গ্রিসে দেশব্যাপী ধর্মঘট শুরু | বিশ্ব | DW | 24.02.2010
  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages

বিশ্ব

গ্রিসে দেশব্যাপী ধর্মঘট শুরু

গ্রিসের শ্রমিক সংগঠনগুলো অবশেষে সরকারকে নিজেদের শক্তি দেখাতে লাগলো৷ বুধবার সেখানে শুরু হয়েছে দেশব্যাপী ধর্মঘট৷ ব্যাপক বাজেট ঘাটতি কাটিয়ে তুলতে সরকারের নানা উদ্যোগকে নির্মম আখ্যা দিয়ে প্রতিবাদে মুখর শ্রমিকরা৷

default

বুধবার গ্রিসের বিমানবন্দরে আবারো দেখা যেতে পারে এমন দৃশ্য (ফাইল ফটো)

শ্রমিকদের দাবি, বাজেট ঘাটতি কাটাতে শ্রমিকদের বেতনের সঙ্গের আনুষঙ্গিক অর্থ কমানো কিংবা বাড়তি কর আদায় করা যাবেনা৷ আর এই দাবিতে সামিল হয়েছে গ্রিসের সরকারি এবং বেসরকারি শ্রমিকদের সংগঠনগুলোর পঁচিশ লাখ সদস্য৷

গত অক্টোবর গ্রিসে মধ্য বাম সরকারের ক্ষমতা গ্রহণের পর এটাই সবচেয়ে বড় জাতীয় ধর্মঘট৷ জানা গেছে, ধর্মঘটের সময় গ্রিসের অভ্যন্তরীণ এবং বর্হিগামী সকল উড়াল বন্ধ থাকবে৷ থমকে থাকবে ট্রেন এবং ফেরি যোগাযোগও৷

বুধবার এথেন্সে পাবলিক ট্রান্সপোর্ট ছাড়াই চলবে কয়েক মিলিয়ন সাধারণ মানুষ৷ সরকারি স্কুল, কর কার্যালয় এবং পৌর অফিসগুলোও বন্ধ থাকবে বলে প্রকাশ৷ তবে, সরকারি হাসপাতাল এবং জরুরি প্রয়োজনীয় কার্যক্রম ধর্মঘটের আওতামুক্ত থাকবে৷

এদিকে, গ্রিসের সাংবাদিকরাও ২৪ ঘন্টার ধর্মঘটে অংশ নিচ্ছেন৷ এছাড়া এদিন এথেন্সে দুটি বড় প্রতিবাদ সমাবেশও করা হবে বলে জানাচ্ছে সংবাদ সংস্থাগুলো৷

উল্লেখ্য, বছরের পর বছর ধরে ভুল তথ্য-পরিসংখ্যান দেখিয়ে গ্রিস তার বাজেটের মারাত্মক ঘাটতির প্রকৃত মাত্রা গোপন রাখতে সক্ষম হয়েছিল৷ কিন্তু কিছুদিন আগে প্রকৃত সত্য ফাঁস হয়ে যায় এবং দেখা যায় গ্রিসের বাজেট ঘাটতির মাত্রা প্রায় ১৩ শতাংশ৷ ফলে টনক নড়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নের৷ আর তাই ইইউ অর্থমন্ত্রীরা গ্রিসের উপর নতুন করে চাপ সৃষ্টি করতে বেশ কিছু পদক্ষেপের ঘোষণা করে৷

এসব পদক্ষেপের মধ্যে রয়েছে, গ্রিস ইতিমধ্যেই ব্যয় সঙ্কোচের যে কর্মসূচি গ্রহণ করেছে, সেদেশকে তার থেকেও বেশী মাত্রায় ব্যয় কমাতে হবে৷ আগামী ৪ সপ্তাহের মধ্যে গ্রিসকে বাড়তি পদক্ষেপের ঘোষণা করতে হবে৷ সরকারি কোষাগারের আয়া বাড়াতে পণ্য ও পরিষেবার উপর প্রদত্ত কর বা ভ্যাট-এর হার বাড়ানোর জন্যও গ্রিসের উপর চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে৷ চলতি বছরের মধ্যেই বাজেট ঘাটতির বর্তমান মাত্রা কমপক্ষে ৪ শতাংশ কমানোর লক্ষ্যমাত্রাও স্থির করা হয়েছে৷ এই সব পদক্ষেপের মাধ্যমে ২০১২ সালের মধ্যে গ্রিসের আর্থিক অবস্থা আবার স্বাভাবিক হয়ে উঠবে বলে আশা করা হচ্ছে৷

কিন্তু বাঁধ সেধেছে গ্রিসের শ্রমিক সংগঠনগুলো৷ তাদের দাবি, এসব কিছু করতে হবে শ্রমিকদের সুযোগ সুবিধা অক্ষুন্ন রেখে৷ আর তাই, ইইউ প্রতিনিধিদের গ্রিস সফরের দিনেই এই ধর্মঘট৷

প্রতিবেদক: আরাফাতুল ইসলাম

সম্পাদনা: সুপ্রিয় বন্দোপাধ্যায়

সংশ্লিষ্ট বিষয়

বিজ্ঞাপন