‘জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব টের পাচ্ছে বিশ্ব′ | বিশ্ব | DW | 08.10.2018
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

জলবায়ু পরিবর্তন

‘জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব টের পাচ্ছে বিশ্ব'

জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে কাজ করেন এমন বিজ্ঞানীরা বিশ্বজুড়ে তাপমাত্রা বৃদ্ধি নিয়ে আশংকা প্রকাশ করেছেন৷ অবিলম্বে পদক্ষেপ না নিলে ভয়াবহ পরিণতির জন্য সতর্ক করে দিয়েছেন তাঁরা৷

সোমবার প্রকাশিত এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে বিশ্ব নেতারা কার্যকর পদক্ষেপ না নেয়ায় আগামীতে ভয়াবহ পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হবে বিশ্বকে৷ আর কার্যকর পদক্ষেপ নেয়ার সময় দ্রুত ফুরিয়ে যাচ্ছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে৷ ভূ-পৃষ্ঠের তাপমাত্রা সম্পতি ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস বৃদ্ধি পেয়েছে, যা সমুদ্রে পানির উচ্চতা বৃদ্ধির জন্য যথেষ্ট এবং বিশ্বজুড়ে ভয়াবহ ঝড়, বন্যা এবং খরা দেখা দিতে পারে৷ এ অবস্থা চলতে থাকলে বৈশ্বিক উষ্ণায়ন ৩ থেকে ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস বৃদ্ধি পেতে পারে বলে রিপোর্টে বলা হয়েছে৷

বর্তমানে যে হারে গ্রিন হাউজ গ্যাস নিঃসরণ হচ্ছে, তাতে ২০৩০ সালের মধ্যে গড় তাপমাত্রা বৃদ্ধির হার ১ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি হয়ে যাবে৷ এমনটাই জানিয়েছে, ইন্টারগভর্নমেন্টাল প্যানেল ফর ক্লাইমেট চেঞ্জ বা আইপিসিসি৷

আইপিসিসি দক্ষিণ আফ্রিকার পরিবেশ পরিকল্পনা এবং জলবায়ু রক্ষা বিভাগের প্রধান সংবাদ সংস্থা এএফপিকে জানিয়েছেন, ‘‘মানব ইতিহাসের জন্য আগামী কয়েকটা বছর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময়৷ আমরা আমাদের দায়িত্ব পালন করেছি, আপনাদের কাছে বার্তা পৌঁছে দিয়েছি৷ এখন প্রতিটি দেশের সরকারের দায়িত্ব নিজেদের দায়িত্ব পালন করা৷ '' আইপিসিসি'র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে,বৈশ্বিক উষ্ণায়নের ভয়াবহতাখুব দ্রুতই টের পাবে বিশ্ববাসী৷ গ্রিনপিস ইন্টারন্যাশনালের নির্বাহী পরিচালক জেনিফার মর্গান বলেছেন, ‘‘বিজ্ঞানীরা অদূর ভবিষ্যতের জন্য যে পূর্বাভাস দিয়েছিলেন, সেসব ঘটনা ইতোমধ্যে ঘটতে শুরু করেছে৷ ''

গবেষণা প্রতিবেদনের অন্যতম লেখক মাইলেস অ্যালেন বলেছেন, ‘‘আমরা যে পরিমাণ কার্বন ডাই অক্সাইড পরিবেশে নির্গমণ করছি, আমাদের দায়িত্ব তা অপসারণ করে পরিবেশে ভারসাম্য ফিরিয়ে আনা৷'' ৬ হাজারেরও বেশি সাম্প্রতিক গবেষণার ফলাফল নিয়ে প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়েছে৷

বিজ্ঞানীরা বলছেন, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করতে হলে জৈবজ্বালানির উপর নির্ভরশীলতা বাড়াতে হবে৷ তবে গত ৩০ বছরে যে পরিমাণ কার্বন নিঃসরণ হয়েছে, তা অপসারণ করতে ভারতের আয়তনের দ্বিগুণ এলাকায় জৈব জ্বালানি উৎপাদনকারী ফসল উৎপাদন করতে হবে৷ তাহলেই ১ হাজার ২০০ বিলিয়ন টন কার্বন ডাই অক্সাইডকে ভূগর্ভে পাঠানো সম্ভব হবে৷

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ছোট-বড় দ্বীপ, উন্নয়নশীল দেশ এবং ঘনবসতিপূর্ণ দেশগুলোতে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির জন্য এরইমধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে৷

আগামী ডিসেম্বরে পোল্যান্ডে হতে যাচ্ছে জলবায়ু সম্মেলন৷ সেখানে বিশ্বনেতাদের উপর এ বিষয়ে চাপ সৃষ্টি করা হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে৷

এপিবি/এসিবি (এপি, এএফপি, রয়টার্স)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন