জরুরি অবস্থা ঘোষণা করতে চলেছেন ট্রাম্প? | বিশ্ব | DW | 11.01.2019
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

যুক্তরাষ্ট্র

জরুরি অবস্থা ঘোষণা করতে চলেছেন ট্রাম্প?

সংসদের কাছে মেক্সিকো সীমান্তে প্রাচীর গড়ার আর্থিক মঞ্জুরি না পেলে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করে সেই লক্ষ্য পূরণের হুমকি দিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প৷ আবার তিনি সেই ইঙ্গিত দিলেন৷

মেক্সিকো সীমান্তে বেআইনি অনুপ্রবেশকারী, সন্ত্রাসবাদী, মাদক পাচারকারীদের রুখতে প্রাচীর তৈরি অত্যন্ত জরুরি৷ জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে অবিলম্বে এই কাজ শুরু করা প্রয়োজন৷ এমন সাবধানবাণী সত্ত্বেও মার্কিন কংগ্রেসে বিরোধী ডেমোক্র্যাটিক দল ট্রাম্পের সাধের প্রকল্পের জন্য কিছুতেই ৫৭০ কোটি ডলার মঞ্জুর করতে রাজি হচ্ছে না৷ এই সংঘাতের ফলে প্রশাসনিক অচলাবস্থাও জনগণের একটা বড় অংশ ভালো চোখে দেখছে না৷ প্রাচীর তৈরির প্রয়োজনীয়তা নিয়েও মানুষের মনে সংশয় রয়েছে৷ এমন অবস্থায় সমর্থন বাড়ানোর আশায় টেক্সাস রাজ্যে মেক্সিকো সীমান্ত সফর করে আবার জোরালো বক্তব্য রাখলেন ট্রাম্প৷

কয়েকজন সীমান্তরক্ষী, স্থানীয় রাজনৈতিক নেতা ও রিপাবলিকান দলের কয়েকজন নেতা ট্রাম্পের সামনে প্রাচীর তৈরির প্রয়োজনীয়তার কথা বললেন৷ তাঁদের বক্তব্য শুনে ট্রাম্প বলেন, অবশ্যই এক সংকট চলছে৷ অ্যামেরিকায় অপরাধের অনেক ঘটনার জন্য সীমান্ত পেরিয়ে আসা মানুষ দায়ী৷ পাশেই নিহত এক পুলিশকর্মীর ভাইকে বসিয়ে তিনি পরিস্থিতির ভয়াবহতা তুলে ধরার চেষ্টা করেন৷ ক্যালিফোর্নিয়ার ভারতীয় বংশোদ্ভূত সেই অফিসার বেআইনি অনুপ্রবেশকারীর হাতে নিহত হয়েছিলেন বলে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে৷

ডেমোক্র্যাটিক দলের উপর চাপ বাড়াতে ট্রাম্প আবার জাতীয় স্তরে জরুরি অবস্থা ঘোষণার হুমকি দেন৷ তিনি বলেন, এখনো সেই পথে না গেলেও প্রয়োজনে তিনি এই পদক্ষেপ নিতে পিছপা হবেন না৷ সে ক্ষেত্রে প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের জন্য বরাদ্দ করা জরুরি তহবিল থেকে অর্থ নিয়ে প্রাচীর তৈরির কাজে লাগানো সম্ভব হবে৷ এই জরুরি তহবিলে প্রায় ১,৩৯০ কোটি ডলার এখনো জমা আছে বলে ধারণা করা হচ্ছে৷ হোয়াইট হাউস এই লক্ষ্যে প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে বলে কিছু সূত্র দাবি করছে৷

বিরোধী ডেমোক্র্যাটিক দল ট্রাম্প প্রশাসনের প্রাচীর তৈরির প্রস্তাবের চরম বিরোধিতায় অটল রয়েছে৷ এই মুহূর্তে সীমান্তে কোনো সংকটের অস্তিত্বও তারা দেখছে না৷ বরং সীমান্তে নিরাপত্তা বাড়াতে একাধিক পদক্ষেপের সমন্বয়ে এক সার্বিক সমাধানসূত্র নিয়ে আলোচনা করতে বিরোধীরা প্রস্তুত৷ দলের নেতা ন্যান্সি পেলোসি বলেন, নজরদারি বাড়াতে প্রযুক্তির প্রয়োগসহ বেশ কিছু কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া যেতে পারে৷ প্রাচীর তৈরি এমন এক বিলাসিতা, যা কোনো অবস্থায় দেশের সামর্থ্যের মধ্যে থাকতে পারে না, বলেন তিনি৷ প্রশাসনের শাটডাউন বন্ধ করে এ বিষয়ে আলোচনার আহ্বান জানিয়েছে ডেমোক্র্যাটিক দল৷

দেশের এই ‘সংকট'-এর গুরুত্ব তুলে ধরতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সুইজারল্যান্ডের ডাভোস শহরে বিশ্ব অর্থনৈতিক সম্মেলনে যোগদান বাতিল করেছেন৷ এই পদক্ষেপের জন্য তিনি বিরোধী ডেমোক্র্যাটিক দলকেই দায়ী করেন৷ প্রশাসনিক শাটডাউনের মাঝে তিনি এই সফর করবেন না বলে ট্রাম্প সাংবাদিকদের বলেন৷

এসবি/এসিবি (ডিপিএ, এপি)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন