চাষির সমস্যার সমাধানে  ফসলি অ্যাপ | অন্বেষণ | DW | 12.02.2020
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

অন্বেষণ

চাষির সমস্যার সমাধানে  ফসলি অ্যাপ

ডিজিটাল প্রযুক্তি শুধু নাগরিক জীবনযাত্রায় স্বাচ্ছন্দ্য এনে দিচ্ছে না৷ গ্রামের চাষিরাও হাতেনাতে এর সুফল পাচ্ছেন৷ বাংলাদেশে এমনই কিছু উদ্যোগের ফলে ফসল সংক্রান্ত অনেক সমস্যার সহজ সমাধান পাওয়া যাচ্ছে৷

গত কয়েক দিনে দুশ্চিন্তা মাথায় ঘুম ভাঙছে মিন্টু মোল্লার৷ বরিশাল জেলার এক প্রত্যন্ত গ্রামে থাকেন তিনি৷ নিজের জমি নেই৷ তারপরও বরগা জমিতে চাষবাস করে তাঁর যথেষ্ট আয় হয়৷ মিন্টুর মতো বরিশালের প্রায় আশি হাজার বরগা চাষি সারা বছর ধরে যথেষ্ট পরিমাণ ধান ও শাকসবজি চাষ করেন৷ তবে ইদানিং সবজির খেতে এক অজানা সংক্রমণে কপালে ভাঁজ পড়েছে তাঁর৷

ছোট্ট এই গ্রামে অনেক চাষিই মিন্টুর চেয়ে বেশি সচ্ছল৷ তাঁদের নিজেদের খেত আছে৷ জাকির তাঁদের একজন৷ তিনি স্কুলে পড়াশোনা করেছেন৷ আর তাঁর কাছে একটি স্মার্টফোন আছে৷ মিন্টুও নিজের সমস্যার সুরাহা করতে তাঁর কাছে যান৷ গ্রামটির বেশিরভাগ চাষি এখন মোবাইল অ্যাপের মতো কিছু ডিজিটাল সমাধানসূত্র সম্পর্কে জেনে গেছেন৷

ভিডিও দেখুন 05:54

বাংলাদেশের চাষীদের পাশে ফসলি

মিন্টুর সমস্যা শোনার পর জাকির নিজের ফোনের ‘ফসলি' নামের অ্যাপ দিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত ফসলের ছবি তোলেন৷ সেই ছবির সঙ্গে কিছুটা বর্ণনা লিখে পাঠিয়ে দেন অ্যাপের সার্ভারে৷

এদিকে, প্রায় আড়াইশো কিলোমিটার দূরে ঢাকায় ‘ফসলি' অ্যাপের অফিসে বসে লিনা হাতে পান জাকিরের পাঠানো প্রশ্ন৷ আজ তিনি প্রায় একশোটির মতো প্রশ্ন পেয়েছেন৷

এদিকে, লিনার কাছে পাঠানো চাষিদের সমস্যাগুলোর সমাধান খুঁজে বের করার দায়িত্বে আছেন কয়েকজন কৃষিও  প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ৷ ‘ফসলি' অ্যাপটি এসিআই অ্যাগ্রো নামের স্থানীয় এক কৃষি বাণিজ্য কোম্পানির ডিজিটাল সমাধানসূত্রগুলির একটি৷ এই কোম্পানি চাষিদের জন্য অ্যাপ তৈরি করতে লাখ লাখ টাকা খরচ করেছে৷ চাষিদের বিনামূল্যে পরামর্শও দেয় এই কোম্পানি৷ এর ফলে কোম্পানির অন্যান্য কৃষিপণ্যের বিক্রি নাটকীয় মাত্রায় বেড়ে গেছে৷

চাষিদের এই অ্যাপ সম্পর্কে অবহিত করতে কোম্পানি দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ফিল্ড অফিসার নিযুক্ত করেছে৷ এদিকে মিন্টু দুপুর পর্যন্ত উত্তরের অপেক্ষায় বসে রয়েছেন৷ তিনি দ্রুত সমস্যার সমাধানের আশা করছেন৷ নতুন এই সব ডিজিটাল প্রক্রিয়া তাঁর মতো চাষিদের নিয়তি বদলে দেবে বলে তাঁর আশা৷

যুবায়ের আহমেদ/এসবি

নির্বাচিত প্রতিবেদন

ইন্টারনেট লিংক

বিজ্ঞাপন