চরম স্বাস্থ্য ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে চামড়া শিল্পের শ্রমিকরা | বিশ্ব | DW | 12.10.2012
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

বিশ্ব

চরম স্বাস্থ্য ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে চামড়া শিল্পের শ্রমিকরা

বাংলাদেশে চামড়া শিল্পে কম মজুরিতে নিয়োগ করা হচ্ছে শিশুদের৷ যা আরো ভয়াবহ৷ শুধু তাই নয়, এই শিল্পের রাসায়নিক বর্জ্য বুড়িগঙ্গা নদীর পানি চরমভাবে দূষিত করছে৷ আর রাজধানী ঢাকার বাসিন্দাদের ফেলছে হুমকির মুখে৷

বাংলাদেশের চামড়া শিল্পের ৯০ ভাগই ঢাকার জনবহুল এলাকা হাজারিবাগে৷ হিউম্যান রাইটস ওয়াচ'এর সাম্প্রতিক এক গবেষণায় বলা হয়েছে যে, এই শিল্পে কর্মরত শ্রমিকরা নানা ধরণের স্বাস্থ্য ঝুঁকির মধ্যে রয়েছেন৷ বিশেষ করে শিশুরা যারা এই শিল্পে কাজ করে, তাদের অবস্থা খুবই খারাপ৷ কারখানায় ব্যবহৃত সালফিউরিক অ্যাসিড, ক্রোমিয়াম, সীসা স্বাস্থ্যের জন্য খুবই ক্ষতিকর৷ এসব কারখানায় নেই কোনো বর্জ্য শোধনের ব্যবস্থা৷ নেই ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট৷ বাংলাদেশ জাতীয় পরিবেশ আইনজীবী সমিতির প্রধান নির্বাহী সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান ডয়চে ভেলেকে জানান, প্রতিদিন ২২ হাজার লিটার রাসানিক বর্জ্য নির্গত হয় হাজারিবাগের চামড়া কারখানা থেকে৷ যা পরিবেশের ক্ষতি করছে৷ ক্ষতি করছে জনস্বাস্থ্যের৷ আর কারখানায় কর্মরত শ্রমিকদের নেই কোনো প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা৷ ফলে তারা ক্যান্সানসহ নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছে৷

পরিবেশ আইনজীবী সমিতির আবেদনে আদালত ২০০৫ সালে হাজারিবাগের চামড়া কারখানা ঢাকার বাইরে সরিয়ে নেয়ার আদেশ দেয়৷ কিন্তু বার বার সময় চেয়েও এখনো এ ব্যাপারে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেয়া হয়নি৷ তবে শিল্পমন্ত্রী দিলিপ বড়ুয়া বলেছেন, ২০১৩ সালে হাজারিবাগের চামড়া কারখানা ঢাকার বাইরে সরিয়ে নেয়ার পরিকল্পনা আছে তাঁদের৷ জবাবে পরিবেশ আইনজীবী সমিতির সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, এই দীর্ঘসূত্রিতার জন্য আসলে সরকারই দায়ী৷

বাংলাদেশ প্রতিবছর ৪৬০ মিলিয়ন টাকার চামড়া এবং চামড়াজাত পণ্য রপ্তানি করে উন্নত বিশ্বে৷ কিন্তু এখানে চামড়া শিল্পে পরিবেশ আইন এবং শ্রমিকদের অধিকার কোনোভাবেই প্রতিষ্ঠা করা যাচ্ছেনা৷ যা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসানকে হতাশ করে৷

প্রতিবেদন: হারুন উর রশীদ স্বপন, ঢাকা

সম্পাদনা: দেবারতি গুহ

নির্বাচিত প্রতিবেদন

বিজ্ঞাপন