‘চীন নতুন যুগে প্রবেশ করছে’ | বিশ্ব | DW | 18.10.2017
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

চীন

‘চীন নতুন যুগে প্রবেশ করছে’

সোমবার চীনের শাসক দল কমিউনিস্ট পার্টির সপ্তাহব্যাপী কংগ্রেস শুরু হয়েছে৷ উদ্বোধনী বক্তব্যে দলের মহাসচিব ও চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং বলেন, চীন ‘নতুন যুগে’ প্রবেশ করছে৷

তিনি বলেন, চীনের ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল৷ তবে চ্যালেঞ্জও অনেক বলে মনে করেন প্রেসিডেন্ট জিনপিং৷ ‘‘দেশে ও দেশের বাইরে অনেক জটিল পরিবর্তন হচ্ছে,'' প্রায় তিন ঘণ্টার বক্তব্যে বলেন তিনি৷ জিনপিং বলেন, ‘‘চীনা বৈশিষ্ট্যের সমাজতন্ত্র নতুন যুগে প্রবেশ করেছে৷''

চীনের অর্থনীতিকে আরও উন্মুক্ত করা হবে বলে জানান তিনি৷ দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স' নীতিরও ঘোষণা দেন৷ তবে দলের দুর্নীতিগ্রস্ত সদস্যদের যে এতদিন বিচার-বহির্ভূতভাবে আটক ও তাঁদের বিরুদ্ধে তদন্ত চালানো হতো তাতে পরিবর্তন আসবে বলে জানান তিনি৷ 

স্ব-শাসিত তাইওয়ানকে হুমকি দিয়ে জিনপিং বলেন, ‘‘তাইওয়ানের স্বাধীনতার দাবিতে যে-কোনো বিচ্ছিন্নতাবাদী উদ্যোগকে দমন করার ক্ষমতা চীনের আছে৷''

উল্লেখ্য, প্রতি পাঁচ বছরে একবার কমিউনিস্ট পার্টির কংগ্রেস অনুষ্ঠিত হয়৷ এবার দলের শীর্ষ পর্যায়ের প্রায় ২,৩০০ সদস্য অংশ নিচ্ছেন৷ বেইজিংয়ের ‘গ্রেট ওয়াল অফ দ্য পিপল'-এ কংগ্রেস অনুষ্ঠিত হচ্ছে৷

কংগ্রেসে দলের শীর্ষ নেতাদের নির্বাচন করা হয়৷ শক্তিশালী ‘পলিটব্যুরো স্ট্যান্ডিং কমিটি'ও গঠন করা হয়৷ প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ও প্রধানমন্ত্রী লি কোচিয়াং নতুন কমিটিতেও ঠাঁই পাবেন বলে ধরে নেয়া হচ্ছে৷ বাকি পাঁচজন পদত্যাগ করতে পারেন৷ কারণ তাঁদের বয়স ৬৮-র বেশি হয়ে গেছে, যা অবসর নেয়ার অনানুষ্ঠানিক বয়স৷

তবে এঁদের মধ্যে ৬৯ বছর বয়সি ওয়াং কিশানকে কমিটিতে রেখে দিতে দলের সদস্যদের প্রতি আহ্বান জানাতে পারেন প্রেসিডেন্ট জিনপিং৷ কারণ, তাঁর সিদ্ধান্তে শুরু হওয়া দুর্নীতি দমন অভিযান পরিচালনার মূল দায়িত্বে আছেন কিশান৷ এই অভিযানের মাধ্যমে প্রেসিডেন্ট জিনপিং দলে তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বীদের দূরে রাখতে সক্ষম হয়েছেন৷ গত পাঁচ বছরে এই অভিযানের মাধ্যমে কমিউনিস্ট পার্টির প্রায় ১৩ লক্ষ সদস্যকে শাস্তি দেয়া হয়েছে বলে জানা গেছে৷

আধুনিক চীনের জনক মাও সেতুং-এর পর চিনপিংকে কমিউনিস্ট পার্টির দলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নেতা মনে করা হচ্ছে৷ সেই প্রভাব কাজে লাগিয়ে তিনি অলিখিত দুই মেয়াদের বেশিও দলের মহাসচিব হিসেবে থেকে যেতে পারেন বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা৷ ২০১২ সালের তিনি প্রথম দলের মহাসচিব নির্বাচিত হন৷

জেডএইচ/এসিবি (এএফপি, রয়টার্স)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন