চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে অভিযান চললেও থামছে না চাঁদাবাজি
২৬ মে ২০২৬
ইতিমধ্যে তালিকা তৈরি করে অভিযান শুরু হয়েছে বলে ডয়চে ভেলেকে জানান ঢাকা মেট্টোপলিটন পুলিশ ডিএমপির কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমেদ৷
কিন্তু চাঁদাবাজি থেমে নেই৷ চাঁদা না পেয়ে ব্যবসায়ীদের বাড়িতে হামলা হচ্ছে৷ আর যাত্রাপথে এখনও চাঁদা দিতে হচ্ছে বলে জানান এক ট্রাকচালক৷
রাজশাহীর পুঠিয়ার ট্রাকচালক আব্দুল কাদের ডয়চে ভেলেকে বলেন, ‘‘সারা বছরই আমাদের ট্রাক চালাইতে চাঁদা দিতে হয়৷ কখনও রাস্তায় লাঠিয়াল বাহিনী, কখনও পুলিশ, কখনও সরকারি দলের লোকজন আমাদের কাছ থেকে চাঁদা নেয়৷ তবে কোরবানির সময় চাঁদার পরিমাণ একটু বেড়ে যায়৷ অন্যান্য সময় ৩-৪ হাজার টাকা দিয়ে রাজশাহী থেকে ঢাকায় পৌঁছা যায়, কিন্তু কোরবানির সময় যেতে সাত থেকে আট হাজার টাকা লেগে যায়৷ এবারও কোনো ব্যতিক্রম হচ্ছে না, পথের মধ্যে আমাদের নানাভাবে টাকা দিতে হচ্ছে৷ কেউ রশিদ দেয়, কেউ দিচ্ছে না৷’’
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের একটি সূত্র জানিয়েছে, শুধু ঢাকা শহরেই ১,২৫৯ জন সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজের তালিকা তৈরি করা হয়েছে৷ এর মধ্যে ১৪৮ জন অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী রয়েছে৷ এদের অধিকাংশ এখনও গ্রেফতার হয়নি৷
ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘‘সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজদের একটা তালিকা আমরা তৈরি করেছি, সেই তালিকা ধরে অভিযান চালানো হচ্ছে৷ এর বাইরেও যখনই কারো বিরুদ্ধে অভিযোগ আসছে তাকে আইনের আওতায় আনা হচ্ছে৷’’
তিনি বলেন, ‘‘আমরা চাঁদাবাজি বন্ধে নানা ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছি৷ সর্বশেষ আজকেও (সোমবার) আমি গাবতলি গরুর হাট থেকে ফেরার সময় পথের মধ্যে মোহাম্মদপুরে থেমেছি৷ সেখানে আমি নিজে দোকানিদের সঙ্গে কথা বলেছি৷ যদি কোনো অভিযোগ বা খবর আমাদের কাছে আসছে আমরা দ্রুত ব্যবস্থা নিচ্ছি৷ চাঁদাবাজি নিয়ন্ত্রণে আমরা কারওয়ান বাজার ও বছিলায় দুটি পুলিশ ক্যাম্প বসিয়েছি৷’’
চাঁদা না পেয়ে গুলি
বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার উত্তরায় গত শুক্রবার গার্মেন্টস ব্যবসায়ী আবুল কাশেমের বাসা লক্ষ্য করে গুলি করা হয়৷ কাশেমের দাবি, একটি সন্ত্রাসী গ্রুপ তার কাছে চাঁদা দাবি করছে৷ না দেওয়ায় ভয় দেখাতে তারা গুলি করেছে বলে অভিযোগ তার৷
এর আগে গত ১০ মার্চ তার বাড়ি লক্ষ্য করে প্রথম দফা গুলি চালানো হয়েছিল৷ সেই সময় তিনি থানায় মামলা করেছিলেন৷ কিন্তু কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ায় সন্ত্রাসীরা আবারও গুলি করার সাহস পেয়েছে বলে মনে করছেন এ কে এস গ্রুপের মালিক কাশেম৷
গত শুক্রবারের ঘটনা সম্পর্কে উত্তরা পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ খালিদ মনসুর ডয়চে ভেলেকে বলেন, ‘‘হেলমেট পরে মোটরসাইকেলে করে এসে গুলি করেই পালিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা৷ ঘটনাস্থল থেকে তিনটি গুলির খোসা ও আলামত জব্দ করা হয়েছে৷ তবে এ ঘটনায় কেউ হতাহত হননি৷ কেন গুলি করা হয়েছে তদন্ত করে দেখা হচ্ছে৷’’
