চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচন এবং আমাদের চলচ্চিত্রের ধারা | আলাপ | DW | 04.02.2022

ডয়চে ভেলের নতুন ওয়েবসাইট ভিজিট করুন

dw.com এর বেটা সংস্করণ ভিজিট করুন৷ আমাদের কাজ এখনো শেষ হয়নি! আপনার মতামত সাইটটিকে আরো সমৃদ্ধ করতে পারে৷

  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

ব্লগ

চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচন এবং আমাদের চলচ্চিত্রের ধারা

বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচনকে কেন্দ্র করে গত কয়েকদিন ধরেই গণমাধ্যমসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা ধরনের অভিযোগ, পাল্টা অভিযোগ, আলোচনা, সমালোচনা চলছে৷

নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক ফলাফল যদিও ঘোষণা হয়ে গিয়েছে, তবুও প্রার্থীদের অনেকেই এখনও এ নিয়ে কথা বলছেন, কথা বলছেন সাধারণ মানুষও৷ শিক্ষক, শিশুসাহিত্যিকসংস্কৃতিকর্মীসব মিলিয়ে বলা চলে এই নির্বাচনকে কেন্দ্র করেই বছরের শুরুতে বেশ সরগরম হয়ে উঠেছিল আমাদের চলচ্চিত্রজগত৷ এখনও তার রেশ কেটে যায়নি৷

জানি না, বছরের অনাগত দিনগুলোতে কেমন যাবে আমাদের চলচ্চিত্র অঙ্গন৷ এমনিতেই কোভিড মহামারির কারণে আমরা চলচ্চিত্র অঙ্গনের অনেক প্রিয় ও শ্রদ্ধাভাজন অভিনয়শিল্পী ও কুশলীদের যেমন হারিয়েছি, তেমনি ব্যাবসার বিচারেও চলচ্চিত্রজগত অন্যান্য শিল্পের মতোই মহামারিসংক্রান্ত ক্ষয়ক্ষতির মুখোমুখি হয়েছে৷ তাছাড়া শিল্পী সমিতির নির্বাচন নিয়ে যত আলোচনাই হোক না কেনো, হলে গিয়ে চলচ্চিত্র দেখার প্রবণতা যে কমে এসেছে, সে তো দিনকে দিন কমতে থাকা সিনেমা হলের সংখ্যার দিকে তাকালেই স্পষ্ট হয়৷ তখন মনের মধ্যে এ প্রশ্নও তৈরি হয়, যাদের শ্রম আর মেধায় এই রূপালি জগতের এই বিশালযজ্ঞ গড়ে উঠেছে, তাদের জীবন কীভাবে চলছে? কেমন তারকারাই তো চলচ্চিত্রের প্রাণ নন৷ রূপালি পর্দায় আমরা যাদের দেখি, তাদের বাইরেও বিশাল এক কর্মীবাহিনীর প্রতিদিনের শ্রমে-ঘামে এই শিল্প গড়ে উঠেছে৷ বিশ্ব্যাপী এই দুর্দিনে কীভাবে চলছে তাঁদের সংসার? শিল্পী সমিতির নির্বাচনের মতো অতো গ্ল্যামার হয়তো এ প্রশ্নটিতে নেই, কিন্তু দিনশেষে তারাই তো সেলুলয়েডটা ফুটিয়ে তোলেন৷

এফডিসির সামনে দিয়ে যখনই যাই, দেখি মানুষের ভিড় সেখানে লেগেই আছে৷ কেবল রূপালি জগতের হাতছানি নয়, এই এফডিসির সঙ্গে বাংলার মানুষের অধিকার আদায়ের ইতিহাসও জড়িত৷ ১৯৫৭ সালের ২৭ মার্চ পূর্ব পাকিস্তান প্রাদেশিক পরিষদের প্রথম অধিবেশনে তৎকালীন শিল্পমন্ত্রী শেখ মুজিবুর রহমান পেশ করেছিলেন The East Pakistan Film Development Corporation Bill 1957. এক্ষেত্রে তাকে সহযোগিতা করেছিলেন বাংলাদেশের প্রথম সবাক চলচ্চিত্রনির্মাতা জনাব আব্দুল জব্বার খান, প্রাদেশিক ফিল্ম বিভাগের প্রধান নাজির আহমেদ, চলচ্চিত্রসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গের মধ্যে জনাব নুরুজ্জামান, ড. আবদুস সাদেক এবং তৎকালীন বাণিজ্য বিষয়ক উপসচিব জনাব আবুল খায়ের প্রমুখ৷ ০৩ এপ্রিল পূর্ব পাকিস্তান চলচ্চিত্র উন্নয়ন কর্পোরেশন প্রতিষ্ঠার আইন পাশ হয়৷ আইন কার্যকর শুরু হয় ১৯৫৭ সালের ১৯ জুন থেকে৷

এই ছোট্ট ইতিহাসটুকু এখানে টুকে রাখলাম এ কারণেই যে, চলচ্চিত্রের সঙ্গে আমাদের জাতীয় জীবনের যে অবিচ্ছেদ্য সম্পর্ক, তা এই প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই সুপ্রতিষ্ঠিত৷ বাংলার মানুষের স্বাধিকার আন্দোলনের সঙ্গে ওতোপ্রতোভাবে সম্পৃক্ত হয়েছিল চলচ্চিত্রশিল্প৷ তৎকালীন চলচ্চিত্রশিল্পী ও কলাকুশলীগণ চলচ্চিত্রকেই বেছে নিয়েছিলেন আন্দোলনের হাতিয়ার হিসেবে৷ আমাদের মুক্তিসংগ্রামে তাঁরা পালন করেছিলেন কিংবদন্তিতুল্য ভূমিকা৷ গত ৩০ জানুয়ারি ছিল প্রবাদপ্রতিম চলচ্চিত্রনির্মাতা ও লেখক শহিদ জহির রায়হানের অন্তর্ধান দিবস৷ ১৯৭২ সালের ৩০ জানুয়ারি তিনি নিখোঁজ হয়েছিলেন মুক্তিযুদ্ধের শেষ রণাঙ্গন মিরপুর থেকে৷ তাঁরই নির্মিত জীবন থেকে নেয়া  ও স্টপ জেনোসাইড  আমাদের মুক্তিসংগ্রামের এক অনন্য দলিল৷ আমাদের চলচ্চিত্র ও চলচ্চিত্রের শিল্পীকুশলীবৃন্দ কীভাবে আমাদের মুক্তিসংগ্রামে ভূমিকা রেখেছিলেন, সে সময়ের চলচ্চিত্র আন্দোলন ও শিল্পের ইতিহাসবেত্তারা তা লিখে গেছেন৷ তাই অন্তত বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে বলা যায়, চলচ্চিত্রশিল্প এদেশের জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ৷ এফডিসি তারই অন্যতম প্রধান অংশ৷

স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপনে পঞ্চাশ বছরে বাংলাদেশের নানা অর্জন সম্ভাবনা নিয়ে আমরা আলোচনা করেছি৷ আমাদের চলচ্চিত্রশিল্পও সেখানে বাদ যায়নি৷ বলাই বাহুল্য, পঁচাত্তর পরবর্তী সময় থেকে যেভাবে বাংলাদেশে রাজনীতিতে সাম্প্রদায়িকতার চর্চা হয়েছে, সংস্কৃতি অঙ্গনেও তার কালো ছায়া পড়েছে৷ বাংলার লোকসংস্কৃতির সঙ্গে চলচ্চিত্রের মতো বাণিজ্যধারার শিল্পমাধ্যমেও এই অপরাজনীতির প্রভাব পড়েছে৷ বাণিজ্যধারা কথাটি আমি সচেতনভাবেই ব্যবহার করেছি৷ ব্যাবসাসফল ছবি বলতে আমরা যা বুঝি, সত্তর আশির দশকেও সে চলচ্চিত্রগুলো আমাদের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক চিন্তাকে স্পর্শ করতে পেরেছিল৷ এবং একই সঙ্গে সমাজচেতনার গুরুত্বপূর্ণ ভাষ্য হিসেবে বিকল্পধারার যে চলচ্চিত্রস্রোত স্বাধীন বাংলাদেশে বিকশিত হয়েছিল ফিল্ম সোসাইটিগুলোর হাত ধরে, তাদেরও গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ছিল৷ কিন্তু একটা সময় আমাদের চলচ্চিত্রশিল্পের ওপর যখন নেমে এলো রাজনৈতিক খড়গ, তখন চলচ্চিত্র কেবলই ব্যাবসার উপাদান হয়ে উঠল৷ কেবল অর্থের চিন্তা করে যে একটি শিল্পকে টিকিয়ে রাখা যায় না, আমার ধারণা বাংলাদেশের চলচ্চিত্রশিল্পের দিকে তাকালে, সেটা স্পষ্ট হয়ে ওঠে৷ আজ আমাদের চলচ্চিত্র অনেকটাই যেন বিচ্ছিন্ন দ্বীপের মতোন৷ এক সময় যে শিল্পটি আমাদের যূথবদ্ধ করেছিল, আজ যেন সে নিজেই একা হয়ে পড়েছে৷ একটু তলিয়ে দেখলে এর কারণগুলোও আমরা স্পষ্ট দেখতে পাই৷

এই দেখার শুরুটা হতে পারে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সাম্প্রতিক নির্বাচন থেকে৷ এই অঞ্চলে বাংলা চলচ্চিত্রের একেবারে শুরু থেকেই সংগঠনকেন্দ্রীক চর্চা ছিল৷ যেহেতু আমাদের চলচ্চিত্রের সঙ্গে আমাদের জনসাধারণের অধিকার আদায়ের সংগ্রামও জড়িত ছিল, তাই প্রযোজক, পরিচালক, শিল্পী, কুশলী, পরিবেশক বা প্রদর্শকরা তাদের পেশাগত স্বার্থেই গড়ে তুলেছিলেন নানা ধরনের সংগঠন৷ এই সংগঠনগুলো আমাদের চলচ্চিত্রের অগ্রযাত্রায় নিঃসন্দেহে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে৷ ভারতীয় উপমহাদেশে ১৯৩২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ‘ভারত চলচ্চিত্র সমিতি'৷ ১৯৩৮ সালে কলকাতায় প্রতিষ্ঠিত হয় চিত্র ব্যবসায়ীদের সংগঠন ‘বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সমিতি'৷ ১৯৩৯ সালে কলকাতায় প্রতিষ্ঠিত হয় আরেকটি সংগঠন নিখিল বঙ্গ চলচ্চিত্র সংঘ৷ ১৯৪০ সালে কলকাতায় প্রতিষ্ঠিত হয় চলচ্চিত্র সাংবাদিকদের সংগঠন বাংলা চলচ্চিত্র সাংবাদিক সমিতি (বিএফজেএ)৷ এ সমিতির মাধ্যমে ১৯৪১ সালে প্রথম চলচ্চিত্র পুরস্কার প্রথা চালু হয়৷ ১৯৪৭ সালে দেশ বিভাগের পর পূর্ববঙ্গের রাজধানী ঢাকায় চিত্র পরিবেশক ও প্রদর্শকগণ গঠন করেন পূর্ব পাকিস্তান চলচ্চিত্র সমিতি৷ ১৯৫২ সালে পূর্ববঙ্গ চলচ্চিত্র সমিতি নামে আরেকটি সংগঠনের জন্ম হয়৷ এসব সমিতি গঠনের নেতৃত্ব দেন মির্জা আবদুল কাদের সর্দার, ইফতেখারুল আলম, ক্যাপ্টেন জায়েদী, আবু নাসের আহমেদ, লবিউদ্দীন সিদ্দিকী, আবরার সিদ্দিকী, এহতেশাম, ফজলে লোহানী প্রমুখ৷ চিত্র পরিচালকদের প্রথম সংগঠন চিত্র পরিচালক পরিষদ বিশ শতকের ষাটের দশকের মাঝামাঝি সময়ে জহির রায়হানের নেতৃত্বে গঠিত হয়৷ ১৯৮১ সালে গঠিত হয় বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতি৷ চলচ্চিত্র সাংবাদিকদের সংগঠন পাকিস্তান চলচ্চিত্র সাংবাদিক সমিতি ১৯৬৮ সালে ঢাকায় প্রতিষ্ঠিত হয়৷ ১৯৭৩-৭৪ সালে সমিতি পুনরুজ্জীবিত হয় বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সাংবাদিক সমিতি নামে৷ শিল্পী, কলাকুশলী ও চলচ্চিত্রসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নানাবিধ দাবি-দাওয়া ও জাতীয় আন্দোলনের ক্ষেত্রেও এই সংগঠনগুলো কার্যকর ভূমিকা পালন করে এসেছে৷

সঙ্গীতা ইমাম, সংস্কৃতিকর্মী

সঙ্গীতা ইমাম, সংস্কৃতিকর্মী

কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে সময়ের সঙ্গে এই সংগঠনগুলো কি আজও তাদের প্রতিষ্ঠাকালীন সেই দায়বদ্ধতা ধরে রাখতে পেরেছে? কেবল চলচ্চিত্রসংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলোর বেলাতেই নয়, হয়তো আরও নানা ধরনের সংগঠনের ক্ষেত্রেও এই প্রশ্নটি প্রাসঙ্গিক৷ কিন্তু চলচ্চিত্র যেহেতু বড়ো ক্যানভাসে একটি বৃহৎ জনগোষ্ঠীর চাওয়া-পাওয়াকে তুলে আনতে পারে, তাই এর আঙ্গিকগুলোই আমাদের চোখে পড়ে বেশি৷ এই যে বাংলাদেশে গত প্রায় দেড় দশক ধরে সিনেমা হলগুলোর সংখ্যা কমে আসছে, এ বিষয়ে আমাদের শিল্পী সমিতি কী ধরনের উদ্যোগ নিয়েছেন, সেটা আমার জানা নেই৷ অথচ চলচ্চিত্র শিল্প বিকাশে এ এক প্রধান অন্তরায়৷ যদি সিনেমা হল না থাকে, তবে সিনেমা টিকে থাকবে কদিন? তাছাড়া সময়ের সঙ্গে আমাদের চলচ্চিত্র সংক্রান্ত আইন ও বিধিমালাগুলোরও যে পরিবর্তন প্রয়োজন, সে বিষয়েও কি আমরা তাদের খুব বেশি সরব হতে দেখি? বাংলাদেশে দীর্ঘদিন ধরে ফিল্ম সোসাইটিগুলো যে আন্দোলন করে আসছে তার সঙ্গে চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতিসহ এফডিসিকেন্দ্রীক সংগঠনগুলোকে খুব বেশি সম্পৃক্ত হতে দেখা যায় না৷ অথচ চলচ্চিত্র একটি যূথবদ্ধ মাধ্যম৷ এ কারণেই শুরুতে বলেছিলাম, চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সাম্প্রতিক নির্বাচন নিয়ে যতটা আলোচনা হয়েছে, ততটাই আলোচনা হওয়া উচিৎ এই সমিতির ভূমিকাকে কার্যকর করার বিষয়ে৷ কেবল বছর ঘুরে নির্বাচনকে ঘিরেই যদি এফডিসি সরগরম হয়ে ওঠে, তবে তো বলতেই হয় এফডিসি তার নিজের ভূমিকাতে স্থির নেই৷

এফডিসির প্রসঙ্গটি যখন এলোই, তখন বলে রাখা ভালো, অনেক প্রথিতযশা চলচ্চিত্রনির্মাতাকে দেখেছি তারা এফডিসি নিয়ে আক্ষেপ প্রকাশ করে থাকেন৷ আক্ষেপ এফডিসির সক্ষমতা নিয়ে নয়, প্রতিষ্ঠানটিকে আমরা কার্যকরভাবে ব্যবহার করতে পারছি না- এই ছিল তাদের আক্ষেপ৷ এফডিসির নানা অব্যবস্থাপনার সংবাদ এই নির্বাচনকেন্দ্রিক নানা খবরের সঙ্গে উঠে এসেছে৷ উঠে এসেছে বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দের নানা অভিযোগের কথা৷ এ বিষয়গুলোর আশু সমাধান হওয়া জরুরি৷ কেননা, এফডিসি আমাদের চলচ্চিত্রের প্রাণকেন্দ্র৷ নতুন প্রজন্মের যারা চলচ্চিত্র নির্মাণ বা তার নানাবিধ প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত হচ্ছেন, তারা যেন এফডিসিকে চলচ্চিত্রবান্ধব হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন- সে দিকে নজর দিতে হবে বর্তমান নেতৃত্বকেই৷

বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে একেবারেই কিছু হচ্ছে না ইত্যাদি হতাশাব্যঞ্জক কথা যারা বলেন, আমি সবিনয়ে তাদের সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করি৷ গত কয়েক বছরে উল্লেখ করার মতো চলচ্চিত্র নির্মিত হয়েছে আমাদের৷ কেবল দেশেই নয়, বিদেশের মাটিতেও এ চলচ্চিত্রগুলো প্রশংসা কুড়িয়েছে সমালোচক ও দর্শকশ্রেণির৷ সেই সঙ্গে ওটিটি প্লাটফর্মের জয়জয়কারও বাংলাদেশের চলচ্চিত্র শিল্পের ক্ষেত্রে একটি নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে৷ সুতরাং নিঃসন্দেহে বলা চলে, আমাদের চলচ্চিত্র শিল্পের সামনে একটি সম্ভাবনাময় উজ্জ্বল পথ আছে৷ সেই পথে আসছে দিনের নির্মাতাশিল্পীদের সঙ্গে চলচ্চিত্রকেন্দ্রিক এই সংগঠনগুলো কীভাবে পথ চলবে, তা নিয়ে তাদের কর্ম-পরিকল্পনা থাকবে বলেই আমি মনে করি৷ কেবল বছর বছর নির্বাচনকে ঘিরে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে না থেকে তারা যদি তাদের কাজের মাধ্যমে আরও বেশি সক্রিয় হয়ে উঠতে পারেন, তবে এই সংগঠনগুলোর নেতৃত্বের বিকাশেও আসবে নতুন মাত্রা৷

সংশ্লিষ্ট বিষয়