‘জাতির জন্য লজ্জাজনক′ | পাঠক ভাবনা | DW | 31.01.2018
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

পাঠক ভাবনা

‘জাতির জন্য লজ্জাজনক'

‘‘মুক্তিযোদ্ধাদের ত্যাগের মূল্য কেউ দিতে পারবে না৷ এমন সম্মানের পদটিকে এভাবে মুড়ির ঠোঙা বানানোর পায়তারা করা জাতির জন্য লজ্জাজনক৷'' ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা সম্পর্কে ফেসবুক পাতায় এ মন্তব্য একজন পাঠকের৷ বহু পাঠক তাঁর সাথে একমত৷

‘‘ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা হলে রাজাকার হিসেবে তাকে ফাঁসি দেওয়া হোক, কারণ সে দেশের মানুষের সাথে বেইমানি করেছে৷'' ডয়চে ভেলের ফেসবুক পাতায় লিখেছেন পাঠক ফিরোজ আলম৷ আর পাঠক মো. সাইমুম রহমান সজিব মনে করেন, গত বছর মুক্তিযোদ্ধা যাচাই-বাছাইয়ের পর আরও ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা তৈরি হওয়ার পথ সৃষ্টি হয়েছে৷ 

তবে এ বিষয়ে মঈন আহমেদের ধারণা, মুক্তিযুদ্ধ ও পরবর্তিতে একমাত্র ভারতীয় সরকার কর্তৃক প্রণীত বাংলাদেশের মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকাটাই সঠিক আর বাকি সব ভুয়া৷

নাজমুজ্জামান মান্না লিখেছেন, ‘‘যেদেশে গোটা প্রশাসন দুর্নীতিগ্রস্ত, সেখানে ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা কেন থাকবে না?''

তবে পাঠক বিপ্লব তাঁর দুঃখ প্রকাশ করেছেন এভাবে: ‘‘প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের ১ লাখ টাকা করে ভাতা দিলেও দুঃখ হতো না৷ কিন্তু ভাতাধারী ভুয়া মুক্তিযোদ্ধের ভিড়ে প্রকৃত দেশপ্রেমিক মুক্তিযোদ্ধাদের খুঁজে পাওয়া কঠিন হয়ে গেছে৷''

জলিলুর রহমানের ধারণা, যেভাবে চেতনাবাজদের সংখা বাড়ছে তাতে ভুয়া মুক্তিযোদ্ধাদের সংখা বাড়াটাই নাকি স্বাভাবিক৷

‘‘বাংলাদেশে সবই সম্ভব'' – এ মন্তব্য মোহাম্মদ হানিফের৷ ওদিকে মোহাম্মদ বশির হোসেন মনে করেন,   ‘‘কে ভুয়া আর কে আসল মুক্তিযোদ্ধা, তা বোঝা বেশ কঠিন৷''

‘‘মুক্তিযোদ্ধারা যে ত্যাগ করেছেন, তার মূল্য কেউ দিতে পারবে না৷ কিন্তু এমন সম্মানের পদটিকে এভাবে মুড়ির ঠোঙা বানানোর পায়তারা করা জাতির জন্য লজ্জাজনক৷ কেউ যদি মন্ত্রী মহোদয়কে হেনস্তা করার জন্য এমন অভিযোগ করে থাকে বা মন্ত্রী মহোদয়কে টাকা দিয়ে করিয়ে থাকে, তবে তাকে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া হোক৷'' ডয়চে ভেলের ফেসবুক পাতায় এই মন্তব্য পাঠক আমিনুল হকের৷

সংকলন: নুরুননাহার সাত্তার

সম্পাদনা: দেবারতি গুহ 

 

নির্বাচিত প্রতিবেদন