জর্ডানের শরণার্থী শিবিরে গেলেন জার্মান পররাষ্ট্রমন্ত্রী | বিশ্ব | DW | 06.04.2018
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

জর্ডান

জর্ডানের শরণার্থী শিবিরে গেলেন জার্মান পররাষ্ট্রমন্ত্রী

ইসরায়েল ও ফিলিস্তিন সীমান্ত অঞ্চল সফরের পরপরই জার্মান পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাইকো মাস জর্ডান সফর করেন৷ জর্ডানের জনসংখ্যার অর্ধেক ফিলিস্তিনি বংশোদ্ভূত৷ সেখানে শরণার্থী সংকট মোকাবেলায় জর্ডানকে আরো সাহায্যের প্রতিশ্রুতি দেন মাস৷

জর্ডানের শরণার্থী শিবিরে সফর করে আরও সাহায্যের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন জার্মান পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাইকো মাস৷ ডয়চে ভেলের প্রতিবেদক মিশায়েলা ক্যুফনারের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই শরণার্থীদের নিয়ে জার্মান সরকারের আরো বড় কৌশলগত পরিকল্পনা রয়েছে৷

বৃহস্পতিবার জর্ডানের শরণার্থী শিবির সফরের সময় হাইকো মাসকে বেশ অপ্রস্তুত দেখাচ্ছিল৷ এ সময় ১২ বছর বয়সি এক কিশোর তাঁর কানে কানে কিছু বললে, উপস্থিত ফটোসাংবাদিকরা একের পর এক ছবি তুলতে থাকেন৷ ছবি তোলার পর্ব শেষ হলে জার্মান পররাষ্ট্রমন্ত্রী যেন হাফ ছেড়ে বাঁচেন৷ জার্মানির নতুন এই মন্ত্রী যে সংবাদমাধ্যমের সামনে এখনো ততটা সাবলীল হয়ে ওঠেননি!

ইসরায়েল এবং ফিলিস্তিন সীমান্ত অঞ্চল সফরের পরপরই জার্মান পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাস জর্ডান সফর করেন৷ জর্ডানের মোট জনসংখ্যার অর্ধেক ফিলিস্তিনি বংশোদ্ভূত৷ জার্মানমন্ত্রী মাসের জর্ডান সফরের ঠিক আগেই সৌদি সিংহাসনের সম্ভাব্য উত্তরাধিকার যুবরাজ মোহাম্মেদ বিন সালমান ‘ইসরায়েলিদের স্বাধীন রাষ্ট্র গঠনের পূর্ণ অধিকার অধিকার রয়েছে' বলে মন্তব্য করেন৷  

বুধবার জর্ডান সফরের প্রথমদিন জার্মান পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাস ‘ইতিবাচক উন্নয়নে'-র ঘোষণা দেন৷ পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যে চলমান নানা সংকট ও এ সবের সাথে সংশ্লিষ্টদের বিষয়টি উল্লেখ করে তিনি বলেন যে, এর সমাধানে জার্মানি পূর্ণ সহযোগিতা করবে৷

জর্ডানে থাকার সময় মাস বলেন, তিনি ‘শরণার্থী সংকটের অপরদিকটা দেখতে চান' এবং ‘এই অঞ্চলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশীদারকে সহযোগিতা করতে চান'৷

সফরের সময় তিনি বারবার উল্লেখ করেন যে, ছোট দেশ জর্ডান শরণার্থীদের আশ্রয় দেওয়ার ক্ষেত্রে তাদের সামর্থ্যের শেষ বিন্দুতে পৌঁছেছে৷ জর্ডান সরকারের দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ১ কোটি ৩০ লাখ সিরিয়ান শরণার্থী জর্ডানে বসবাস করছে৷ এছাড়াও ৭৫ হাজার ইরাকি শরণার্থী রয়েছে সেখানে৷ দেশটির শিক্ষা, বাসস্থান এবং স্বাস্থ্যসেবায় যা অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করেছে৷      

অনেক পশ্চিমা দেশই জর্ডানকে মধ্যপ্রাচ্যের নিরপেক্ষ দেশ হিসেবে মনে করে৷ যুক্তরাষ্ট্র সম্প্রতি জর্ডানকে সরাসরি অনুদানের পরিমাণ আগের তুলনায় প্রায় চারভাগের একভাগ বাড়িয়েছে, যা বর্তমানে বছরে ১ বিলিয়ন ডলার বা ৮১৫ মিলিয়ন পাউন্ডে ঠেকেছে৷ জর্ডানকে সাহায্যের দিক থেকে জার্মানির অবস্থান দ্বিতীয়৷ তারা বছরে দেশটিকে ৫৯৬ মিলিয়ন পাউন্ড অনুদান দেয়৷

জঙ্গি গোষ্ঠী ইসলামিক স্টেট বা আইএস-এর বিরুদ্ধে তাদের কঠোর অবস্থানের নিদর্শন হিসেবে গত বছরের আগস্ট মাসে জর্ডানের মুবাফ্ফাক এয়ার বেইজে জার্মান বিমান বাহিনি এক সামরিক মহড়া চালায়৷

বুধবার সন্ধ্যায় দ্বিপক্ষীয় আলোচনার শুরুর আগে জার্মান পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান জর্ডানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আয়মান সাফাদি৷ সিরিয়ার সংকটের অবসান সামরিক সামাধানে হবে না বলে আলোচনায় দু'দেশের মন্ত্রী একমত হন৷

এইচআই/ডিজি

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন