চুয়াডাঙ্গায় প্রবাসীর স্ত্রীকে হত্যা | সমাজ সংস্কৃতি | DW | 08.09.2021
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

বাংলাদেশ

চুয়াডাঙ্গায় প্রবাসীর স্ত্রীকে হত্যা

দুর্বৃত্তরা চুয়াডাঙ্গায় এক নারীকে গলা কেটে হত্যা করেছে৷ বুধবার সকালে কুয়েত প্রবাসীর স্ত্রীর ক্ষতবিক্ষত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ৷ জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তিনজনকে আটক করা হয়েছে৷

প্রতীকী ছবি

প্রতীকী ছবি

নিহত ৩৮ বছর বয়সি জেসমিন খাতুন চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার নতুন যাদবপুর গ্রামের হাবিবুর রহমানের স্ত্রী৷ হাবিবুর রহমান ১৭ বছর যাবত কুয়েত প্রবাসী, দুই সন্তানের বাবা৷ নিহত জেসমিনের ননদ রাশিদা খাতুন বলেন, মঙ্গলবার রাতে ঘরে জেসমিন একা ছিলেন৷ গভীর রাতে জেসমিনের চিৎকারে রাশিদার ঘুম ভাঙে৷ দ্রুত ঘরে ঢুকে জেসমিনের রক্তাক্ত দেহ পড়ে থাকা অবস্থায় দেখতে পান৷ খবর পেয়ে দ্রুত স্থানীয় সরোজগঞ্জ ফাঁড়ি থেকে একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায়৷

পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক নিখিল চন্দ্র অধিকারী প্রথম আলোকে বলেন, রাত দুইটায় তারা স্থানীয় কুতুবপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলী আহমেদ হাসানুজ্জামানের মাধ্যমে বিষয়টি জানতে পেরে সঙ্গে সঙ্গে তিনি একদল পুলিশ নিয়ে ঘটনাস্থলে যান৷ বাড়িটির মূল ফটক ও ঘরের কলাপসিবল গেট বন্ধ ছিল৷ ওই গৃহবধূর বিবস্ত্র ও রক্তাক্ত দেহ পড়ে থাকতে দেখেন তারা৷ তখনো তার গলায় ছুরি গেঁথে ছিল৷ খবর পেয়ে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে আসেন৷

লাশটি ময়নাতদন্তের জন্য চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে৷ লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরির সময় গলার নিচে ও বাঁ পাশে এবং বাঁ হাত ও ঘাড়ের একাধিক স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্নসহ সারা শরীরে রক্তের ছোপ ছোপ দাগ পাওয়া গেছে৷ এলোপাতাড়ি কোপানো হয়েছে তাকে৷

নিহত জেসমিনের বাবার বাড়ি ঝিনাইদহের হরিণাকুণ্ডু উপজেলার কেসমত ঘোড়াগাছা গ্রামে৷ খবর পেয়ে স্বজনেরা ছুটে আসেন৷ জেসমিনের ভাই আবদুর রউফ বলেন, তার ভগ্নিপতি হাবিবুর রহমান দীর্ঘদিন প্রবাসে থাকায় প্রতিবেশী এক ব্যক্তি জেসমিনকে নানাভাবে উত্যক্ত করতেন বলে তিনি শুনেছেন৷

চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত ওসি আবু জিহাদ ফকরুল আলম খান দৈনিক প্রথম আলোকে বলেন, এলাকাবাসীর তথ্যের ভিত্তিতে তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ৷

এদিকে দৈনিক যুগান্তরে প্রকাশিত প্রতিবেদনে আটক তিনজনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে৷ তারা হলেন, একই গ্রামের মৃত সৌরভ হোসেনের ছেলে হাসান আলী, মৃত বাহার নস্করের ছেলে রহমান ও উসমান মণ্ডলের ছেলে মামুন৷ প্রতিবেদনে পরকীয়া প্রেমের  কারণে জেসমিন খুন হয়ে থাকতে পারেন বলে জানান এলাকাবাসী৷

সদর থানার ওসি আবু জিহাদ খান জানান, লাশ ময়না তদন্তের জন্য সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে৷ প্রকৃত খুনের কারণ উদঘাটন ও খুনি শনাক্তের জন্য পুলিশ কাজ শুরু করেছে পুলিশ৷

এনএস/কেএম (প্রথম আলো, যুগান্তর) 

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়