চীনে ভয়াবহ বন্যা আর ভূমিধসে ১২৭ জনের মৃত্যু | বিশ্ব | DW | 08.08.2010
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

চীনে ভয়াবহ বন্যা আর ভূমিধসে ১২৭ জনের মৃত্যু

ভয়াবহ বন্যা আর ভূমিধস আঘাত হেনেছে চীনের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে৷ এখন পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা ১২৭ জন৷ তবে মৃতের সংখ্যা আরো বাড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে৷ ঘটনাস্থলে ছুটে গেছেন প্রধানমন্ত্রী ওয়েন জিয়াবাও৷

China, Gansu, Landslide, flood, চীন, বন্যা, ভূমিধস, মৃত্যু

উদ্ধার প্রচেষ্টা চালাচ্ছে সেনা সদস্যরা

গানসু প্রদেশের পাহাড়ি অঞ্চলে ভয়াবহ বন্যা এবং ভূমিধসের শিকার হয়েছে কমপক্ষে ৫০ হাজার মানুষ৷ এপর্যন্ত মৃতের সংখ্যা ১২৭ জন৷ আহতের সংখ্যা ৭৬৷ গানান জেলার প্রধান কর্মকর্তা মাও শেঙ্গু'র বরাত দিয়ে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা সিনহুয়া৷ শেঙ্গু জানান, ঝৌকু শহরের প্রায় অর্ধেকটাই পানির নিচে তলিয়ে গেছে৷ কোথাও কোথাও পানির উচ্চতা তিন তলা বাড়ি পর্যন্ত উঠেছে৷ ধসে গেছে কমপক্ষে তিন শ' ঘর-বাড়ি৷ ভেঙ্গে গেছে রাস্তা-ঘাট, সেতু৷ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে টেলিযোগাযোগ, পানি ও বিদ্যুৎ সরবরাহ৷

বাড়ি-গাড়িসহ ময়লা-আবর্জনার সাথে মানুষ ও গবাদিপশু ভাসিয়ে নিয়ে যাচ্ছে বেইলং নদী৷ এপর্যন্ত নিখোঁজ রয়েছে দুই সহস্রাধিক মানুষ৷ বাস্তুহারা হয়েছে বিশ হাজারেরও বেশি৷ উদ্ধার কাজ চালিয়ে যাচ্ছে তিন হাজার সেনা সদস্য এবং শতাধিক চিকিৎসক দল৷ তবে সর্বত্র ঘন কাদা আর পানির তোড়ে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে উদ্ধার কাজ৷ কিছু কিছু জায়গায় রাস্তার উপরে কাদার স্তর জমেছে প্রায় এক মিটার উঁচু৷ উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে ভগ্নস্তূপে আটকে পড়া ৬৮০ জনকে৷

ঝোকু শহর প্রধান ডিমুজিয়াংটেঙ্গ বলেন, ‘‘বেইলং নদীর পানি উপচে শহরকে ভাসিয়ে দিয়েছে৷ ফলে শহরবাসী চরম ক্ষয়ক্ষতির শিকার৷ উদ্ধার কাজে সবচেয়ে বড় বাধা হয়েছে রাস্তায় জমে যাওয়া ঘন কাদার স্তূপ৷ এগুলো এতোটাই পুরু যে, হাঁটা-চলা কিংবা গাড়ি চালানো কোনটিই সম্ভব হচ্ছে না৷'' চীনা প্রেসিডেন্ট হু জিনতাও এবং প্রধানমন্ত্রী ওয়েন জিয়াবাও সাধারণ মানুষের প্রাণ বাঁচাতে উদ্ধারকর্মীদের সর্বোচ্চ চেষ্টা চালানোর নির্দেশ দিয়েছেন৷ রবিবার দুর্গত অঞ্চলে পৌঁছেন প্রধানমন্ত্রী জিয়াবাও৷ শনিবার সন্ধ্যা থেকে শুরু হওয়া ভারি বর্ষণ এখন কিছুটা থেমেছে৷ তবে আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, আগামী মঙ্গল এবং বুধবার আরো বেশি বর্ষণ হতে পারে৷

প্রতিবেদন: হোসাইন আব্দুল হাই

সম্পাদনা: ফাহমিদা সুলতানা

ইন্টারনেট লিংক