চট্টগ্রামে জিতে দ্বিতীয় স্থানে বাংলাদেশ | বিষয় | DW | 25.01.2021
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

ক্রিকেট

চট্টগ্রামে জিতে দ্বিতীয় স্থানে বাংলাদেশ

দশ মাস পর ক্রিকেটে ফিরে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে একদিনের সিরিজ জয় করলো বাংলাদেশ৷ করোনার কারণ দেখিয়ে কয়েকজন তারকা ক্রিকেটার বাংলাদেশ সফরে না যাওয়ায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ দল দুর্বল হয়ে পড়েছিল৷

তারপরও দলটা ওয়েস্ট ইন্ডিজ বলে কিছুটা প্রতিদ্বন্দ্বিতার আশা করেছিলেন ক্রিকেটপ্রেমিরা৷ কিন্তু তিন ম্যাচের কোনোটিতেই বেশিরভাগ সময় মনে হয়নি খেলাগুলো প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক হচ্ছে৷

ঢাকায় সিরিজের প্রথম দুই ম্যাচ জিতে সিরিজ জয় নিশ্চিত করে ফেলেছিল বাংলাদেশ৷ চট্টগ্রামে তৃতীয় ম্যাচ জিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে বাংলাওয়াশ করবেন টাইগাররা সেটা অনেকেই অনুমান করেছিলেন৷ ওয়েস্ট ইন্ডিজের ক্রিকেটাররাও বোধ হয় তেমন ফল আশা করেই খেলতে নেমেছিলেন৷ তাইতো বাংলাদেশের ২৯৭ রানের জবাবে ব্যাট করতে নামা ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেটারদের দেখে কখনোই মনে হয়নি, তারা জেতার জন্য খেলছেন৷ ফলে ৪৪.২ ওভার খেলেও মাত্র ১৭৭ রান তুলতে সমর্থ হন তারা৷ বাংলাদেশ জিতে যায় ১২০ রানে৷

সিরিজে তিন ম্যাচের কোনোটিতেই ওয়েস্ট ইন্ডিজের কোনো ব্যাটসম্যান অর্ধশত রান করতে পারেননি৷

বাংলাদেশের বোলারদের মধ্যে সাইফউদ্দিন সর্বোচ্চ তিন উইকেট নিয়েছেন৷ আর মুস্তাফিজ ও মিরাজ নিয়েছেন দুটি করে উইকেট৷

ইনজুরির কারণে ৪.৫ ওভার বল করে মাঠ ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন সাকিব৷ আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি প্রথম টেস্ট শুরুর আগে তিনি সুস্থ হয়ে ওঠেন কিনা, সেটাই এখন দেখার বিষয়৷

দুর্বল প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে জিতে বিশ্বকাপ সুপার লিগের জন্য ৩০ পয়েন্ট পেলো টাইগাররা৷ ফলে পয়েন্ট তালিকায় এখন অস্ট্রেলিয়ার পরেই বাংলাদেশ অবস্থান করছে৷ বিশ্বকাপ সুপার লিগকে ২০২৩ সালে ভারতে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া বিশ্বকাপের বাছাইপর্ব হিসেবে দেখা হচ্ছে৷

চার পাণ্ডবে সর্বোচ্চ ২৯৭ রান

মাশরাফি দলে সুযোগ না পাওয়ায় সিরিজে বাংলাদেশ দলে ‘পঞ্চপাণ্ডব' নেই৷ আছেন চার পাণ্ডব৷ তাদের উপর ভর করেই টাইগাররা চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ স্টেডিয়ামে ওয়ানডেতে দলের সর্বোচ্চ ২৯৭ রান (ছয় উইকেটে) সংগ্রহ করে৷

সিরিজের প্রথম দুই ম্যাচে পরে ব্যাট করায় বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের ব্যাটিং নৈপূণ্য কতখানি, তা দেখার সুযোগ ছিল না৷ তৃতীয় ম্যাচে টসে জিতে সেই সুযোগ করে দিয়েছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের অধিনায়ক৷

চার পাণ্ডবই অর্ধশত রান করেছেন৷ মজার ব্যাপার হচ্ছে, তামিম, মুশফিক আর মাহমুদুল্লাহ তিনজনই ৬৪ করে রান করেছেন৷ এদের মধ্যে মাহমুদুল্লাহ সবচেয়ে কম ৪৩ বলে এই রান করেন৷ তিনটি করে ছয় আর চার পিটিয়েছেন অপরাজিত থাকা মাহমুদুল্লাহ৷ এছাড়া মুশফিকের ৬৪ রান করতে লেগেছে ৫৫ বল৷ আর তামিম খেলেছেন ৮০টি বল৷ সাকিব ৮১ বলে ৫১ করেছেন৷

শেষ ১০ ওভারে বাংলাদেশে ১০০ রান তুলেছে৷ ওয়েস্ট ইন্ডিজের অভিষিক্ত বোলার কিওন হার্ডিং ১০ ওভারে ৮৮ রান দিয়ে কোনো উইকেট পাননি৷ ফলে অভিষেকে ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে সবচেয়ে খরুচে বোলিং ফিগার এখন এই পেসারের৷

নাজমুল হোসেন শান্তকে তিনে ব্যাটিং করার সুযোগ দিতে সাকিবকে চারে নামানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন কোট রাসেল ডমিঙ্গো৷ তবে খুব একটা ভালো করতে পারেননি শান্ত৷ তিন ম্যাচের প্রথমটিতে ৯ বলে এক রান করেছিলেন৷ পরের ম্যাচে করেছেন ২৬ বলে ১৭ রান, আর আজ ৩০ বলে ২০ রান৷

ম্যান অব দ্য ম্যাচ হয়েছেন মুশফিকুর রহিম আর ম্যান অব দ্য সিরিজ সাকিব আল হাসান৷

ওয়ানডে সিরিজ শেষের পর এবার শুরু হবে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ৷ প্রথমটি ৩-৭ ফেব্রুয়ারি ‍চট্টগ্রামে৷ পরেরটি হবে ঢাকায়৷ ১১-১৫ ফেব্রুয়ারি৷

জেডএইচ/এসিবি (ইএসপিএন ক্রিকইনফো)

সংশ্লিষ্ট বিষয়