জরাজীর্ণ ১০০০ পোশাক কারখানার দায়িত্ব নেবে কে? | বিশ্ব | DW | 17.05.2013
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

জরাজীর্ণ ১০০০ পোশাক কারখানার দায়িত্ব নেবে কে?

বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ-র সদস্য নয় এ রকম গার্মেন্টস আছে হাজারেরও বেশি৷ অথচ রানা প্লাজা ধসের পর কারাখানার ভবন, কাজের পরিবেশ ও নিরাপত্তার জন্য উদ্যোগ নেয়া হলেও, তাদের ব্যাপারে কথা শোনা যাচ্ছেনা৷

Bangladeshi garments workers stitch at a factory in Dhaka, Bangladesh, Thursday, Nov.10, 2005. A summit of South Asian leaders this weekend in Bangladesh will focus on improving economic growth and reducing poverty, as well as implementing long-adopted plans to benefit the area's 1.5 billion people. (ddp images/AP Photo/Pavel Rahman)

Bangladesch Textilarbeiterinnen in Dhaka

আশুলিয়ার তাজরীন ফ্যাশানস-এ গত বছরের ২৪শে নভেম্বর আগুন লাগার পর, ঢাকার মোহাম্মদপুরে স্মার্ট ফ্যাশানে আগুন লাগে চলতি বছরের ২৬শে জানুয়ারি৷ তাতে আটজন পোশাক শ্রমিকের মৃত্যু হয়৷ তাজরীন ফ্যাশানস বিজিএমইএ-র সদস্য হলেও স্মার্ট ফ্যাশানের সদস্য পদ নেই৷ তবুও তারা ফক্স অ্যান্ড স্কট এবং ইনডেক্স-এর মতো আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের পোশাক তৈরি করে দিত সাব কন্ট্রাক্টে৷ তার মানে হলো, বিজিএমইএ-র সদস্য বড় কোনো পোশাক কারাখানার পাওয়া কাজ তাদের দিয়েই করানো হতো৷ বলা বাহুল্য, এসব কারখানার অবস্থা আরো শোচনীয়৷ সেখানে কোনো মনিটরিং নেই, নেই কোনো চাপ৷



ঢাকায় এ ধরনের অনেক পোশাক কারখানা এখনও সক্রিয়৷ পূর্ব রামপুরার এ রকম একটি গার্মেন্টস-এর নাম টিএম গার্মেন্টস৷ ডয়চে ভেলের ঢাকা প্রতিনিধি সরেজমিন গিয়ে দেখেন জারাজীর্ণ একটি ভবনের তিন তলায় মাত্র ১০০ জন শ্রমিক নিয়ে চলছে কারখানাটি৷ কারখানাটির নিরপত্তা, কাজের পরিবেশ কোনোভাবেই মানসম্পন্ন নয়৷ কারখানায় সেলাই মেশিনসহ যেসব যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে থাকেন শ্রমিকরা, তাও বহু পুরনো৷ তার ওপর সেখানে সর্বনিম্ন মজুরিও বাস্তবায়ন হয়না৷

সর্বনিম্ন মজুরি ৩,০০০ টাকা হলেও সুফিয়া নামের একজন পোশাক শ্রমিক জানান যে, তিনি নতুন বলে তাঁকে মাত্র ২,২০০ টাকা দেয়া হয়৷ আরো কয়েকজন জানান, তাঁদের ওভারটাইম করানো হলেও সে টাকা তাঁরা পান না ঠিকমতো৷ প্রতিষ্ঠানের মালিকপক্ষের কাউকে পাওয়া না গেলেও, ফ্লোর সুপারভাইজার মিজানুর রহমান এই অভিযোগ অস্বীকার করেন৷ যদিও তিনি স্বীকার করেন যে, তারা সাব কন্ট্রাক্টে কাজ করেন৷ তাদের সরাসরি কোনো ক্রেতা নেই৷

বিজিএমইএ-র সহসভাপতি সিদ্দিকুর রহমান ডয়চে ভেলেকে জানান, বিজিএমইএ-র সদস্য সাড়ে পাঁচ হাজারের মতো৷ এর বাইরে এক হাজারেরও বেশি পোশাক কারখানা আছে ঢাকা এবং চট্টগ্রামে৷ তাদের দায়দায়িত্ব বিজিএমইএ নেবেনা৷ তারা সরকারকে জানিয়েছে যে, এসব কারখানা যেন সরকার বন্ধ করে দেয়৷ বিজিএমইএ-র সদস্যরাই তো এসব কারাখানাকে আবার কাজ দেয়৷ তাহলে দায়দায়িত্ব কিভাবে এড়ানো যাবে? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, পোশাক কারাখানা থাকলেও কাজ দেয়া হবে এটাই স্বাভাবিক৷ কিন্তু সরকার তাদের লাইসেন্স দেয় কিভাবে?

কেউ দায়িত্ব নিতে না চাইলেও এ সব কারখানায় খুবই কম খরচে পোশাক তৈরি হয়৷ তাই বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে যে কোনো সময়৷

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন