ছাড়া পেলেন নূর | বিশ্ব | DW | 21.09.2020
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

বাংলাদেশ

ছাড়া পেলেন নূর

ডাকসুর সাবেক ভিপি নূরসহ কোটা আন্দোলনের ছয় নেতার বিরুদ্ধে রোববার ধর্ষণের অভিযোগে এক মামলা হয়৷ এই মামলার প্রতিবাদে মিছিলে পুলিশের সঙ্গে গণ্ডগোল হয় বিক্ষোভকারীদের৷ সেখান থেকেই নূর ও তার সাত সহযোগীকে ধরে নিয়ে যায় পুলিশ৷

পরে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের যুগ্ম কমিশনার মাহবুব আলম ডয়চে ভেলেকে জানিয়েছেন, নূরকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডিবি অফিসে আনা হয়েছিল৷ জিজ্ঞাসাবাদ শেষে রাত সাড়ে নয়টার দিকে তাকে ছেড়ে দেয়া হয়েছে৷ তার সঙ্গে থাকা বাকিরাও ছাড়া পেয়েছেন৷

এদিকে ডয়চে ভেলের ঢাকা প্রতিনিধি সমীর কুমার দে জানিয়েছেন, রাত দশটার দিকে শ্বাসকষ্ট দেখা দেয়ায় নূরকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়৷ এসময় হাসপাতালে তার পাহারায় পুলিশের উপস্থিতি ছিল বলে জানা গেছে৷

এর আগে বাংলাদেশে ডয়চে ভেলের কনটেন্ট পার্টনার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম ডিএমপির উপকমিশনার ওয়ালিদ হোসেনকে উদ্ধৃত করে জানিয়েছে, পুলিশের কাজে বাধা দেওয়া এবং পুলিশকে মারধর করার অভিযোগে নূরসহ সাতজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে৷

টিএসসি থেকে মিছিল নিয়ে যাওয়ার সময় মৎস্য ভবন এলাকায় পুলিশের সঙ্গে সাধারণ শিক্ষার্থী অধিকার পরিষদের কর্মীদের গোলযোগ বাঁধে৷

রোববার কোটা সংস্কার আন্দোলনের ছয় নেতার নামে ধর্ষণের মামলা করেছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থী৷ মামলার আসামিদের মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ- ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নূরও রয়েছেন৷

লালবাগ থানার ওসি কে এম আশরাফ উদ্দিন বিডিনিউজকে জানান, রোববার রাতে মামলাটি দায়ের করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামিক স্টাডিজের স্নাতকোত্তর শ্রেণির এক ছাত্রী৷

মামলার প্রধান আসামি ইসলামিক স্টাডিজ থেকেই স্নাতকোত্তর পাস করা হাসান আল মামুন৷ মামুন কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনকারীদের প্ল্যাটফর্ম বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদের আহ্বায়কের দায়িত্বে রয়েছেন৷ বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে তাকে ধর্ষণ করা হয়েছে বলে মামলায় অভিযোগ করেছেন ওই ছাত্রী৷

মামলায় সহযোগী আসামি হিসেবে ছাত্র অধিকার পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক নূরের সঙ্গে আরো দুই যুগ্ম আহ্বায়ক নাজমুল হাসান সোহাগ ও সাইফুল ইসলাম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সহ-সভাপতি নাজমুল হুদা ও কর্মী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আবদুল্লাহ হিল বাকির নামও রয়েছে৷

এ বিষয়ে জানতে চাইলে মামুন অভিযোগ অস্বীকার করেন বলে জানিয়েছে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম৷ তিনি বলেন, ‘‘এটা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হতে পারে, বিষয়টি সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে আমরা প্রতিবাদ জানাবো৷’’

এডিকে/এসিবি (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন