1. কন্টেন্টে যান
  2. মূল মেন্যুতে যান
  3. আরো ডয়চে ভেলে সাইটে যান

চীনা ও মার্কিন বাস্কেটবল টিমের মধ্যে হাতাহাতি

১৯ আগস্ট ২০১১

মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন’এর চীন সফরের সময় দুই দেশের দুই বাস্কেটবল টিমের মধ্যে এক অপ্রিয় ঘটনা নিয়ে তোলপাড় কাণ্ড শুরু হয়েছে৷

https://p.dw.com/p/12KAf
২০০৮ সালের বেইজিং অলিম্বিকে চীন ও যুক্তরাষ্ট্র দলের ম্যাচের একটি মুহুর্তছবি: AP

দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের উন্নতির ক্ষেত্রে খেলাধুলা যে অত্যন্ত কার্যকর অস্ত্র হতে পারে, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না৷ ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে যতই উত্তেজনা থাক না কেন, ক্রিকেট ম্যাচকে কেন্দ্র করে বার বার সেই বরফ গলতে দেখা গেছে৷ এমনই আশায় মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন'এর পাঁচ দিনের চীন সফরের সময় এক মার্কিন বাস্কেটবল দলও সেখানে খেলতে গেছে৷ অ্যামেরিকার আর্থিক সংকটের এই দুর্দিনে চীনের সঙ্গে সখ্যতা বাড়াতে বাস্কেটবল কিছুটা হলেও সবার মুখে হাসি ফোটাতে পারবে, এমনটাই আশা করা হচ্ছিল৷

বৃহস্পতিবার রাতে শাংহাই শহরে চীনের ‘বায়ি রকেটস' এবং অ্যামেরিকার ‘জর্জটাউন ইউনিভার্সিটি হইয়াস' দলের মধ্যে এক ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়৷ কিন্তু খেলোয়াড়সুলভ মনোভাবের পরিচয় সেখানে দেখা যায় নি৷ দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি শুরু হয়ে যাওয়ার পর ম্যাচটি ৬৪-৬৪তে বাতিল করতে হয়৷ এসব ক্ষেত্রে চীনের কর্তৃপক্ষ যা করে, তাই ঘটেছে৷ অর্থাৎ অপ্রিয় এই ঘটনা ধামাচাপা দিতে ‘বায়ি রকেটস'এর খেলোয়াড়দের মুখে কুলুপ এঁটে দেওয়া হয়েছে৷ সংবাদ মাধ্যমেও বিষয়টি চেপে দিয়েছে৷ তবে ইউটিউব ও অন্য কিছু ওয়েবসাইটে ম্যাচের কিছু দৃশ্য আপলোড করা হয়েছে৷ তাতে দেখা যাচ্ছে, দুই দলের খেলোয়াড়রা পরস্পরকে কিল, চড়, ঘুসি, লাথি মারছে৷ এমনকি চেয়ার ও প্লাস্টিকের বোতল ছুঁড়তেও বাকি রাখে নি তারা৷

জর্জটাউন দলের প্রধান কোচ জন টম্পসনও ম্যাচের ঘটনা নিয়ে বিস্তারিত কিছু বলেন নি৷ তিনি শুধু বলেছেন, এমন অপ্রিয় ঘটনা ঘটতে দেওয়া ঠিক হয় নি৷ চীনের ‘বেইজিং নিউজ' কয়েকজন পর্যবেক্ষককে উদ্ধৃত করে বলেছে, আসলে অনভিজ্ঞ রেফারিই এই ঘটনার জন্য অনেকটা দায়ী৷ তিনি এতো নরম ছিলেন যে, দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা থামাতে তিনি কিছুই করেন নি৷ এক দিন আগে বেইজিং'এ জর্ডটাউন ‘শানশি ব্রেভ ড্র্যাগন্স' দলকে ৯৮-৮১তে হারিয়েছিল৷ সেই ম্যাচের দর্শক ছিলেন জো বাইডেন৷ ম্যাচটি শান্তিপূর্ণ পরিবেশেই অনুষ্ঠিত হয়৷

প্রতিবেদন: সঞ্জীব বর্মন

সম্পাদনা: দেবারতি গুহ