গ্রিসের শরণার্থী শিবিরে আবার আগুন | বিশ্ব | DW | 10.09.2020

ডয়চে ভেলের নতুন ওয়েবসাইট ভিজিট করুন

dw.com এর বেটা সংস্করণ ভিজিট করুন৷ আমাদের কাজ এখনো শেষ হয়নি! আপনার মতামত সাইটটিকে আরো সমৃদ্ধ করতে পারে৷

  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

গ্রিস

গ্রিসের শরণার্থী শিবিরে আবার আগুন

গ্রিসের শরণার্থী শিবিরে নতুন করে আগুন লেগেছে। ছাই হয়ে গেছে আরও কয়েকটি শিবির। সমালোচকদের মতে, ইইউ-র শরণার্থী নীতি বদল করা উচিত।

বুধবার রাতে নতুন করে আগুন লাগে গ্রিসের শরণার্থী শিবিরে। মঙ্গলবার রাতের আগুনে অনেকগুলি শিবির পুড়ে গেছিল। উদ্বাস্তুরা পালিয়েছিলেন। এ বার বাকি শিবিরগুলিও পুড়ে গেল।

আগুন লাগার কারণ খুঁজে বের করতে তদন্ত শুরু হয়েছে। স্থানীয় মিডিয়ার রিপোর্ট ছিল, শরণার্থীরাই শিবিরে আগুন লাগিয়েছেন। কারণ, লকডাউনের কড়াকড়ি নিয়ে তাঁরা অত্যন্ত অখুশি ছিলেন। একজন শরণার্থীর করোনা হওয়ার পর এই শিবিরগুলিতে কঠোরভাবে লকডাউন চালু করা হয়েছিল। আগুন লাগার পর সরকার যে তদন্ত শুরু করেছে, তাতে শরণার্থীরাও সন্দেহের বাইরে থাকছেন না। তাঁরাই আগুন লাগিয়েছেন কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

গ্রিসের অভিবাসন মন্ত্রীও আগুন লাগানোর তত্ত্বে বিশ্বাসী। তিনি বলেছেন, আগুন লাগার কারণ এখনও জানা যায়নি। তবে এ কথা মানতেই হয় যে, শরণার্থীদের কোয়ারেন্টিন করার পরই আগুন লাগল। তিনি জানিয়েছেন, মঙ্গলবার যে বেআইনি কাজ হয়েছে, তা বরদাস্ত করা হবে না। দোষীদের শাস্তি দেয়া হবে। যাঁরা আশ্রয়প্রার্থী, তাঁদের আইনশৃঙ্খলা মেনে চলতেই হবে।

তবে সমালোচকরা গ্রিক কর্তৃপক্ষ ও ইইউ-র কড়া সমালোচনা করেছেন। তাঁরা বলেছেন, শরণার্থীদের শিবিরগুলিতে ঠাসাঠাসি করে রাখা হয়েছিল। আগুন লাগার সময় শিবিরগুলিতে ১২ হাজার উদ্বাস্তু ছিলেন। অথচ, থাকার কথা তিন হাজারের মতো।

জার্মানির গ্রিন পার্টির নেতা এবং ইউরোপীয় পার্লামেন্টের সদস্য এরিক মারকোয়ার্ট ডিডাব্লিউকে বলেছেন, ''এই আগুন হলো ইউরোপের রাজনৈতিক বিপর্যয়ের প্রতীক। ২০১৫ সালে শরণার্থী সংকটের ঠিকভাবে মোকাবিলা করা হয়নি। এই ধরনের ঘটনা যে কোনো সময় আবার অন্য শিবিরে হতে পারে।'' তাঁর প্রশ্ন, ''আর কী হলে ইউরোপীয় ইউনিয়নের নেতারা ব্যবস্থা নেবেন?''

সাহায্য করতে চায় জার্মানি

জার্মানির বিদেশমন্ত্রী হাইকো মাস বলেছেন, জার্মান সরকার গ্রিসকে সব ধরনের সাহায্য করতে চায়। তিনি বলেছেন, ''আমরা এই পরিস্থিতিতে গ্রিসকে একা ছেড়ে দিতে পারি না। আমার মনে হয়, এটা ইউরোপীয় ইউনিয়নের সম্মিলিত দায়িত্ব।''

জার্মানির সব চেয়ে জনবহুল রাজ্য নর্থ রাইন ওয়েস্টফেলিয়া এক হাজার শরণার্থীর দায়িত্ব নিতে রাজি।  রাজ্যের প্রধান লাশেট জানিয়েছেন, ''আগুনে বিধ্বস্ত শরণার্থী শিবিরের ছবি ভয়াবহ। তাঁরা সব হারিয়ে প্রাণ বাঁচাতে দৌড়াচ্ছেন। তাঁদের মাথার উপরে ছাদও আর নেই।''

জার্মানির বিদেশমন্ত্রী অন্য ইইউ দেশগুলির কছে অনুরোধ জানিয়েছেন, তাঁরাও যেন কিছু শরণার্থীর দায়িত্ব নেয়। তিনি টুইট করে বলেছেন, গ্রিসে যা হয়েছে তা মানবিক বিপর্যয়। ইইউ-র দেশগুলি দ্রুত জানাক, তারা কীভাবে গ্রিসকে সাহায্য করবে।

জিএইচ/এসজি(ডিপিএ, এপি, রয়টার্স)

এই বিষয়ে অডিও এবং ভিডিও

সংশ্লিষ্ট বিষয়