ছুটির মৌসুমে জার্মানির লকডাউনে কিছু ছাড় | বিশ্ব | DW | 26.11.2020
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

জার্মানি

ছুটির মৌসুমে জার্মানির লকডাউনে কিছু ছাড়

বুধবার জার্মানির ফেডারেল ও রাজ্য স্তরের শীর্ষ নেতারা লকডাউনের মেয়াদ বাড়ালেও বড়দিন ও নববর্ষ উৎসবের সময় কিছু ছাড় দেবার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন৷ চ্যান্সেলর ম্যার্কেল সম্মিলিত উদ্যোগের ডাক দিয়েছেন৷

আঙ্গেলা ম্যার্কেল

জার্মান চ্যান্সেলর আঙ্গেলা ম্যার্কেল

জার্মানির আংশিক লকডাউনের মেয়াদ আপাতত ২০শে ডিসেম্বর পর্যন্ত বাড়ানো হলো৷ সেইসঙ্গে বড়দিন ও নববর্ষ উৎসব পালনের জন্য ২৩শে ডিসেম্বর থেকে ১লা জানুয়ারি পর্যন্ত কড়াকড়ি কিছুটা শিথিল করার সিদ্ধান্ত নিলেন দেশের শীর্ষ নেতারা৷ বুধবার জার্মান চ্যান্সেলর আঙ্গেলা ম্যার্কেল ও ১৬টি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের প্রায় সাত ঘণ্টার ভিডিও কনফারেন্সের পর এই ঘোষণা করা হলো৷

ম্যার্কেল বলেন, প্রায় তিন সপ্তাহ ধরে বর্তমান ‘লকডাউন লাইট’ নামে পরিচিত বিধিনিয়মের ফলে করোনা ভাইরাস সংক্রমণের গতি কিছুটা কমানো গেছে বটে, কিন্তু নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আরও সময়ের প্রয়োজন৷ দৈনিক সংক্রমণের হার অপ্রত্যাশিতভাবে কমে গেলে ম্যার্কেল কড়াকড়ি শিথিল করার আশ্বাস দেন৷ তাঁর মতে, সংক্রমণের হার কমাতে সবাই মিলে বিশাল উদ্যোগ নিতে হবে৷ প্রত্যেক মানুষকে সে ক্ষেত্রে অবদান রাখতে হবে৷

‘লকডাউন লাইট’ বিধিনিয়মের আওতায় হোটেল-রেস্তোরাঁ বন্ধ থাকছে৷ খেলাধুলা ও মনোরঞ্জনের অনুষ্ঠানেরও অনুমতি নেই৷ তবে স্কুল ও কিন্ডারগার্টেন খোলা থাকছে৷ ১লা ডিসেম্বর থেকে সেইসঙ্গে নতুন কিছু নিয়ম যোগ হচ্ছে৷ এর আওতায় দুটি পরিবার বা সংসারের পাঁচ জনের বেশি মানুষের সমাবেশ নিষিদ্ধ হবে৷ তবে ১৪ বছর পর্যন্ত বয়সি শিশু-কিশোরদের হিসেবে ধরা হবে না৷ দোকান-বাজার ছাড়াও গাড়ি পার্কিং-এর জায়গায়ও নাক ও মুখ ঢাকতে মাস্ক বা অন্য কোনো আবরণ বাধ্যতামূলক হবে৷

স্কুলে করোনা সংক্রমণ দেখা দিলে কী করা উচিত, সে বিষয়ে এতকাল মতপার্থক্য বজায় ছিল৷ এবার নতুন ঐকমত্যের আওতায় স্কুলের কোনো শিক্ষার্থী আক্রান্ত হলে সাবধানতা অবলম্বন করতে গোটা ক্লাস পাঁচ দিনের জন্য কোয়েরেন্টাইনে চলে যাবে৷ তারপর পরীক্ষায় করোনা ধরা না পড়লে আবার স্কুলে যাবার অনুমতি দেওয়া হবে৷ ফেডারেল স্তরে দেশজুড়ে এই সব বিধিনিয়ম সত্ত্বেও পরিস্থিতি অনুযায়ী রাজ্য সরকারগুলি কড়াকড়ি আরও বাড়াতে অথবা শিথিল করতে পারবে৷ পরিস্থিতির সার্বিক অবনতি ঘটলে যাবতীয় সিদ্ধান্ত বদলানো হতে পারে৷

বড়দিন ও নববর্ষ উৎসবের সময়ে মানুষের সমাবেশ পুরোপুরি এড়ানো বাস্তবসম্মত হবে না, এই যুক্তিতে রাজ্য ও ফেডারেল স্তরের নেতারা এক আপস মীমাংসা করেছেন৷ এই সময়ে নিঃশর্তে সর্বোচ্চ ১০ জন মানুষের জমায়েতের অনুমতি দেওয়া হয়েছে৷ আতসবাজি পোড়ানোর ক্ষেত্রে সীমিত কিছু নিষেধাজ্ঞার পাশাপাশি মানুষের প্রতি দায়িত্বশীল আচরণের আবেদন জানানো হয়েছে৷

বৃহস্পতিবার ম্যার্কেল জার্মান সংসদের নিম্ন কক্ষে করোনা ভাইরাসের মোকাবিলায় সর্বশেষ সিদ্ধান্তগুলি সম্পর্কে বক্তব্য রাখছেন৷ তারপর বিতর্কের জন্য দেড় ঘণ্টা সময় রাখা হয়েছে৷ উল্লেখ্য, জার্মান সংসদ এমন সব বিধিনিয়মের ক্ষেত্রে জনপ্রতিনিধিদের আরও শামিল করার ডাক দিয়ে আসছে৷

এসবি/কেএম (ডিপিএ, এএফপি)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়