জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় খরচ হয়েছে ৩,২০০ কোটি টাকা | বিশ্ব | DW | 08.11.2017
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

জলবায়ু পরিবর্তন

জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় খরচ হয়েছে ৩,২০০ কোটি টাকা

পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. নুরুল কাদির বলেন জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় বাংলাদেশ ৩ হাজার ২০০ কোটি টাকা খরচ করেছে৷ এর মধ্যে অ্যাডাপ্টেশন বিষয়ক প্রকল্পে ব্যয় হয়েছে বেশি৷ বাকিটা গেছে মিটিগেশন প্রকল্পে৷

ভিডিও দেখুন 10:05

ডয়চে ভেলের মুখোমুখি পরিবেশ সচিব ড. নুরুল কাদির

জার্মানির বন শহরে চলমান জাতিসংঘের জলবায়ু সম্মেলনকপ২৩-এ অংশ নিতে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের সঙ্গে এসেছেন ড. নুরুল কাদির৷ সম্মেলন স্থলে ডয়চে ভেলেকে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য দায়ী না হলেও, এর প্রভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বাংলাদেশ৷ প্রভাব মোকাবিলায় বিদেশি অর্থ সহায়তার অপেক্ষা না করে বাংলাদেশ ২০০৯ সালে একটি জলবায়ু তহবিল গঠন করে৷ এই তহবিল থেকে এখন পর্যন্ত চারশ'র বেশি প্রকল্পে অর্থ সহায়তা দেয়া হয়েছে৷ এর মধ্যে ২০০'র বেশি প্রকল্প ইতিমধ্যে বাস্তবায়িত হয়েছে বলে জানান তিনি৷

ড. নুরুল কাদির বলেন, অ্যাডাপ্টেশন বা অভিযোজন বিষয়ক প্রকল্পের আওতায় নদীভাঙন রোধে বিভিন্ন স্থানে বাঁধ দেয়া হচ্ছে৷ এছাড়া খাদ্য নিরাপত্তার বিষয়টিকে গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে৷ জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে মাটিতে লবণাক্ততা বেড়ে যাওয়ায় দক্ষিণাঞ্চলে খাদ্য উৎপাদন হ্রাস পাচ্ছে৷

ভিডিও দেখুন 02:15

মানুষ বাঁচায়, পরিবেশ রক্ষা করে ‘বন্ধু চুলা’

এই অবস্থার সমাধান হিসেবে বাংলাদেশের বিজ্ঞানীরা লবণ সহিষ্ণু কয়েকটি ধানের জাত উদ্ভাবন করেছেন৷ একই বৈশিষ্যের একটি পাটের জাতও উদ্ভাবিত হয়েছে৷ এছাড়া খরা ও বন্যা সহিষ্ণু ধানের জাতও উদ্ভাবন করেছেন বাংলাদেশের গবেষকরা৷

সাক্ষাৎকারে অতিরিক্ত সচিব ড. কাদিরভাসমান সবজি চাষের কথাও উল্লেখ করেন৷

এদিকে, মিটিগেশনের আওতায় নেয়া প্রকল্পগুলো সম্পর্কে বলতে গিয়ে ড. কাদির শুরুতেই ‘বন্ধু চুলার' কথা বলেন৷ এটি ব্যবহার করলে একদিকে যেমন কার্বন নিঃসরণ কম হয়, তেমনি এটি রাঁধুনি ও শিশুদের স্বাস্থ্যের জন্যও ভালো বলে জানান তিনি৷ সাধারণ চুলায় যে লাকড়ি ব্যবহৃত হয় তা থেকে সৃষ্ট ধোঁয়ার কারণে রাঁধুনির হাঁপানি সহ বিভিন্ন রোগ দেখা দেয়৷ এতে মৃত্যুর ঘটনাও ঘটে৷ ড. কাদির বলেন, জার্মানি সহ বাংলাদেশের অন্যান্য উন্নয়ন সহযোগীরা বন্ধু চুলার প্রসারে সহায়তা করছে৷ এক্ষেত্রে জার্মানি কারিগরি সহায়তা দেয়ার পাশাপাশি আর্থিক সহায়তা দিচ্ছে বলেও জানান সরকারি এই কর্মকর্তা৷

তিনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় সরকার বনায়নকেও গুরুত্ব দিচ্ছে৷ বিশেষ করে উপকূলীয় এলাকায় বাঁধ দিয়ে সেখানে গাছ লাগানো হচ্ছে৷

বন্ধু, সাক্ষাৎকারটি কেমন লাগলো? আমাদের লিখে জানান, নীচের ঘরে৷

নির্বাচিত প্রতিবেদন

এই বিষয়ে অডিও এবং ভিডিও

বিজ্ঞাপন