ছাত্রদলের সমাবেশে পুলিশের লাঠিপেটা | সমাজ সংস্কৃতি | DW | 28.02.2021
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

বাংলাদেশ

ছাত্রদলের সমাবেশে পুলিশের লাঠিপেটা

বাংলাদেশে লেখক মুশতাক আহমেদের কারাগারে মৃত্যু ও ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিলের প্রতিবাদে ছাত্রদলকে সমাবেশ করতে দেয়নি পুলিশ৷ ঘটনার জেরে তৈরি হওয়া সংঘাতে বিএনপির নেতাকর্মী, পুলিশ, সাংবাদিকসহ আহত হয়েছেন হয়েছেন অনেকে৷

জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে পূর্বঘোষিত কর্মসূচি পালনে জমায়েত হতে শুরু করে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা৷ এসময় পুলিশ তাদের লাঠিপেটা ও কাঁদুনে গ্যাস ছুঁড়ে ছত্রভঙ্গ করে দেয়৷

এই ঘটনায় ছাত্রদলের সহসভাপতি মামুন খানসহ অর্ধশতাধিক নেতা-কর্মী আহত হয়েছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে বাংলাদেশে ডয়চে ভেলের কনটেন্ট পার্টনার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম৷ পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ছাত্রদলের বেশ কয়েকজনকে আটকও করেছে৷

এই বিষয়ে জানতে চাইলে ঢাকা পুলিশের ডেপুটি কমিশনার সাজ্জাদুর রহমান বার্তা সংস্থা এএফপিকে বলেন, ‘‘তারা (প্রতিবাদ সমাবেশের জন্য) কোন অনুমতি নেয়নি৷’’

এই ঘটনায় অন্তত ৩০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিএনপির মুখপাত্র রুহুল কবির রিজভী৷ তিনি দাবি করেন, মুশতাকের মৃত্যুর প্রতিবাদে মানববন্ধনে অংশ নিতে প্রেসক্লাবে তাদের পাঁচ শতাধিক নেতাকর্মী জড়ো হয়েছিলেন৷

সংঘর্ষে কয়েকজন পুলিশ সদস্যও আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে এএফপি৷ এর মধ্যে একজনকে হাসপাতালে নেয়া হয়েছে৷ 

Bangladesch Protest nach Tot von Mushtaq Ahmed

পুলিশের একটি দল প্রেসক্লাবের ভেতরে ঢুকেও লাঠিপেটা করে৷

রোববার সোয়া ১১টা দিকে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে৷ বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সেখানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখতে আসেন৷

তার আগে পুলিশ বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেলকে অনুমতি ছাড়া সমাবেশ করা যাবে না বলে জানিয়ে দেয়৷ এর পরপরই জাতীয় প্রেস ক্লাবের মূল গেইটের বাইরে ফুটপাতে নেতা-কর্মীরা সমবেত হন৷ এসময় পুলিশ তাদের লাঠিপেটা করে৷ ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের কয়েকজন প্রেসক্লাব চত্বর থেকে পুলিশের ওপর ইটপাটকেল ছোড়ে৷ পরে পুলিশের একটি দল প্রেসক্লাবের ভেতরে ঢুকেও তাদের লাঠিপেটা করে এবং কয়েক রাউন্ড কাঁদুনে গ্যাস ছোড়ে৷

দায়িত্ব পালনে থাকা এটিএন বাংলা চ্যানেলের সিনিয়র ক্যামেরাপারসন মামুনসহ কয়েকজন সাংবাদিকও আহত হয়েছেন৷ এছাড়া পুলিশের লাঠিচার্জের ঘটনায় প্রেসক্লাবের পাঁচ-ছয়জন কর্মচারী আহত হন৷

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন এই ঘটনার নিন্দা জানিয়েছেন৷ তিনি জাতীয় প্রেসক্লাবের তৃতীয় তলায় আকরাম খাঁ হলে জিয়া পরিষদের আয়োজিত সমাবেশ অংশ নিতে আসেন৷ মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘‘শাহবাগে আপনারা দেখেছেন কীভাবে সাধারণ ছাত্রদের ওপর পুলিশ হামলা চালিয়েছে৷ আজকে তার প্রতিবাদে প্রেসক্লাবের সামনে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ সমাবেশে পুলিশ রাষ্ট্রের প্রশাসনের নির্দেশে অন্যায়ভাবে মারপিট করবে, এর প্রতিবাদ করা যাবে না- এটা যদি হয় তাহলে তারা কেন বলে এদেশ গণতান্ত্রিক দেশ?’’

এফএস/এডিকে (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম, এএফপি)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়