উঠে এসেছে জলবায়ু পরিবর্তন, দারিদ্র্য, ঘৃণা, করোনা সহ নানা প্রসঙ্গ।

জিএইচ/এসজি(এপি, রয়টার্স, এএফপি, ডিপিএ)

বিজ্ঞাপন