একইভাবে গত ২০ এপ্রিল রাজধানীর মিরপুরে এ কে এম অ্যাপারেলস নামের এক পোশাক কারখানায় গুলির ঘটনা ঘটে৷ এ ঘটনায় রাজধানীর কাফরুল থানায় একটি মামলা করেন গার্মেন্টস মালিক কামরুল ইসলাম৷ তখন কামরুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেছিলেন, ‘‘হঠাৎ অজ্ঞাতনামা ১২/১৩ জন লোক তার অফিসে জোর করে প্রবেশ করে এক কোটি টাকা চাঁদা দাবি করে৷ চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তারা পকেট থেকে পিস্তল বের করে আমাকে লক্ষ্য করে দুই রাউন্ড গুলি ছোড়ে৷ এর মধ্যে একটি গুলি বাম কান বরাবর পেছনে থাকা ফাইল কেবিনেটের গ্লাসে লাগলে গ্লাস ভেঙে যায়৷ আরেকটি গুলি পেছনের দেওয়ালে লাগে৷ একপর্যায়ে চিৎকারে অফিস ও আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়৷ যাওয়ার আগে আগামী তিন দিনের মধ্যে এক কোটি টাকা চাঁদা না দিলে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে যায়৷’’
চট্টগ্রামে চাঁদা না পেয়ে গত ফেব্রুয়ারিতে ব্যবসায়ীর বাড়ি লক্ষ্য করে মুহুর্মুহু গুলির ঘটনা ঘটে৷ চট্টগ্রামের শীর্ষ ব্যবসায়ী স্মার্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমানের বাড়ি লক্ষ্য করে এই গুলিবর্ষণ হয়৷ চার অস্ত্রধারীর গুলিতে বাড়ির দ্বিতীয় তলায় জানালার কাঁচ ভেঙে যায়৷ এতে কেউ হতাহত না হলেও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে পুরো এলাকায়৷ ব্যবসায়ী মোস্তাফিজুর রহমানের দাবি, ‘‘কোটি টাকা চাঁদা না পেয়ে বিদেশে পলাতক সন্ত্রাসী সাজ্জাদ আলীর অনুসারীরা গুলি ছুড়েছেন৷ এর আগে গত ২ জানুয়ারি আরেক দফা গুলি করেছিলেন সন্ত্রাসীরা৷ সেবারও গুলিতে বাসার জানালার কাচ ভেঙে গিয়েছিল৷ বাসার দরজায়ও গুলি লাগে৷ এরপর থেকে বাসাটি পুলিশের পাহারায় ছিল৷ পুলিশের পাহারার মধ্যেই বাসাটিতে আবারও গুলির ঘটনা ঘটে৷’’
মোস্তাফিজুর রহমান গণমাধ্যমকে বলেন, ‘‘বিদেশে পলাতক সন্ত্রাসী সাজ্জাদ দীর্ঘদিন ধরে চাঁদা দাবি করে আসছে৷ প্রথমে ১০ কোটি টাকা, পরে ৫ কোটি টাকা দাবি করেন সাজ্জাদ৷ চাঁদা না দেওয়ায় গত ২ জানুয়ারিও আমার বাসায় গুলি করা হয়েছিল৷ এরপরও চাঁদা না পেয়ে ২০ দিন আগে হোয়াটসঅ্যাপে একটি বার্তা দেন সাজ্জাদ৷ এতে লেখা হয় ‘ওয়েট অ্যান্ড সি’৷ এখন তো সে আরেকদফা গুলি করল৷’’
কোরবানির ঈদের কারণে উত্তরাঞ্চলের সবচেয়ে বড় পশুর মোকাম রাজশাহী সিটি হাট থেকে প্রতিরাতে সারা দেশে প্রায় ৫শ’ পশুবাহী ট্রাক যাচ্ছে৷ রাজশাহী থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত প্রায় ৫০০ কিলোমিটার মহাসড়কের অন্তত ২০টি পয়েন্টে চাঁদা তোলা হয় বলে ট্রাক চালকেরা অভিযোগ করছেন৷ তাদের অভিযোগ, হাইওয়ে ও থানা পুলিশের কতিপয় সদস্য এবং রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীর নামে চাঁদাবাজি করা হচ্ছে৷ চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে শারীরিক লাঞ্ছনা করা হয় এবং কাগজপত্র পরীক্ষার নামে পুলিশি হয়রানির মুখে পড়তে হয় বলে অভিযোগ তাদের৷ এছাড়া গভীর রাতে ধারালো অস্ত্রের মুখে সর্বস্ব ছিনতাইয়ের মতো ঘটনাও ঘটছে৷
চাঁদাবাজি নিয়ে ব্যবসায়ী নেতার মন্তব্য
আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে দেশে ২০ থেকে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত চাঁদাবাজি বেড়েছে বলে জানিয়েছে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (ডিসিসিআই) সভাপতি তাসকীন আহমেদ৷ তিনি বলেন, শুধু তা-ই নয়, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে সরকারি দপ্তরে একদিনের জন্যও দুর্নীতি কমেনি৷
গত ২৩ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর মতিঝিলে ঢাকা চেম্বার অডিটোরিয়ামে ডিসিসিআই আয়োজিত ‘বিদ্যমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি মোকাবিলায় নতুন সরকারের কাছে ঢাকা চেম্বারের প্রত্যাশা’ বিষয়ক এক সংবাদ সম্মেলনে ডিসিসিআই সভাপতি বলেন, চাঁদাবাজি বন্ধ না হলে ব্যবসা বন্ধ করে দিতে হবে৷ অন্তর্বর্তী সরকারের সময় দেশে চাঁদাবাজি বেড়ে যাওয়ার তথ্য তুলে ধরে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার পতনের আগে যে হারে চাঁদা দিতে হতো, ২০২৪ সালের ৬ আগস্ট থেকে একই হারে চাঁদা দিতে হয়েছে৷ তবে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর দেশে ২০ থেকে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত চাঁদাবাজি বেড়েছে৷
চাঁদাবাজি কারা করছে? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘‘ক্ষমতাসীন দলের লোকজন, পুলিশ ও রাজস্ব কর্মকর্তাসহ অনেকেই চাঁদাবাজি করেন৷ কারা চাঁদাবাজি করছে, সেটা সরকারকে বের করতে হবে৷ যারা চাঁদাবাজি করছে, তারা এসে বলে, আমরা সরকারি দলের লোক৷ যখনই যে সরকার আসে, তখনই বলে আমরা সরকারি দলের লোক, আমাদের চাঁদা দিতে হবে৷ আমাদের এই অনুষ্ঠান আছে, পাড়ার এই চাঁদা দিতে হবে৷ চাঁদাবাজি ও দুর্নীতি আমাদের রক্তে মিশে গেছে৷ চাঁদাবাজি বন্ধ না হলে আমরা ব্যবসা বন্ধ করে চলে যাবো৷ কারখানায় ঢুকতেও চাঁদা দিতে হয়৷ অফিস ও রাস্তায় চাঁদা দিতে হয়৷ চাঁদাবাজি ও দুর্নীতি বন্ধে আমরা নতুন সরকারের কাছ থেকে কড়া বার্তা প্রত্যাশা করছি৷ ব্যবসায়ী মহল চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে৷ জনগণও চাঁদাবাজি চায় না৷ চাঁদাবাজিতে বাধা দিতে গিয়ে গোলাগুলিও হচ্ছে৷ জনগণ চাচ্ছে এই সরকার যেন চাঁদাবাজি বন্ধ করে৷’’
সরকারের ১০০ দিন পর কি পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে? জানতে চাইলে ডিসিসিআই সভাপতি তাসকীন আহমেদ ডয়চে ভেলেকে বলেন, ‘‘এ বিষয়ে এখনই মন্তব্য করার সময় হয়নি৷ আর এক্ষুনি আমি এ নিয়ে মন্তব্য করতে চাচ্ছি না৷’’
চাঁদাবাজি নিয়ে দুই এমপির তর্ক
গত সোমবার রাজধানীর গুলশানের একটি হোটেলে নাগরিক প্ল্যাটফর্ম আয়োজিত ‘জাতীয় বাজেট ২০২৬-২৭: রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি ও নাগরিক প্রত্যাশা’ শীর্ষক প্রাক-বাজেট সংলাপ হয়৷ সেখানে জামায়াত নেতা ও তেজগাঁও-কারওয়ান বাজার এলাকা থেকে নির্বাচিত এমপি সাইফুল আলম খান মিলন বলেন, কারওয়ান বাজারে দৈনিক তিন কোটি টাকার চাঁদাবাজি হয়৷ শুধু মুরগির মার্কেট থেকে মাসে ৬০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করা হয়৷ একই অনুষ্ঠানে থাকা সরকারি দল বিএনপির সংরক্ষিত আসনের এমপি মাহমুদা হাবীবা জামায়াতের এমপির দাবিকে ‘ঢালাও অভিযোগ’ হিসেবে অভিহিত করে তাকে সরাসরি আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান৷
নিজের সংসদীয় এলাকা তেজগাঁও-কারওয়ান বাজারের পরিস্থিতি তুলে ধরে সাইফুল আলম খান বলেন, ‘‘আমি তো আসলে চাঁদাবাজি এরিয়ার এমপি৷ আমাদের কারওয়ান বাজারে দৈনিক প্রায় দুই থেকে তিন কোটি টাকা কালেকশন হয়৷ কারওয়ান বাজারে কয়েকটা পাইকারি মুরগির দোকান আছে, তাদের কাছ থেকে মাসে ৬০ লাখ টাকা চাঁদা নেওয়া হয়৷ কারওয়ান বাজারের চাঁদাবাজি নিয়ে বলতে গেলে একদিন সময় লাগবে৷ এই চাঁদাবাজি যারা করে, ওপরে তারা রাজনৈতিক নেতা, ভেতরে চাঁদাবাজ৷ এটা আগের সরকারের লোকেরা করত, এখন কারা করে তা আর এখানে বলছি না৷’’
জামায়াতের এপির এ বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় বিএনপির সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য মাহমুদা হাবীবা বলেন, ‘‘এমপি সাহেব বলছেন, তার এলাকায় চাঁদাবাজি হচ্ছে এবং সেটা তিনি জানেন না, কারা করছেন৷ এর চেয়ে দুঃখজনক আর কিছু হতে পারে না৷ কারা চাঁদাবাজি করছে তার একটা স্পষ্ট তালিকা তার (জামায়াতের এমপি) কাছে থাকা উচিত এবং এই তালিকা নিয়ে তার আইনের কাছে যাওয়া উচিত৷ টকশোতে বা গোলটেবিলে বসে এ ধরনের আলোচনায় আমরা কথা বলতেই পারি৷ কিন্তু পাঁচটা নাম যখন দিতে পারি না, সেটা তখন ঢালাও বক্তব্য হয়ে যায়৷ আমি জামায়াত এমপির এই দাবি প্রত্যাখ্যান করছি৷’’
জানতে চাইলে সাইফুল আলম খান মিলন ডয়চে ভেলেকে বলেন, ‘‘কারওয়ান বাজারে যে চাঁদাবাজি হয় সেটা সবাই জানে৷ আগে আগের সরকারের লোকজন করত৷ এখন বর্তমান সরকারের লোকজন করে৷ আমি ওই বক্তব্য দেওয়ার পর ফার্মগেইট গিয়েছিলাম৷ ওইখানের ব্যবসায়ীরা আমাকে বলেছে, ভাই আপনি কারওয়ান বাজারের কথা বললেন, কিন্তু আমাদের কথা তো বললেন না৷ বিষয়টি আমি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে বলেছি৷ তিনি এ ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলার পরামর্শ দিয়েছেন৷ আমি দ্রুতই এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলব৷ কারণ এখানকার চাঁদাবাজি বন্ধ করতে হলে সরকারের সিদ্ধান্তের বিষয়৷ ফলে উচ্চ পর্যায় থেকে সিদ্ধান্ত আসতে হবে৷’’
তবে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ইমরান সালেহ প্রিন্স ডয়চে ভেলেকে বলেন, ‘‘কেউ কেউ তো রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের জন্য আমাদের দলের বিরুদ্ধে এই ধরনের অভিযোগ করেন৷ কিন্তু সরকার চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে কঠোর৷ দলের কারও বিরুদ্ধে এই ধরনের অভিযোগ পাওয়া গেলে সঙ্গে সঙ্গে তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হচ্ছে৷ পাশাপাশি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নিজে পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছেন, কারও বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ পাওয়া গেলে সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নিতে৷ এক্ষেত্রে তার দলীয় পরিচয় দেখার প্রয়োজন নেই বলেও জানিয়ে দিয়েছেন৷’’