ছাত্রদলে পিক অ্যান্ড চুজ চান না তারেক রহমান | বিশ্ব | DW | 12.09.2019
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

ভারত

ছাত্রদলে পিক অ্যান্ড চুজ চান না তারেক রহমান

২৭ বছর পর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের(বিএনপি) ছাত্র সংগঠন ছাত্রদলের নেতৃত্ব নির্ধারিত হচ্ছে ভোটের মাধ্যমে৷ অছাত্র এবং বিবাহিতরা থাকতে পারছেন না৷

ছাত্রদলে কাউন্সিলরদের ভোটে সর্বশেষ নেতৃত্ব নির্বাচন করা হয় ১৯৯২ সালে৷ এরপর যত কমিটি হয়েছে সবগুলোকে বলা হয় পকেট কমিটি৷ দল ক্ষমতায় না থাকলে এই পকেট কমিটি যে কোনো কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে না তা ‘উপলব্ধি' করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন তারেক রহমানসহ শীর্ষ নেতারা৷ তারা মনে করেন, আন্দোলন সংগ্রামে সামনের সারিতে থাকে ছাত্র সংগঠন৷ কিন্তু সদ্য বিলুপ্ত ছাত্রদলের কমিটি খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবীতে তেমন কোনো ভূমিকাই রাখতে পারেনি৷ আর পকেট কমিটির সাথে সাধারণ শিক্ষার্থী ও তৃনমূলের সাথেও কোনো যোগাযোগ থাকে না৷ ডাকসু নির্বাচনে ছাত্রদল প্যানেলের  কম ভোট পাওয়াই তার প্রমাণ৷
সব শেষ ২০১৪ সালে বিএনপি ছাত্রদলের কমিটি গঠন করে দেয়৷ ওই কমিটির সভাপতি রাজীব আহসান ও সাধারণ সম্পাদক আকরামুল হাসান৷ গত ৩ জুন কমিটি ভেঙে দেয়া হয়৷ আর বয়স্করা তাদের নেতৃত্বে সুযোগ দেয়ার দাবীতে আন্দোলন করলেও তা উপেক্ষা করে ভোটের মাধ্যমে নেতৃত্ব নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়৷
এরইমধ্যে নির্বাচনে ভোটার তালিকা(কাউন্সিলর) চূড়ান্ত হয়েছে৷ চূড়ান্ত হয়েছে প্রার্থী তালিকা৷ সভাপতি পদে নয় জন এবং সাধারণ সম্পাদক পদে ১৯ জন প্রতদ্বন্দ্বিতা করছেন৷ কাউন্সিলর ৫৩৪ জন৷ প্রত্যেক জেলা ও জেলার মর্যাদায় ইউনিট থেকে সভাপতি, সিনিয়র সহ-সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, যুগ্ম সম্পাদক ও সাংগঠনিক সম্পাদক এই পাঁচজন করে ভোটার হয়েছেন৷

অডিও শুনুন 01:47

‘আমি ভোটের জন্য প্রায় সব জেলায় গিয়েছি’


সভাপতি প্রার্থীদের একজন মামুন খান ডয়চে ভেলেকে বলেন,‘‘সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক নির্বাচনের এই উদ্যোগ কেন্দ্র থেকে তৃণমূলের সম্পর্ক সুদৃঢ় করবে৷ নেতারা আগেই সবার পরিচিত হবেন৷ আগে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক ঠিক করে দেওয়ার পর আমরা তাদের চিনতাম নাম জানতাম৷''
যারা প্রার্থী হয়েছেন তারা ভোটের জন্য নিজ উদ্যোগে জেলায় জেলায় গিয়েছেন৷ কোনো প্যানেল বা গ্রুপে নয়৷ সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী ডালিয়া রহমান বলেন,‘‘এটাই একটা বড় কাজ৷ আমি ভোটের জন্য প্রায় সব জেলায় গিয়েছি৷ ভোটারদের সাথে কথা বলেছি৷ সবার সঙ্গে যোগাযোগ হয়েছে৷ ভোটকে সামনে রেখে তৃণমূল চাঙ্গা হয়ে উঠেছে৷ আমরা খালেদা জিয়ার মুক্তির আন্দোলকে আরো শক্ত করার জন্য যোগ্য নেতৃত্বকে ভোট দেয়ার আবেদন করছি৷''
যারা কাউন্সিলর হয়েছেন তারাও ভোট দেয়ার ক্ষেত্রে খালেদা জিয়ার মুক্তির আন্দোলনকে প্রাধান্য দিচ্ছেন৷ তারাও চান এমন নেতৃত্ব হোক যারা রাজপথের ছাত্র আন্দোলনে নেতৃত্ব দিতে পারবেন৷ যাদের সঙ্গে তৃণমূলের যোগাযোগ থাকবে৷ যাদের সবাই চিনবে৷ গাজীপুর জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সম্পাদক ও ভোটার আজহারুল ইসলাম নাঈম বলেন,‘‘আমরা এবার তাকেই ভোট দেবো যারা আন্দোলন সংগ্রামে অতীতে ছিলো৷ ভবিষ্যতেও থাকবে৷ যাদের কমিটমেন্ট আছে৷ এরকম চার-পাঁচ জন আছেন৷ কোনো সিন্ডিকোটের প্রভাবে আমরা ভোট দেবো না৷''

অডিও শুনুন 01:17

‘নির্বাচনের মাধ্যমে নেতৃত্ব নির্বাচন করে হারানো গৌরব ফিরিয়ে আনতে চাই’


এদিকে অভিযোগ আসছে যে, সাবেক ছাত্রনেতাদের বেশ কয়েকটি সিন্ডিকেট ভোটারদের প্রভাবিত করার চেষ্টা করছে৷  তবে নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য সাবেক ছাত্রনেতা এবং বিএনপির প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক মোশারফ হোসেন বলেন,‘‘কেউ নির্বাচনে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করে থাকতে পারেন৷ কিন্তু সেই চেষ্টায় কাজ হবে না৷ কারণ ভোটারেরা তৃণমূলের পরীক্ষিত নেতা৷ তাদের প্রভাবিত করা সহজ হবে না৷ আর আমরাও কঠোর নজর রাখছি৷'
১৪ সেপ্টেম্বর শনিবার সকাল ১০টা থেকে দুপর দুইটা পর্যন্ত গোপন ব্যালটে ছাত্রদলের এই নির্বাচন হবে৷বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় বা অন্যকোনো জায়গায় ভোট নেয়া হবে৷ এরইমধ্যে নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান ছাড়াও আরো ছয়জন সদস্য নিয়োগ দেয়া হয়েছে৷
নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান ডাকসুর সাবেক জিএস খায়রুল কবির খোকন ৷ এখন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব খোকন ডয়চে ভেলেকে বলেন,‘‘আমরা নির্বাচনের মাধ্যমে নেতৃত্ব নির্বাচন করে ছাত্রদলের হারানো গৌরব ফিরিয়ে আনতে চাই৷ এর মাধ্যমে আমরা খালেদা জিয়ার মুক্তির আন্দোলনকে আরো বেগবান করতে চাই৷ কোনো পিক এন্ড চুজ হবে না৷ ভোটের মাধ্যমেই হবে৷ এটা আমাদের দলের(বিএনপি) ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের নির্দেশ৷''

নির্বাচিত প্রতিবেদন

এই বিষয়ে অডিও এবং ভিডিও

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন