গ্যাস বন্ধের হুমকি রাশিয়ার | বিশ্ব | DW | 01.04.2022

ডয়চে ভেলের নতুন ওয়েবসাইট ভিজিট করুন

dw.com এর বেটা সংস্করণ ভিজিট করুন৷ আমাদের কাজ এখনো শেষ হয়নি! আপনার মতামত সাইটটিকে আরো সমৃদ্ধ করতে পারে৷

  1. Inhalt
  2. Navigation
  3. Weitere Inhalte
  4. Metanavigation
  5. Suche
  6. Choose from 30 Languages
বিজ্ঞাপন

মস্কো

গ্যাস বন্ধের হুমকি রাশিয়ার

দ্রুত দাম না মেটালে ইউরোপে গ্যাস পাঠানো বন্ধ করে দেওয়া হবে বলে হুমকি দিলেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট। ফের রুবলের প্রসঙ্গ তুললেন।

জার্মানির চ্যান্সেলরের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেছিলেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট। তারপর জার্মানি জানিয়েছিল, ইউরোয় গ্যাসের দাম দেওয়ার ব্যাপারে সম্মত হয়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুটিন। কিন্তু তার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই নিজেদের অবস্থান আরও একবার স্পষ্ট করে দিল রাশিয়া।

বৃহস্পতিবার পুটিন জানিয়েছেন, রুবলেই রাশিয়াকে গ্যাসের দাম দিতে হবে। বকেয়া অর্থ দ্রুত শোধ না করলে রাশিয়া বাধ্য হবে গ্যাসের লাইন বন্ধ করে দিতে। রাশিয়ার কাছ থেকে যারা গ্যাস নেয়, সেই সমস্ত দেশকে দ্রুত বকেয়া মেটানোর কথা বলেছেন পুটিন। জানিয়েছেন, অর্থ না দিলে চলতি চুক্তিও বাতিল করতে বাধ্য হবে রাশিয়া।

পুটিনের বক্তব্য, রাশিয়ার বিরুদ্ধে একাধিক নিষেধাজ্ঞা চাপিয়েছে ব্রাসেলস। এর ফলে ইউরোপেরই একাধিক দেশের মানুষ চরম অনিশ্চিত ভবিষ্যতের সামনে এসে দাঁড়িয়েছেন। এরপর তারা আরও সংকটে পড়বেন।

রাশিয়ার কাছ থেকে প্রায় ৫৫ শতাংশ গ্যাস নেয় জার্মানি। তারা জানিয়েছে, রাশিয়াকে ইউরোতে গ্যাসের দাম দিতে তারা তৈরি। এমনকী, ডলারে দাম দেওয়ার ব্যাপারে কথা বলতেও তাদের আপত্তি নেই. কিন্তু রুবলে দাম চেয়ে রাশিয়া ব্ল্যাকমেল করছে।

ফরাসি অর্থমন্ত্রী জানিয়েছেন, রাশিয়া গ্যাসের লাইন বন্ধ করে দিলে কীভাবে চলবে, তা নিয়ে প্যারিস এবং বার্লিন এরমধ্যেই আলোচনা শুরু করে দিয়েছে।

জি২০ থেকে বাদ!

এ বছরের নভেম্বরে ইন্দোনেশিয়ায় বড় অর্থনৈতিক দেশগুলির জি২০ বৈঠকে মিলিত হওয়ার কথা। ক্যানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো জানিয়েছেন, তিনি চান সেই বৈঠকে রাশিয়া যেন যোগ না দেয়। এবিষয়ে ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রপ্রধানেরসঙ্গে তিনি কথা বলেছেন বলে জানিয়েছেন।

ট্রুডোর বক্তব্য, রাশিয়ার ইউক্রেন আক্রমণের ফলে গোটা পৃথিবীর অর্থনীতি ফের সংকটের সামনে এসে দাঁড়িয়েছে। রাশিয়াকে এর সমস্ত দায় নিতে হবে। এবং সে কারণেই রাশিয়াকে জি২০-র বৈঠকে বয়কট করা উচিত।

এসজি/জিএইচ (এপি, এএফপি, রয়টার্স)