চালকের যাবজ্জীবন রায়ে সন্তুষ্ট নয় দিয়ার পরিবার | সমাজ সংস্কৃতি | DW | 01.12.2019
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

বাংলাদেশ

চালকের যাবজ্জীবন রায়ে সন্তুষ্ট নয় দিয়ার পরিবার

গত বছর ঢাকার বিমানবন্দর সড়কে বাসচাপায় দুই স্কুল শিক্ষার্থীর মৃত্যুর ঘটনার রায় দিয়েছে আদালত৷ জাবালে নূর পরিবহনের দুই বাস চালক ও একজন সহকারীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে৷

২০১৮ সালের ২৯ জুলাই ঢাকার বিমানবন্দর সড়কে দুই বাসের রেষারেষিতে পড়ে নিহত হন শহীদ রমিজ উদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট কলেজের ছাত্র আবদুল করিম রাজীব ও ছাত্রী দিয়া খানম মিম৷ সেই দুর্ঘটনার দেড় বছরের মাথায় রোববার ঢাকার মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশ এ মামলার রায় ঘোষণা করেছেন৷

বাংলাদেশে ডয়চে ভেলের কনটেন্ট পার্টনার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম জানিয়েছে, ‘‘দণ্ডবিধির ৩০৪ ধারায় ‘অপরাধজনক নরহত্যার' দায়ে দোষী সাব্যস্ত করে দুই বাস চালক মাসুম বিল্লাহ ও জুবায়ের সুমন এবং হেলপার কাজী আসাদকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ৬ মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়৷ এ ধারায় এটাই সর্বোচ্চ সাজা৷ দণ্ডিত এই তিন আসামির মধ্যে পলাতক কাজী আসাদ বাদে বাকি দুজন রায়ের সময় আদালতে উপস্থিত ছিলেন৷''

তবে খালাস পেয়েছেন একটি বাসের মালিক জাহাঙ্গীর আলম ও হেলপার এনায়েত হোসেন৷  জাবালে নূরের আরেক বাসের মালিক শাহাদাত হোসেনের বিরুদ্ধে মামলার কার্যক্রম উচ্চ আদালতের নির্দেশে স্থগিত রয়েছে৷

এদিকে এই রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন নিহত ছাত্রী দিয়া আক্তার মিমের পরিবার৷ দণ্ডপ্রাপ্ত জাবালে নূরের চালক মাসুম বিল্লাহর ফাঁসির চেয়ে উচ্চ আদালতে যেতে রাষ্ট্রপক্ষের প্রতি দাবি জানিয়েছেন তারা৷ রায়ের পর দিয়ার মামা সেলিম হোসেন বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, ‘‘চালকের ফাঁসি হওয়া উচিত৷ কারণ তার কোন ড্রাইভিং লাইসেন্স ছিল না৷''

তিনি বলেন, ‘‘লাইসেন্স নাই গাড়ির, গাড়ির অন্য কাগজপত্রও নাই৷ সে কারণে তার ফাঁসি দেওয়া উচিত৷ সরকার পক্ষের ফাঁসির আবেদন করা উচিত৷''

উল্লেখ্য, গত বছর এই ঘটনার পর দেশব্যাপী আলোড়ন তৈরি হয়৷ রাজধানীতে নিরাপদ সড়কের দাবিতে আন্দোলনে নামেন শিক্ষার্থীরা৷ এর ধারাবাহিকতায় সড়ক আইন পরিবর্তনের উদ্যোগ নেয় সরকার৷ সম্প্রতি নতুন এই আইন বাস্তবায়ন শুরু করেছে সরকার৷

এফএস/এআই (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন