চার মাসের মধ্যে স্বাভাবিক হবে কাশ্মীর: মোদী | সমাজ সংস্কৃতি | DW | 13.10.2019
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

ভারত

চার মাসের মধ্যে স্বাভাবিক হবে কাশ্মীর: মোদী

আগামী চার মাসের মধ্যে ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী৷ এজন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে বলে জানান তিনি৷

ভারত নিয়ন্ত্রিত জম্মু এবং কাশ্মীরের পরিস্থিতি আগামী চার মাসের মধ্যেই আগের অবস্থায় ফিরে আসবে বলে মনে করেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী৷ রোববার পশ্চিমাঞ্চলের রাজ্য মহারাষ্ট্রে একটি শোভাযাত্রায় অংশ নিয়েছেন তিনি৷ এ সময় মোদী বলেন, ‘‘জম্মু এবং কাশ্মীরে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়েছে৷''

ভারতের একমাত্র এই রাজ্যটিতেই মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠতা রয়েছে৷ গত ৫ আগস্ট বিজেপি সরকারের নেয়া উদ্যোগে সংবিধানে জম্মু ও কাশ্মীরকে দেয়া স্বায়ত্তশাসনের বিশেষ মর্যাদা বাতিল করে রাজ্যসভা৷ এরপর থেকে সেখানে তীব্র প্রতিবাদ-বিক্ষোভ শুরু হয়৷ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিতে সংশ্লিষ্ট অঞ্চলে বিপুল সেনা মোতায়েনের পাশাপাশি মানুষের চলাচলের স্বাধীনতা এবং যোগাযোগ প্রযুক্তির উপর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করে সরকার৷ 

Kaschmir Protest & Unruhen in Srinagar

কাশ্মীরেন বিশেষ মর্যাদা বাতিলের সিদ্ধান্তে বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে সেখানকার মানুষ

তবে সোমবার থেকে বন্ধ মোবাইল সংযোগ পুনরায় চালু শুরু হবে বলে জানানো হয়েছে সরকারের পক্ষ থেকে৷ শোভাযাত্রায় অংশ নিয়ে মোদী বলেন, ‘‘আমি আপনাদের আশ্বস্ত করছি, সেখানে গত ৪০ বছরব্যাপী চলমান যে অস্বাভাবিক পরিবেশ ছিল তা স্বাভাবিক হতে আর চার মাসের বেশি সময় লাগবে না৷''

জম্মু, কাশ্মীর এবং লাদাখ ভারতের জন্য কেবল একখণ্ড জমি নয় বলেও অভিহিত করেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী৷   

উল্লেখ্য, ১৯৪৭ সালে ভারতের অংশ হবার পর থেকেই জম্মু ও কাশ্মীর রাজ্যের জন্য বরাদ্দ ছিল সংবিধানসম্মত ‘বিশেষ মর্যাদা'৷ তবে নতুন আইন অনুযায়ী, জম্মু ও কাশ্মীর ভেঙে দুটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল বা ‘ইউনিয়ন টেরিটোরি' করা হয়েছে, যার একটি লাদাখ অন্যটি জম্মু ও কাশ্মীর৷

দিল্লির দাবি, কাশ্মীরকে ভারতের সাথে পুরোপুরি যুক্ত করার পাশাপাশি হিমালয় অঞ্চলটিতে উন্নয়ন নিশ্চিত করার জন্যই এই পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে৷ তবে স্থানীয়রা এই সিদ্ধান্তকে এখনও মেনে নেয়নি৷ অব্যাহত আছে প্রতিবাদ, বিক্ষোভও৷

এফএস/এআই (রয়টার্স)

নির্বাচিত প্রতিবেদন

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন