চুক্তি মানলেও ইরানকে রেহাই দিতে নারাজ ট্রাম্প | বিশ্ব | DW | 19.04.2017
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

ইরান

চুক্তি মানলেও ইরানকে রেহাই দিতে নারাজ ট্রাম্প

ক্ষমতায় আসার আগে ইরানের সঙ্গে আন্তর্জাতিক চুক্তির প্রবল সমালোচনা করেছিলেন ট্রাম্প৷ এবার তাঁরই প্রশাসনকে স্বীকার করতে হলো যে, ইরান চুক্তির শর্ত মেনে চলছে৷ তবে হাল ছাড়তে এখনো নারাজ তিনি৷

বিতর্কিত পরমাণু কর্মসূচির বিপদ এড়াতে ২০১৫ সালে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের ৫ স্থায়ী সদস্য ও জার্মানি ইরানের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর করেছিল৷ লক্ষ্য ছিল, কমপক্ষে ১৫ বছরের মধ্যে ইরান যাতে পরমাণু অস্ত্র তৈরি করতে না পারে৷ তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা এ ক্ষেত্রে অত্যন্ত সক্রিয় ভূমিকা রেখেছিলেন৷ বর্তমান মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নির্বাচনি প্রচারের সময় থেকেই এই বোঝাপড়ার বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিলেন৷ এই চুক্তিকে অ্যামেরিকার জন্য বিপর্যয় হিসেবে বর্ণনা করেছিলেন তিনি৷

এমনকি তথাকথিত ইসলামিক স্টেটের বিরুদ্ধে সংগ্রামে ইরানের গঠনমূলক ভূমিকাও মানতে নারাজ তিনি৷ সে দেশের রাষ্ট্রীয় মদতে সন্ত্রাসবাদ ছড়ানো হচ্ছে বলে ট্রাম্প প্রশাসন অভিযোগ করে চলেছে৷ গত ফেব্রুয়ারি মাসে এক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালানোর পর অ্যামেরিকা ইরানের উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে৷

চুক্তি অনুযায়ী, ইরান তার শর্ত পূরণ করছে কিনা, তা যাচাই করার বিধান রয়েছে৷ মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে প্রতি ৯০ দিন অন্তর কংগ্রেসকে সে বিষয়ে জানাতে হয়৷ ট্রাম্প ক্ষমতায় আসার পর প্রথমবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় স্বীকার করতে বাধ্য হয়েছে যে, ইরান সত্যি এই চুক্তি মান্য করে চলেছে৷ মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী রেক্স টিলারসন এই মর্মে একটি চিঠি লিখেছেন৷

অর্থাৎ পরমাণু চুক্তি সত্যি কাজ করছে, এ বিষয়টি ট্রাম্প প্রশাসনকে স্বীকার করে নিতে হচ্ছে৷ সে ক্ষেত্রে ইরানের উপর ধাপে ধাপে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার কথা৷ কিন্তু সেই পথে যেতেই চাইছেন না ট্রাম্প৷

টিলারসন লিখেছেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের নেতৃত্বে গোটা প্রক্রিয়া নতুন করে খতিয়ে দেখার নির্দেশ দিয়েছেন৷ অ্যামেরিকার জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে ইরানের উপর নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া উচিত কিনা, তা বিশ্লেষণ করা হবে৷ এ ক্ষেত্রে মার্কিন কংগ্রেসকেও শামিল করা হবে৷ এর জন্য কতটা সময় ধার্য করা হয়েছে, টিলারসন সে বিষয়ে কিছু মন্তব্য করেননি৷

এসবি/এসিবি (রয়টার্স, ডিপিএ)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন