চুল কেটে, মুখে কালি দিয়ে দিল্লির রাস্তায় ঘোরানো হলো ধর্ষিতাকে | বিশ্ব | DW | 27.01.2022

ডয়চে ভেলের নতুন ওয়েবসাইট ভিজিট করুন

dw.com এর বেটা সংস্করণ ভিজিট করুন৷ আমাদের কাজ এখনো শেষ হয়নি! আপনার মতামত সাইটটিকে আরো সমৃদ্ধ করতে পারে৷

  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

ভারত

চুল কেটে, মুখে কালি দিয়ে দিল্লির রাস্তায় ঘোরানো হলো ধর্ষিতাকে

অপহরণের পর নারীদের উপস্থিতিতে গণধর্ষণ, তারপর প্রকাশ্যে হেনস্তা করা হলো তাকে৷ ভারতের রাজধানী দিল্লিতে ঘটনায় শিউরে উঠেছেন অনেকে৷ প্রশ্ন তুলছেন নারী নিরাপত্তা নিয়ে৷ ঘটনায় জড়িত অভিযোগে চার ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ৷

প্রতীকী ছবি

প্রতীকী ছবি

অপরাধের শিকার ওই নারীকে চুল কেটে, গলায় জুতার মালা পরিয়ে, মুখে কালি মাখিয়ে ঘোরানো হয় ভারতের রাজধানীর রাস্তায়৷ নিগৃহীতাকে হেনস্তা করা হচ্ছে, পাশে রয়েছেন বেশ কয়েকজন নারী, সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে পড়ে সেই ভিডিও৷ দিল্লির কস্তুরবা নগরের এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে৷ প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, ব্যক্তিগত শত্রুতার জেরে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করা হয় ২০ বছরের ওই তরুণীকে৷ এই ঘটনায় টুইটে তীব্র নিন্দা প্রকাশ করেছেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল৷ ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর কাছে দোষীদের শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তিনি৷

ওই তরুণীকে চুল কেটে জুতোর মালা পরিয়ে রাস্তা দিয়ে হাঁটাচ্ছে অভিযুক্তরা৷ শুধু হেনস্তা এবং হাঁটানো নয়, এই ঘটনায় স্থানীয়দের একাংশকে উল্লাস প্রকাশ করতেও দেখা গিয়েছে৷ টুইটারে ঘটনায় তীব্র নিন্দা করে দিল্লি পুলিশের দৃষ্টি আকর্ষণের কথা বলেন নারী কমিশনের চেয়ারপার্সন স্বাতী মালিওয়াল৷দিল্লি পুলিশকে একটি নোটিশও পাঠিয়েছেন তিনি৷

ওই নারী বিবাহিতা, তার একটি সন্তানও রয়েছে৷ প্রতিবেশী এক যুবক, রাস্তায় চলাফেরার সময় তাকে মাঝে মাঝে অনুসরণ করতেন বলে অভিযোগ৷ নভেম্বর মাসে আত্মঘাতী হন ওই যুবক৷ নিগৃহীতার বোন জানান, ওই আত্মহত্যার জন্য তার দিদিকে দায়ী করে যুবকের পরিবার৷ এরপরই অপহরণ করে গণধর্ষণ করা হয় তাকে৷ দিল্লি পুলিশ জানিয়েছে, এই ঘটনাটি অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক৷ পুলিশ চার অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে৷ নিগৃহীতার চিকিৎসা চলছে৷

অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেছে দিল্লির নারী কমিশন৷ ওই নারী ও তার পরিবারের সুরক্ষা চাওয়া হয়েছে৷ নারী কমিশন তার সঙ্গে দেখা করেছে৷ নিগৃহীতা নারী কমিশনকে জানিয়েছেন, প্রথমে তাকে অপহরণ করা হয়েছিল৷ এরপর তিন ব্যক্তি তাকে গণধর্ষণ করেছেন৷ ওই ব্যক্তিরা বেআইনি মদ এবং মাদকের কারবারি, এমন অভিযোগ এনেছেন তিনি৷ বেশ কয়েকজন নারীর উপস্থিতিতে তাকে গণধর্ষণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ৷ এই অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আগেও কোনও মামলা ছিল কি না তা খতিয়ে দেখছে দিল্লি পুলিশ৷ আত্মঘাতী যুবকের পরিবারের অভিযোগের দিকটি নিয়েও তদন্ত শুরু হয়েছে৷

আরকেসি/কেএম (ইন্ডিয়া টু ডে, এনডিটিভি)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়