জলবায়ু আলোচনায় নজর কাড়লো ১২ বছরের ছেলেটি | বিশেষ আয়োজন | DW | 16.11.2017
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

জলবায়ু পরিবর্তন

জলবায়ু আলোচনায় নজর কাড়লো ১২ বছরের ছেলেটি

জার্মানির বন শহরে চলমান জাতিসংঘের জলবায়ু আলোচনা বুধবার গতি পেয়েছিল৷ কারণ, সেখানে উপস্থিত হয়েছিলেন জার্মান চ্যান্সেলর ও ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট৷ তবে সবার দৃষ্টি কেড়েছে টিমোসি নাউলুসালা৷

১২ বছরের নাউলুসালা ফিজির বাসিন্দা৷ গতবছর এক সাইক্লোনে তার গ্রামের সবকিছু ধ্বংস হয়ে যায়৷ ‘‘আমার এক সময়ের সুন্দর গ্রাম এখন বিরান, সেখানে কিছু নেই... আপনারা কিছু না করলে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব থাকবেই,'' সম্মেলনে উপস্থিত প্রায় ২৫টি দেশের রাষ্ট্রপ্রধানসহ অন্যান্য ডেলিগেটদের বলেছে নাউলুসালা৷ জার্মান চ্যান্সেলর আঙ্গেলা ম্যার্কেল ও ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাক্রোঁ এই সময় উপস্থিত ছিলেন৷ সম্মেলনস্থলে পৌঁছার পর ম্যার্কেল মঞ্চে উঠলে সেখানে তাঁর সঙ্গে গিয়ে কথা বলেছে নাউলুসালা৷ মাক্রোঁ তখন তাঁদের পাশেই ছিলেন৷

নাউলুসালা মঞ্চে উপস্থিত হলে সেখানে উপস্থিত বিভিন্ন দেশের ডেলিগেটরা হাততালি দিয়ে তাকে স্বাগত জানায়৷

এরপর দেয়া বক্তব্যে ম্যার্কেল বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন মানবজাতির সবচেয়ে বড় না হলেও একটি অন্যতম সমস্যা৷ তবে তিনি বলেন, জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার থেকে সরে আসা ‘সহজ নয়'৷ ম্যার্কেলের এই বক্তব্য পরিবেশিবাদীদের হতাশ করেছে৷

উল্লেখ্য, জার্মানির মোট বিদ্যুতের ৪০ শতাংশ আসে কয়লা থেকে৷ আর ২০২০ সালের মধ্যে কার্বন নির্গমন ৪০ শতাংশ কমানোর যে লক্ষ্যমাত্রা জার্মানি নির্ধারণ করেছিল তা বাস্তবায়ন করতে পারবে না দেশটি৷

এদিকে, জলবায়ু পরিবর্তনকে ‘আমাদের সময়ের সবচেয়ে বড় সংকট' বলে আখ্যায়িত করেছেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাক্রোঁ৷ তিনি তাঁর বক্তব্যে ‘ইন্টারগভর্নমেন্টাল প্যানেল অন ক্লাইমেট চেঞ্জ' বা আইপিসিসির জন্য বরাদ্দ দিতে ইউরোপীয় দেশগুলোর প্রতি আহ্বান জানান৷ জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক বিশ্বের কয়েক হাজার বিশেষজ্ঞের সমন্বয়ে গঠিত আইপিসিসি৷ সংস্থাটি কয়েকবছর পরপর একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে৷

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আইপিসিসিতে দেয়া বরাদ্দ বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন৷ দেশটি প্রতিবছর আইপিসিসিকে দুই মিলিয়ন ডলার দিতো, যা ঐ সংস্থার মোট বাজেটের প্রায় অর্ধেক৷

জলবায়ু সম্মেলনে মাক্রোঁ বলেন, ‘‘আমি নিশ্চিত করে বলছি, ২০১৮ সালের শুরু থেকে আইপিসির বাজেটে এক ইউরোও ঘাটতি থাকবে না৷''

জেডএইচ/এসিবি (এএফপি, রয়টার্স)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

ইন্টারনেট লিংক

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন