চীনের সিদ্ধান্তে ভারত হতাশ | বিশ্ব | DW | 14.03.2019
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

ভারত-চীন

চীনের সিদ্ধান্তে ভারত হতাশ

ভারত-নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরে হামলা চালিয়ে ৪০ আধা-সামরিক সেনাকে হত্যার জন্য দায়ী করা জঙ্গি সংগঠন জৈশ-ই-মোহাম্মদের প্রধানকে সন্ত্রাসী হিসেবে তালিকাভুক্ত করার জাতিসংঘের প্রস্তাব চীনের কারণে পাস না হওয়ায় হতাশ ভারত৷

জাতিসংঘের এই প্রস্তাব পরীক্ষা করে দেখার জন্য চীন আরও সময় চেয়েছে বলে বুধবার জানিয়েছে বার্তা সংস্থা আইএএনএস৷ তবে এর আগেও চীন জৈশ-ই-মোহাম্মদের বিরুদ্ধে আনা একই রকম প্রস্তাব পাসে বাধা দিয়েছে৷

জৈশ-ই-মোহাম্মদের প্রধান মাসুদ আজহারকে সন্ত্রাসী হিসেবে কালো তালিকাভুক্ত করা গেলে তাঁর উপর বিশ্বব্যাপী ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা জারি করা যেত এবং তাঁর সম্পদও বাজেয়াপ্ত করা যেত৷

এদিকে প্রস্তাব পাস না হওয়ায় বৃহস্পতিবার হতাশা প্রকাশ করেছে ভারত৷ এক বিবৃতিতে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ‘‘এ কারণে (চীনের সিদ্ধান্ত) ১৪ ফেব্রুয়ারি জম্মু-কাশ্মীরে সন্ত্রাসী হামলার দায় স্বীকার করা জৈশ-ই-মোহাম্মদের নেতাকে সন্ত্রাসী হিসেবে কালো তালিকাভুক্ত করার আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের উদ্বেগ ভেস্তে গেল৷ আমরা হতাশ৷’’

ঐ সন্ত্রাসী হামলার জন্য দায়ী ব্যক্তিদের বিচারের আওতায় আনতে ভারত সব চেষ্টা চালিয়ে যাবে বলেও বিবৃতিতে জানানো হয়৷

এশিয়া-প্যাসিফিক ইন্সটিটিউট অফ দ্য চাইনিজ অ্যাকাডেমি অফ সোশ্যাল সায়েন্সেস-এর ভারত বিশেষজ্ঞ ড. লিউ শিয়াওশু ডয়চে ভেলেকে বলেন, চীন সবসময় ভারতের কাছে প্রমাণ চেয়েছে, কিন্তু ভারত সেটি দেয়নি৷ ‘‘যখনই কোনো হামলা হয়, ভারত সঙ্গে সঙ্গে এর জন্য মাসুদের সংগঠনকে দায়ী করে৷ কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনো প্রমাণ দেয়নি,’’ বলেন তিনি৷

ড. শিয়াওশু বলেন, জৈশ-ই-মোহাম্মদের পূর্বসূরি সংস্থাকে জাতিসংঘ নিষিদ্ধ করেছিল, পাকিস্তানও তাদের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করেছে৷ পরবর্তীতে নতুন একটি সংগঠন গড়ে উঠেছে৷ ‘‘মাসুদ আজহার আসলে একজন আধ্যাত্মিক নেতা৷ শুরুতে তিনি বিতর্কিত অনেক মন্তব্য করলেও এখন অনেকটা নীরব আছেন,’’ বলেন তিনি৷

এদিকে, ভারতের বিরুদ্ধে চীনের কর্মকাণ্ড নিয়ে কোনো প্রতিক্রিয়া না জানানোয় ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সমালোচনা করেছেন সে দেশের কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী৷ টুইটারে তিনি লিখেছেন, ‘‘দুর্বল মোদী শি-কে ভয় পান৷’’ উল্লেখ্য, শি হচ্ছেন, চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং৷

জেডএইচ/ডিজি (ডিপিএ)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন